কৌতুক-০০১
শিক্ষক: হাবুল বাংলা বইয়ের ১৩ পাতার পদ্যটা মুখস্থ বল?
ছাত্র: পারি না স্যার।
শিক্ষক: এখানে আয়। (ছাত্র টেবিলের নিকট আসার পর) হাত পাত....
কি রে হাবুল তোর হাতের তালু লাল কেন? তুই কি তামাক সেবন করিস?
ছাত্র: ছি: ছি: স্যার আমি জীবনেও তামাক খাই নাই স্যার। তবে আমি ঘুম আসলে কে যেন হাতের তালুতে তামাক ডলে খেয়ে যায়।
কৌতুক-০০২
ধর্ম বিষয়ে ক্লাস শেষে শিক্ষক ছাত্রদের উদ্দেশে বললেন:
: তাহলে বুঝতেই পারছ, এখন থেকে সবাইকে দীনের পথে চলতে হবে। যে যে দীনের পথে যেতে চাও তারা হাত
একজন বাদে সবাই হাত
: তুমি দীনের পথে চলতে চাও না?
: স্যার, মা বলেছেন স্কুল শেষে এদিক-ওদিক না গিয়ে সোজা বাড়ির পথে হাঁটতে।
কৌতুক-০০৩
শিক্ষকঃ " এই পাখির পা দেখে পাখিটির নাম বলো..."
হাবলুঃ "আমি জানি না..."
শিক্ষকঃ " তুমি ফেইল করেছ... তোমার নাম কি?"
হাবলুঃ" আমার পা দেখুন...তাহলেই জানতে পারবেন..."
কৌতুক-০০৪
শিক্ষক: সোহেল ষোল শতকের বিজ্ঞানীদের সম্পর্কে তুমি কী জান?
সোহেল: তারা সবাই মারা গেছেন।
কৌতুক-০০৫
শিক্ষক: ওয়াদা করো সিগারেট পান করবে না
ছাত্ররা: ওকে স্যার, পান করবো না।
শিক্ষক: মেয়েদের পিছে ঘুরবেনা
ছাত্ররা: ঘুরবো না।
শিক্ষক: ওদের ডিস্টার্ব করবে না।
ছাত্ররা: ওকে, ডিস্টার্ব করবো না
শিক্ষক: দেশের জন্য জীবন কোরবান করবে।
ছাত্ররা: অবশ্যই স্যার, এই রকম পানসে জীবন দিয়া করবই বা কি।
কৌতুক-০০৬
বাংলা ব্যাকরণ পড়ানোর সময় শিক্ষক অন্যমনস্ক এক ছেলেকে বললেন, এই ছেলে, সর্বনাম পদের দুইটা উদাহরণ দাও তো।
ছেলেটি হচকচিয়ে দাঁড়িয়ে বললো, ‘কে? আমি?’
শিক্ষক: গুড, হয়েছে। বসো।
কৌতুক-০০৭
শিক্ষক : আমি এই দ্রবণ প্রস্তুত করেছি এবং এই পাত্রে আমি আমার সোনার আংটিটা ডুবিয়ে দিলাম। এখন বল তো আংটিটা দ্রবণে গলবে, নাকি গলবে না?
ছাত্র : গলবে না স্যার?
শিক্ষক : গুড! ভেরি গুড! আচ্ছা বলতো কেন গলবে না?
ছাত্র : স্যার আপনি জ্ঞানী লোক, এই দ্রবণে যদি সোনার আংটি গলে যেত, তবে আপনি নিশ্চয় জেনেশুনে এই পাত্রে আপনার সোনার আংটিটি ডুবাতেন না।
কৌতুক-০০৮
বিল্লু খুবই ফাঁকিবাজ। প্রায়ই দেরি করে স্কুলে যায় আর এজন্য নিত্যনতুন অজুহাতও তার তৈরি থাকে! একদিন দেরি করে ক্লাসে যাওয়ার পরে স্যার জিজ্ঞাসা করলেন, এতো দেরি হলো কেনো?
বিল্লু : আর বলবেন না স্যার! রাস্তা আজকে এতো পিচ্ছিল ছিলো যে, এক পা এগুলে ২ পা পিছিয়ে যাই এমন অবস্থা।
স্যার: এই অবস্থা হলে তো তোমার আজকে স্কুলেই পৌঁছানোর কথা না!
বিল্লু : কেনো স্যার! স্কুলের দিকে পিছন ফিরে হেঁটে হেঁটে এলাম যে!
কৌতুক-০০৯
টিচার: তোমার বাবা তোমাকে বাড়ির কাজ করতে সাহায্য করেছেন?
ছাত্র: না। পুরোটাই উনি করেছেন।
কৌতুক-০১০
ম্যাডাম সাহিত্যের ক্লাসে টেস্ট নিতে গিয়ে ছাত্রদের বললেন, তোমরা এমন একটা ছোট গল্প লেখ, যাতে একই সংগে রহস্য, যৌনতা, রাজকীয়তা, ধর্মীয় আবেশ সবই থাকে। সময় ২০ মিনিট।
২ মিনিট যেতে না যেতেই একজন হাত তুলে বললো, ম্যাডাম আমার শেষ এত কম সময়ে শেষ দেখে ম্যাডাম তো রীতিমত অবাক।
ম্যাডাম: যে চারটা বিষয় বলেছিলাম তার সবগুলো তোমার গল্পে আছে তো?
ছাত্র: জ্বী ম্যাডাম।
ম্যাডাম: তোমার গল্প পড়ে শোনাও দেখি।
ছাত্র: ওহ আল্লাহ, রাজকুমারী আবার প্রেগন্যান্ট! কে করলো আকামটা!!!
কৌতুক-০১১
শিক্ষকঃ ধ্রুব, বলতো এসিসি (ACC) তে কী হয়?
ধ্রুবঃ এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল।
শিক্ষকঃ ভালো । এবার অয়ন বলতো বিবি (BB) তে কী হয়?
অয়নঃ বাংলাদেশ ব্যাংক, স্যার।
শিক্ষকঃ খুব ভাল , নন্দদুলাল তুমি এবার বলতো ইএসপিএন (ESPN)-এ কী হয়?
নন্দদুলালঃ সারা দিন শুধূ খেলা হয়, স্যার।
কৌতুক-০১২
ক্লাস থ্রীর এক ছেলে প্রথম সাময়ীক পরীক্ষার সময় 'কুমির' রচনা শিখেছে। সমস্যা হল এর পর যে পরীক্ষাই আসুক সে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সেই কুমিরের রচনাই লেখে। যেমন একবার রচনা এলো বাবা মায়ের প্রতি সন্তানের কর্তব্য। তো সে লিখলো- বাবা মা আমাদের জন্ম দেয়। তারা আমাদের লালন পালন করে। কুমিররাও তাই করে। জেনে রাখা ভালো যে, কুমির একটি সরিসৃপ প্রানী। এটি জলে বসবাস করে। এর চোখ গোল গোল। কুমিরের পিঠ খাজ কাটা, খাজ কাটা, খাজ কাটা, খাজ কাটা...দশ পৃষ্ঠা শেষ।
এরপরের পরীক্ষায় রচনা এলো আমার প্রিয় শিক্ষক। সে লিখল- আমার প্রিয় শিক্ষক এর নাম মোহাম্মদ আসাদ। তার চোখ গুলো গোলগোল। কুমিরেরও চোখ গোল গোল। জেনে রাখা ভালো যে কুমির একটি সরিসৃপ প্রানী। এটি জলে বসবাস করে। কুমিরের পিঠ খাজ কাটা, খাজ কাটা, খাজ কাটা, খাজ কাটা...দশ পৃষ্ঠা শেষ।
শিক্ষক দেখলেন এতো ভারী বিপদ। শেষে তিনি অনেক ভেবে চিন্তে রচনার বিষয় ঠিক করলেন পলাশীর যুদ্ধ। লেখ ব্যাটা, এই বার দেখি কি করে তুই কুমিরের রচনা লিখিস।
তো ছাত্র লিখলো- ১৮৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে ইংরেজ এবং বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজুদ্দৌলার মধ্যে যুদ্ধ সংগঠিত হয়েছিল। এই যুদ্ধে নবাব সিরজুদ্দৌলা তার সেনাপতি মীরজাফর এর উপর ভরসা করে খাল কেটে কুমির এনেছিলেন।জেনে রাখা ভালো যে, কুমির একটি সরিসৃপ প্রানী। এটি জলে বসবাস করে। এর চোখ গোল গোল। কুমিরের পিঠ খাজ কাটা, খাজ কাটা, খাজ কাটা, খাজ কাটা...দশ পৃষ্ঠা শেষ!
কৌতুক-০১৩
গানের শিক্ষক আসছে আবুলকে গান শিখাতে ।
শিক্ষকঃ আবুল তুই কয়টা গান পারিস...?
আবুলঃ ৪ টা গান পারি
শিক্ষকঃ দেখি গানগুলো গাঁ একটু
আবুলঃ
১/ ইয়া আলী, পকেট খালি, জানু
তুই আমারে কি ভাবে ছ্যাকা দিলি...?
২/ ধাক ধাক কার নে লাগা, হালা
রে ধইরা গালে ২ টা থাপ্পর লাগা ।
৩/ দিল তুহি হে বাতা, কেনো
তোমার "বাথরুমের" বদনা ফাঁটা…?
৪/ ধুম মা চালে ধুম মা চালে ধুম, কাল
অবরোধ দিবো সেই লেভেলের ঘুম ।
আবুলের গান শুনে শিক্ষকতো পুড়াই বেহুশ ।
কৌতুক-০১৪
যুক্তিবিদ্যার ক্লাসে শিক্ষক ছাত্রদের উদাহরণ দিয়ে বললঃ আমি টেবিল ছুয়েছি টেবিল মাটি ছুয়েছে তার মানে আমি মাটি ছুয়েছি।
শিক্ষক আবুলকে দেখিয়ে বললোঃ আমার মত একটা উদহারণ দাও।
আবুলঃ আমি আপনাকে ভালবাসি, আপনি আপনার মেয়ে কে ভালবাসেন, অতএব আমি আপনার মেয়ে কে ভালবাসি....
কৌতুক-০১৫
স্যারঃ পাপ্পু, তোর নামে বিচার আসছে তুই নাকি খুব গালাগালি করিস??
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
পাপ্পুঃ বিশ্বাস করুন স্যার, আমি তো কোনদিন কোন কুত্তার বাচ্চারে গালি দেই নাই, জানিনা কোন হারামজাদা আপনেরে এইসব কইছে, ওই হারামি রে যদি একবার সামনে পাইতাম তাইলে লাত্থি দিয়া শুয়োর টারে ল্যাঙরা কইরা দিতাম... ... ...
কৌতুক-০১৬
সরকার সিদ্ধান্ত নিল গ্রামের অশিক্ষিত লোকেদের পড়াশোনা শেখানো হবে।
সেইমত এক শিক্ষক গ্রামে গিয়ে পড়াচ্ছেন
- 'A' for অ্যাপেল, 'B' for বল..... কিন্তু
কেউ কিছু বুঝতে পারছেনা। তখন শিক্ষকটি ভাবনা চিন্তা করে অন্য এক উপায় বার করলো -
তিনি পড়াতে লাগলেন –
'A'for আবুলের মা
B for বল্টুর মা,
M for মুন্নির মা
P for পাপ্পুর মা
T for টুনির মা.......
কয়েকদিন পর শিক্ষক ভাবলো,
এদের পরীক্ষা নেওয়া যাক। শিক্ষক
বোর্ডে W লিখে এক লোককে জিজ্ঞাসা
করলেনঃ বলো এটা কি লেখা আছে.....??
লোকটি বললঃ স্যার,দেখে তো
মনে হচ্ছে.....
।
।
।
।
।
।
মুন্নির মা উল্টে শুয়ে আছে!!!
কৌতুক-০১৭
টিচার ছাত্রকে প্রশ্ন করলো'
টিচার: এই আবুল বলতো জনক কয় প্রকার?
( ছাত্র এত সোজা প্রশ্ন শুনে দাঁত কেলিয়ে ফটাফট দাড়িয়ে উত্তর দিল )
ছাত্র: স্যার জনক হইলো ২প্রকার৷
একটা হইলো 'জাতির জনক' আর আরেকটা হইলো
'আশঙ্কাজনক'৷
( উত্তর শুনে টিচার রেগে গিয়ে )
টিচার: তোর উত্তর হয় নাই৷আরও এক প্রকার জনক আছে৷
আমি তোরে এখন বেত দিয়া পিটাইমু৷আর সেইটা হবে তর জন্য
'বিপদজনক'৷
ছাত্র: স্যার আপনেরটাও হয় নাই৷আরও এক প্রকার জনক আছে৷
আমি এখন খিচ্চা দৌড় দিয়া পলামু৷ আর সেইটা হবে আমার জন্য
'সুবিধাজনক'৷
তখন পাশ থেকে আরেক ছাত্র উঠে বলল
স্যার: আরেক প্রকার জনক আছে৷
আপনে যদি দৌড়াইয়া আবুইল্লারে না ধইরা আনতে পারেন,
তবে সেইটা হবে আপনার জন্য 'লজ্জাজনক'৷
কি ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট তাই না?
আর আপনারা এই jokes পইড়া যদি
আমাদের অ্যাপসে comment না করেন
তবে সেইটা হবে আমার জন্য
'অপমানজনক'।
কৌতুক-০১৮
প্রিন্সিপালঃ “আপনার বাচ্চাকে আদব
কায়দা শিখাবেন ভালো করে”
অভিভাবকঃ “কেন স্যার? কি হয়েছে?”
প্রিন্সিপালঃ “এপ্লিকেশন ফর্মের সেক্স
কলামে সে লিখে এসেছে
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
“কখনো সুযোগ মিলে নাই….
কৌতুক-০১৯
একজন মহিলা ট্রাফিক সিংগেল ভঙ্গ করলো
Police:থামুন ….
Lady:আমাকে যেতে দিন আমি একজন টিচার ………
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
Police:আহ হা এই মুহুর্তটার জন্য সারাজীবন অপেক্ষা করেছি ….এখন খাতায় ১০০ বার লিখুন “”আমি জীবনে আর কখনোই ট্রাফিক সিংগ্যাল ভঙ্গ করবো না “”
কৌতুক-০২০
মৌখিক পরীক্ষা চলছে। বিষয় পদার্থবিদ্যা। এক ছাত্রকে শিক্ষক প্রশ্ন করছেন-
শিক্ষকঃ আচ্ছা, বলতো- আলোরবেগ বেশি না শব্দের?
১ম ছাত্রঃ স্যার, আলোর।
শিক্ষকঃ গুড। তা একটা উদাহরণ দাও তো?
১ম ছাত্রঃ আমরা যখন কম্পিউটার অন করি তখন আগেআলো জ্বলে কিন্তু তার অনেক পরে শব্দ শুনতে পাই। অতএব আলোর বেগ শব্দের চেয়ে বেশি।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
।
শিক্ষকঃ গর্দভ কোথাকার! এটা কি কোন উদাহরণ হল!
এবার শিক্ষক আরেক ছাত্রের মৌখিক পরীক্ষা নিচ্ছেন।
শিক্ষকঃ বলতো- কার বেগ বেশি? আলোর না শব্দের?
২য় ছাত্রঃ স্যার, অবশ্যই আলোর।
শিক্ষকঃ (একটু খুশি হয়ে) তা বাবা একটা উদাহরণ দিতে পারবা?
২য় ছাত্রঃ এই যেমন ধরেন স্যার- আমরা যখন মোবাইল ফোন অন করি তখন আগে আলো দেখি তারপর ওয়েলকাম টিউন শুনি। সুতরাং আলোর………
শিক্ষকঃ ভাগো, ভাগো এখান থেকে! যত গাধা এসে জুটেছে এখানে।
৩য় ছাত্রকে ডাকার আগে শিক্ষক ভাবছেন আমি মনে হয়একটু কঠিন করে প্রশ্ন ধরছি। ঠিক আছে এবার একটু সহজ করে ধরি।
শিক্ষকঃ ধরো, তুমি একটা পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে আছো। এমন সময় দূরেরএকটা পাহাড়ের চূড়াথেকে কামানের গোলা ছোড়া হল।তাহলে কি হবে? তুমি গোলা ছোড়ায় যে শব্দ হল সেটা আগে শুনতে পাবে নাকি কামানের মাথায় যে আগুন জ্বলেছিল সেই আলোটা আগে দেখবে?
৩য় ছাত্রঃ (হাসতে হাসতে) স্যার, এটার উত্তর তো খুব সোজা। আলো আগে দেখতে পাবো।
শিক্ষকঃ (উদ্ভাসিত চোখে) বাহ! বাহ! এইতো পারছো। একেই বলে মেধাবী ছাত্র। তা বাবা, এর ব্যাখ্যাটা কি দেবে?
৩য় ছাত্রঃ কারণ স্যার, আমার চোখ যে কানের থেকে একটু সামনে।
কৌতুক-০২১
ক্লাসে টিচার বাংলা পড়াচ্ছেন- বাচ্চারা, ‘নিঃসন্দেহে’ শব্দটি দিয়ে একটি বাক্য বল তো দেখি।
প্রথম জন- ম্যাডাম, আকাশ নিঃসন্দেহে নীল।
টিচার – হল না, আকাশ যখন মেঘলা থাকে, তখন আকাশের রঙ বদলে যায়।
দ্বিতীয় জন- ম্যাডাম, ঘাস নিঃসন্দেহে সবুজ।
টিচার – উঁহু, অনেকদিন রোদ কিংবা জল না পেলে ঘাস বিবর্ণ হয়ে যায়।
… এবার তৃতীয় জন উঠে দাঁড়াল এবং প্রশ্ন করল- ম্যাডাম, পাদের কি ঝোল হয়?
– কী???
– মানে, পাদের কি ঝোল হয়?
– না…
– তাহলে আমি নিঃসন্দেহে হেগে দিছি
কৌতুক-০২২
এক ছাত্রকে টেনেহিঁচড়ে প্রধান শিক্ষকের কাছে নিয়ে যাওয়া হলো। ছাত্রটি তখন পরীক্ষা দিচ্ছিল। প্রধান শিক্ষক জিজ্ঞেস করলেন, কেন তাকে ধরে আনা হয়েছে। বলা হলো, সে নকল করছিল।
‘কী, এত বড় সাহস! নকল করছিল!’ ‘জি, স্যার! নকল করছিল। প্রশ্নে এসেছে, মানুষের বুকে হাড়ের সংখ্যা কত। স্যার, সে পরীক্ষার হলে শার্ট খুলে বুকের হাড় গুনছিল।’
কৌতুক-০২৩
ক্যালিফোর্নিয়ার প্রখ্যাত এক মেডিসিনের প্রফেসর একবার ক্লাস নেওয়ার সময় মেডিকেল ছাত্রদের জিজ্ঞাসা করলেনঃ
“ধরো বাবা ভুগছেন সিফিলিস রোগে,মা যক্ষা রোগে,এ পর্যন্ত তাদের চারটি ছেলেমেয়ে হয়েছে।
প্রথমটি অন্ধ,দ্বিতীয়টি মৃত,তৃতীয়টি কানে শোনে না এবং চতুর্থটি যক্ষা রুগী।মা আবার সন্তানসম্ভবা, সেই মুহুর্তে ঐ দম্পতি তোমাদের কাছে আসলো পরামর্শের জন্য,তোমরা তাদের কি পরামর্শ দেবে?”
এবার ছাত্ররা ছোট ছোট গ্রুপে ভাগ হয়ে আলোচনা করে তাদের সিদ্ধান্ত প্রফেসর কে জানালো।প্রতিটি গ্রুপই বললো,মহিলার অবশ্যই গর্ভপাত করানো উচিত। সেটা মায়ের জন্য ভালো হবে।
তখন প্রফেসর সবাইকে উদ্দেশ্য করে বললেন,“অভিনন্দন তোমাদের,তোমরা এইমাত্র সুরসম্রাট বিটোফেনের জীবনটা নিয়ে নিলে!”
কৌতুক-০২৪
শিক্ষকঃ জনি, তুমি বড্ড বেশিকথা বল।
জনিঃ কিচ্ছু করার নাই! এইটা আমাগো ফ্যামিলী ট্রেডিশন!
শিক্ষকঃ মানে?
জনিঃ মানে খুবই সোজা; আমার দাদায় ছিল ফেরিওয়ালা, বাপে শিক্ষক আর বড় ভাই রাজনীতি করে শিক্ষক টাশকি খেয়েঃ আর বোন?
… জনি মুচকি হেসেঃ
¡
¡
¡
¡
¡
¡
¡
¡
¡
“আরেহ! উনি তো একজন মহিলা !
কৌতুক-০২৫
একদিন একজন শিক্ষক ছাত্রকে পড়া জিজ্ঞেস করলেন-
শিক্ষকঃ বলোতো মশা কয় প্রকার?
ছাত্রঃ মশা আট প্রকার।
শিক্ষকঃ মশা আবার আট প্রকার হয় কিভাবে ?
ছাত্রঃ
১. যে মশা গায়ে বসা মাত্রই কামড়ায় তাকে রাক্ষস মশা বলে।
২. যে মশা দিনের বেলায় কামড়ায় তাকে সন্ত্রাসী মশা বলে।
৩. যে মশা নাকের ভেতর ঢুকে কামড়ায় তাকে নমরুদী মশা বলে।
৪. যে মশা সুযোগ পেলেই কামড়ায় তাকে সুযোগসন্ধানী মশা বলে।
৫. যে মশা কানের কাছে এসে গান গায় তাকে গায়ক মশা বলে।
৬. যে মশাকে থাপ্পর দিলে ফাঁক দিয়ে চলে যায় তাকে গোল্লাছুট মশা বলে।
৭. যে মশা কামড় দিলে জ্বর হয় তাকে বিষাক্ত মশা বলে।
৮. যে মশা মশারির ভেতর ঢুকে কামড়ায় তাকে মূর্খ মশা বলে।
কৌতুক-০২৬
একদিন সৌরভ ক্লাশে রীতিমতো মই নিয়ে চলে আসলো।
আর তাই নিয়ে সবার কী ভীষণ কৌত‚হল!
সৌরভ কেন মই নিয়ে এসেছে?
কেউ বললো, বোধহয় কার্নিশে ওর কোনো বই পড়ে গেছে।
কেউ বললো, ওর বোধহয় সিঁড়িফোবিয়া আছে, তাই সিঁড়ি দিয়ে উঠতে ভয় পায়। এজন্য মই দিয়ে ক্লাশে যাবে!
কিন্তু এগুলো কি আর সত্যি হতে পারে বলো!
ক্লাশে স্যার ঢুকে দেখেন কি, ক্লাশে এক বিশাল মই। দেখে তো তাঁর চক্ষু একেবারে কপাল ছাড়িয়ে মাথায় উঠে গেলো। রেগেমেগে কাঁই হয়ে হুংকার ছাড়লেন, ‘ক্লাশের মধ্যে এই বিদঘুটে মইটা কে নিয়ে এসেছে?’ সবাই ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে সৌরভকে দেখিয়ে দিলো। ওকে দেখেই তো স্যার আরেকটু হলে ওকে মেরেই বসেন। আবারও হুংকার দিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ‘ক্লাশে মই নিয়ে এসেছ কেন হে উল্লুক?’ সৌরভ একটুও বিচলিত না হয়ে বললো, ‘কাল আমার এক মামাতো ভাই উচ্চ শিক্ষা শেষ করে বাসায় এসেছে। তা আমি ভাবলাম, আমি-ই বা কম কীসে। তাই স্যার, আমি আজকে মই-ই নিয়ে চলে এসেছি। আজকে থেকেই আমি উচ্চ শিক্ষা নেয়া শুরু করে দিবো। ভালো করেছি না স্যার?’
কৌতুক-০২৭
ক্লাসে পড়ানোর সময় শিক্ষক এক ছাত্রী কে জিগ্গেস করছে……..
শিক্ষক: খেজুর এবং হুজুর এর মধ্যে উচ্চারণ গত মিল থাকলেও এদের ভিতর পার্থক্য কি??
ছাত্রী: স্যার কইতে শরম লাগছে….!!
শিক্ষক: জ্ঞান অর্জনে লজ্জা কিসের ?? বলে ফেলো!
ছাত্রী: না…..!! মানে… স্যার, খেজুরের ১ টা বিচি আর হুজুরের ২ টা বিচি।
কৌতুক-০২৮
একটা ছোট ছেলে তার বাবা-কে জিজ্ঞেস করছে, “বাবা সেক্স মানে কি?”
বাবা খুব চিন্তায় পরে গেলো………
তারপর ও তিনি তার ছেলেকে সেক্স এর সব কিছু বুঝালো্, কারণ ছেলে বড় হচ্ছে…..তাই বাচতে হলে জানতে হবে…..
.
.
.
.
.
.
.
.
তখন ছেলেটা বললঃ এতকিছু স্কুল ফর্ম এর ওই ছোট্টো ঘরে কিভাবে লেখবো?
কৌতুক-০২৯
শিক্ষক: তোমার লজ্জা করল না, তোমার চেয়ে কমবয়সী একটা ছেলেকে এমনভাবে মারতে? এখনই এমন হলে বড় হয়ে কি হবে?
ছাত্র: স্কুলমাস্টার, স্যার।
কৌতুক-০৩০
শিক্ষকঃ বলো ত কিসের মাঝে “ভিটামিন এ ” সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় ??
ছাত্রঃ ঘাসের মাঝে ।
শিক্ষকঃ কি !! ঘাসের মাঝে ???
ছাত্রঃ অবশ্যই স্যার । গরু কে কখনও চশমা পরতে দেখেছেন ???
কৌতুক-০৩
শিক্ষকঃ ঝন্টু , বল তো – ছেলেটি হাতির পিঠ থেকে পড়ে গেলো ।
এটি কোন পদ ???
ঝন্টুঃ আপদ ।
শিক্ষকঃ আর হাতি ??
ঝন্টুঃ বিপদ।
কৌতুক-০৩
শিক্ষকঃ what is your mother’s name ?
ছাত্রঃ আমার মায়ের নাম আশাপূর্ণা ।
.
.
.
শিক্ষকঃ আমি তোমাকে ইংলিশে প্রশ্ন করেছি , উত্তর ও ইংলিশে দেবে ।
ছাত্রঃ My mother’s name is hopefull।
কৌতুক-০৩
ছাত্রদের মানসিকতা বোঝার জন্য এক নতুন শিক্ষক ক্লাসে ঢুকেই বলল –
যারা নিজেকে নির্বোধ মনে করে তারা উঠে দাড়াও ।
অনেকক্ষণ পর দেখা গেলো যে শুধু একজন ছাত্র উঠে দাঁড়ালো ।
শিক্ষকঃ তাহলে তুমি নিজেকে নির্বোধ মনে কর ???
ছাত্রঃ না স্যার । আসলে আপনি একা দাঁড়িয়ে আছেন ,
বিষয়টা ভাল দেখায় না । তাই আমিও…
কৌতুক-০৩
শিক্ষকঃ গ্রামার কাকে বলে ?
ছাত্রঃ যে লোক গ্রামে থাকে , তাকে গ্রামার বলে।
লোকটা যদি বাঙালি হয় তবে তাকে বাংলা গ্রামার ,
আর যদি ইংরেজ হয় তবে তাকে ইংরেজি গ্রামার বলে ।
কৌতুক-০৩
শিক্ষকঃ বল তো কোন পাখির ডানা আছে কিন্তু উড়তে পারেনা ???
ছাত্রঃ মরা পাখি, স্যার।
কৌতুক-০৩
শিক্ষকঃ নিউটন এর বৈজ্ঞানিক তত্ত থেকে আমরা কি শিখলাম ???
ছাত্রঃ ক্লাসে বসে না থেকে গাছতলায় বসে থাকা দরকার ।
কৌতুক-০৩
শিক্ষকঃ আমি তোকে ভালবাসি বলেই মাঝে মাঝে মারি ।
ছাত্রঃ স্যার , আমিও আপনাকে খুব ভালবাসি
কিন্তু ছাত্র বলে ভালবাসা প্রকাশ করতে পারি না ।
কৌতুক-০৩
শিক্ষকঃ বাবু বলো ত বাংলাদেশের রাজধানী কোথায় ???
ছাত্রঃ জানি না , স্যার ।
শিক্ষকঃ তাহলে বেঞ্চের উপর দাড়াও।
ছাত্রঃ স্যার, বেঞ্চের উপর দাঁড়ালে কি বাংলাদেশের রাজধানী দেখা যাবে ??
কৌতুক-০৩
শিক্ষক দুটি ছাত্রকে অংক শিখাতে অনেক চেষ্টা করেছেন।
কিন্তু ছাত্র দুটি এতই দুষ্ট যে তারা কিছুতেই বোঝার চেষ্টা করেনা ।
একদিন তারা গাছে উঠে আম পারছিল। এমন সময় শিক্ষক এসে হাজির।
তিনি এক ছাত্রকে বললেন, আমাকে তিনটা আম দাও।
ছাত্রটি তিনটি আম দিল।
আবারও শিক্ষক দুইটি আম চাইলেন।
ছাত্রটি আরও দুইটি আম দিল।
শিক্ষক এবার বললেন, বলতো, এখন আমার হাতে কয়টি আম আছে?
তখন ২য় ছাত্র বলে উঠল,
এই বলিসনা । স্যার আমাদের অংক শেখাচ্ছেন ।
কৌতুক-০৪০
শিক্ষক: তোর ইংরেজি পড়াটা বল
ছাত্র: A তে আপেল আমি খাব পাইরে, B তে বাতের ব্যথা ঐ যে, C তে খেতা গেছে ছিইরে, D তে মার ডাইল রান্না এখন ও হয় নাই
কৌতুক-০৪১
মহিলা শিক্ষক ইংরেজি ক্লাস নিচ্ছেন।
মহিলা শিক্ষকঃ সবাই HAND দিয়ে একটা sentence লিখ। যে সবার আগে লিখতে পারবে তার জন্য আছে পুরস্কার ।
সবার আগে রাজুঃ My penis in your hand.
মহিলা শিক্ষকঃ এক থাপ্পর দিয়ে দাত ফেলে দিবো। এটা কি লিখছো?
রাজুঃ সরি ম্যাডাম, তাড়াতাড়ি লিখতে গিয়ে pen আর is এর মাঝে space দিতে ভুলে গেছি।
কৌতুক-০৪২
মাস্টর স্কূল এ পড়াছে কাজী নজরুল এর কবিতা !
মাস্টর : তাপস বলো তো আমদের বাংলায় কেন এত আগুন জলছে ?
তাপস : সার্ আসলে বর্তমানে গেসের দাম ৪টাকা কমছে বলে !
মাস্টর : ভুল হইছে !
মাস্টর : বলো তো তাপস কবি কেন গান গাইতে পারছেন না ?
তাপস : আসলে সার্ কবির গিটারের তাঁর ছিড়া গেছিল তাই কবি গান গাইতে পারছিল না ! !
মাস্টর : না ছেলে বড় হইয়া রক স্টার হইবে ! !
কৌতুক-০৪৩
চান্দু একবার বাংলা পরীক্ষা দিতে গেলো!! পরীক্ষায় সবই কমন শুধু রচনা বাদে!! রচনা আসছে হাঁস নিয়ে!! কিন্তু চান্দু বেচারা তো আর এইটা পড়ে নাই!! তবুও সে চেষ্টা করলো!! আসুন দেখি তার চেষ্টাটা কেমন হয়েছিলো!!
হাঁস(যেই প্রাণী সারাক্ষণ প্যাঁকপ্যাঁক করে আর খায়) আমি হাঁস পছন্দ করি!! আমার বাসার সবাইও মনে হয় পছন্দ করে!! যদিও আমাকে বলে না, কিন্তু আমি বুঝি!! হাঁস পানিতে থাকে!! আমিও পানি খাই!!
আমার পাশের বাসার আঙ্কেল মদ খায়!! মদ খুব খারাপ একটা জিনিস!! এইটা কিন্তু আমি বলি নাই!! এইটা জ্ঞানী গুণী লোকেরা বলছে!!
আমার একটা লাঠি আছে!! লাঠি পানিতে সাতার কাটে হাঁস ও পানিতে সাতার কাটে!! মনে হয় তারা আপন ভাইবোন!!
হাঁস পানিতে গোসল করে আমিওপানিতে গোসল করি!! আমার গোসল করতে মাত্র পাঁচ মিনিট লাগে কিন্ত হাঁস সারাদিন লাগিয়ে গোসল করে!! এই জন্য হাঁস দেখতে এত সাদা!! আর আমার গাঁয়ের রঙটা একটু ময়লা!!
বেশি না, সামান্য ময়লা!! আমি হাঁস খুব ভালোবাসি!! হাঁসও আমাকে খুব ভালোবাসে!!
একটা কথা বলতে ভুলে গেছি!! হাঁস দেখতে ঠিক আমার বউয়ের মত!!
কৌতুক-০৪৪
একদিন শিক্ষক জিজ্ঞেস করলেন তার ছাত্রকে, ‘বলো তো দেখি, মুরগি কেন জিরাফের মতো লম্বা হয় না?’
ছাত্র মাথা চুলকে বলল, ‘স্যার, তাহলে তো মুরগি ডিম পাড়ার সাথে সাথে ডিমটা মাটিতে পড়ে ফেটে যেত, আমাদের আর ডিম খাওয়া হতো না!’
কৌতুক-০৪৫
শিক্ষকঃ বল্টু,বল সন্ধি কাকে বলে???
বল্টুঃ স্যার, প্রথমটুকু পারি না………শেষেরটুকু পারি……….।
শিক্ষকঃ মনে মনে বলছেন..(বল্টুর মতন খারাপ ছাত্র সন্ধি শেষেরটুকুপারলেও ভাল) তাই তিনি বললেন….. বল শেষেরটুকুই বল। .
.
.
.
.
.
.
বল্টুঃ স্যার, শেষেরটুকু হল…… তাকে সন্ধি বলে………
কৌতুক-০৪৬
শিক্ষকঃ কপাল দিয়ে একটি কবিতার পংক্তি বল তো।
ছাত্রঃ কপাল ভাসিয়া যায় নয়নটির জলে।
শিক্ষকঃ তুমি একটা গাধা! চোখের জল কখনো কপাল দিয়ে যায়?
ছাত্রঃ স্যার,পরের লাইনটি শুনুন, ঠ্যাং দুটি বাধা ছিল গাছের এক ডালে।:-
কৌতুক-০৪৭
ছোট্ট বাবুর ক্লাসে নতুন শিক্ষিকা মিস মিলি এসেছেন। তিনি প্রথমেই সকলের সঙ্গে পরিচিত হবেন। কাজেই বাচ্চাদের দিকে তাকিয়ে মিষ্টি করে বললেন, 'ছোট্ট সুজি, তোমার বাবা মা কী করেন?'
'আমার বাবা একজন বিজ্ঞানী, আর মা একজন ডাক্তার।'
মিষ্টি হেসে মিস মিলি বললেন, 'ছোট্ট টুনি, তোমার বাবা মা কী করেন?'
'আমার বাবা একজন শিক্ষক, আর মা একজন উকিল।'
'বাহ! ছোট্ট বাবু, তোমার বাবা মা কী করেন?'
বাবু বলল, 'আমার বাবা মারা গেছেন, আর মা একজন পতিতা।'
মিস মিলি রেগে আগুন হয়ে প্রিন্সিপালের কাছে পাঠালেন বাবুকে। মিনিট পাঁচেক পর ছোট্ট বাবু ফিরে এল।
'তুমি প্রিন্সিপালকে বলেছ, তুমি আমার সঙ্গে কেমন আচরণ করেছ?'
'জ্বি মিস।' বলল বাবু।
'তিনি কী বললেন?'
'বললেন, আমাদের সমাজে কোনও কাজই তুচ্ছ নয়। তারপর আমাকে একটা আপেল খেতে দিলেন, আর বাসার ফোন নাম্বার লিখে রাখলেন।'
কৌতুক-০৪৮
একদিন ক্লাসে এ স্যার বল্টুকে বললেনঃ বল্টু ধর তুই মটর সাইকেল চালাইতে চালাইতে কোন নির্জন এলাকায় চলে গেলি।প্রায় ৭.... বা ২০... কিলোমিটারের মধ্যে কোন বাড়ি দোকান কিছুই নেই। আর তখন তোর বাইকের তেল শেষ হয়ে গেল। তখন তুই কি করবি বল.??????
বল্টু তো থামার পাএ না তা তো সবাই জানে। তখন বল্টু বললঃ কেন স্যার টেনশনের কিছুই নেই এই কাজটা খুব সহজ।
.স্যার : কি রকম?
বল্টু: আমার মোবাইল থেকে গ্রামিন সিম টা বের করে চাকায় সেট করব। আর বলব চলো বহুদূর।
স্যার জায়গায় বেহুশ।
কৌতুক-০৪৯
শিক্ষকঃ কে I Love You আবিস্কার করেছে?
ছাত্রঃ চায়না কোম্পানী স্যার।
শিক্ষকঃ (অবাক হয়ে) কিভাবে বুঝলে?
ছাত্রঃ স্যার এর কোন গ্যারান্টিও নাই কোয়ালিটিও নাই।
টিকলে সারা জিবন নয়তো ২দিনও নয়।
কৌতুক-০৫০
একবার ক্লাস এ পরীক্ষা চলছে ; যে শিক্ষক হল পরিদর্শনে আছেন পুরো হল এ চক্কর দিচ্ছেন ছাত্ররা বিন্দুমাত্র সুযোগ পাচ্ছেনা দেখা দেখি বা কথা বলার। ঠিক এই সময় এক ছাত্র শিক্ষক কে একটা চিরকুট ধরিয়ে দিলো সাথে সাথে শিক্ষক তার চেয়ার এ গিয়ে চুপচাপ বসে পড়লেন!! কি ছিল চিরকুট এ?? ...। .
.
.
.
.
.
.
"স্যার আপনার প্যান্ট পিছন থেকে ফাটা"
কৌতুক-০৫১
ক্লাস এ এক নতুন মেয়ে এসেছে শিক্ষক প্রশ্ন করলো এইযে তোমার নাম কি??
মেয়ের উত্তরঃ পিঙ্কি।
শিক্ষকঃ আগে পিছে কিছু লাগাও না??
পিঙ্কিঃ হুম আগে veet ক্রিম আর পিছে সরিষার তেল !!!
কৌতুক-০৫২
রসায়ন-এর ব্যবহারিক ক্লাস চলছে-
শিক্ষক: আমি এই দ্রবণ প্রস্তুত করেছি এবং এই পাত্রে আমি আমার সোনার আংটিটা ডুবিয়ে দিলাম। এখন বল তো আংটিটা দ্রবণে গলবে, নাকি গলবে না?
ছাত্র : গলবে না স্যার?
শিক্ষক: গুড! ভেরি গুড! আচ্ছা বলতো কেন গলবে না?
ছাত্র : স্যার আপনি জ্ঞানী লোক, এই দ্রবণে যদি সোনার আংটি গলে যেত, তবে আপনি নিশ্চয় জেনেশুনে এই পাত্রে আপনার সোনার আংটিটি ডুবাতেন না।
কৌতুক-০৫৩
শিক্ষক : কংকাল কী, কে বলতে পারো?
ছাত্র : আমি পারবো, স্যার।
শিক্ষক : ঠিক আছে, বলো তো।
ছাত্র : স্যার, কংকাল এমন এক মানুষ যার ভেতরটা আছে কিন্তু বাইরেটা নেই।
১ম জন: আজ একটা লোককে দেখলাম যে ডানে যাবে না বামে যাবে বুঝতে পারছিল না।
২য় জন: তারপর?
১ম জন: তার উপর দিয়েই গাড়ি চালিয়ে দিলাম।
কৌতুক-০৫৪
শিক্ষক : তোমার বাবার নাম কী?
ছাত্র : ( কোন জবাব না দিয়ে চিন্তামগ্ন)।
শিক্ষক : কী হলো জবাব দাও!
ছাত্র : স্যার, এখনও তাকে আমরা কোন নাম দিইনি। তাকে আপাতত আমরা বাবা বলে ডাকি।
কৌতুক-০৫৫
কলেজের প্রথম দিন ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে বলছেন ডিন:
ছেলেরা মেয়েদের হোস্টেলে এবং মেয়েরা ছেলেদের হোস্টেলে ঢুকতে পারবে না। যদি প্রথমবারের মতো কেউ এই নিয়ম ভঙ্গ করে, তাহলে তাকে ২০ ডলার জরিমানা করা হবে।
যদি দ্বিতীয়বারের মতো কেউ এই নিয়ম ভঙ্গ করে, তাহলে তাকে ৬০ ডলার জরিমানা করা হবে। আর কেউ তৃতীয়বারের মতো এই নিয়ম ভঙ্গ করলে তাকে ১৮০ ডলার জরিমানা করা হবে।
এমন সময় ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকা এক ছাত্র জিজ্ঞেস করল, পুরো বছরের জন্য গেট পাস নিতে কত লাগবে?
কৌতুক-০৫৬
নেটে অনুশীলনের সময় কোচ দেখলেন কোন ব্যাটসম্যানই ফার্স্ট বোলারদের সামলাতে পারছেন না। খেপে গিয়ে তিনি নিজেই ব্যাট হাতে দাঁড়ালেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে তিনি নিজেই প্রথম বলে আউট হয়ে গেলেন।
এরপর তিনি ব্যাটসম্যানদের উদ্দেশ্যে চেঁচিয়ে বললেন, 'ঠিক এভাবেই তোমরা ব্যাট করছিলে। এবার ভাল কিছু করার চেষ্টা করো'।
কৌতুক-০৫৭
একদিন শিক্ষক, তার বুদ্ধিমান ছাত্র হাফিজকে জিজ্ঞেস করলেন,
আচ্ছা বলতো হাফিজ, আল্লাহ কোনটা করতে পারেন না?
শিক্ষকের এধরনের কথা শুনে উপস্থিত ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে যারা হাফিজকে
ঈর্ষা করতো তারা মনে মনে ভাবল, এবার নিশ্চয়ই হাফিজ জব্দ হবে।
কারণ, আল্লাহ পারেন না একথা মুখে আনাও পাপ। সবাই তার দিকে আছে। হাহিজ মুচকি হেসে বললোঃ আল্লাহ সবই পারেন,
কেবল একটি কাজ করেন ন। তাহলো অবিচার।
কৌতুক-০৫৮
শিক্ষকঃ পৃথিবী গোল হওয়ার পক্ষে তিনটি প্রমাণ দাও।
ছাত্রঃ প্রথম প্রমাণ আপনি বলেছেন, পৃথিবী গোলাকার। দ্বিতীয় আমার
আব্বু ঐ একই কথা বলেছেন,। তৃতীয় প্রমাণ , বইয়ে একথাই লেখা আছে।
কৌতুক-০৫৯
জনসংখ্যার বিস্ফোরণ বিষয়ে পড়াতে গিয়ে এক শিক্ষক বললেন, ‘আমাদের দেশে প্রতি ১০ সেকেন্ডে একজন মহিলা একটি করে শিশুর জন্ম দেন।’
এক ছাত্র চিত্কার করে উঠল, ‘জলদি চল, তাঁকে খুঁজে বের করে এক্ষুনি থামাতে হবে।’
কৌতুক-০৬০
টিচার: তোমার বাবা তোমাকে বাড়ির কাজ করতে সাহায্য করেছেন?
ছাত্র: না। পুরোটাই উনি করেছেন।ৎ
কৌতুক-০৬১
শিক্ষকঃ মশা মাছি অনেক রোগ ছড়ায়, তাদের বংশ বৃদ্ধি রোধ করতে হবে।
ছাত্র:হা হা হা হি হি হি হ
শিক্ষক: হাসির কি হলো? .
.
.
.
.
.
.
ছাত্র: স্যার এতো ছোট কন্ডম বানাবেন ক্যামনে!!!
কৌতুক-০৬২
স্যার : এই বল্টু তুই বলতো পৃথিবীতে সবচেয়ে চালাক প্রাণী কোনটি ?????
বল্টুঃ পৃথিবীতে সবচেয়ে চালাক প্রাণী হচ্ছে গরু
স্যার : হায় খোদা ! এইটা কেমনে সম্ভব ওকে ব্যখ্যা দে ???
বল্টুঃ ব্যাখ্যা তো আরও সহজ বাংলা ২য় পত্রে প্রবাদ আছে...... |
অতি চালাকের গলায় দড়ি বেশির ভাগ গরুর গলায় দড়ি থাকে সুতরাং গরুই সবচেয়ে চালাক প্রাণী হাহাহা
কৌতুক-০৬৩
একদিন ক্লাসে সকল ছাত্রছাত্রীর উদ্দেশ্যে "ম্যাডাম" বললেন???
তোমরা সবাই আগামী কাল ০৪ টা করে ইংরেজী শব্দ লিখে আনবে।
বল্টু স্কুল থেকে বাড়িতে যাচ্ছে আর চিন্তা করছে ইংরেজী শব্দ।
হঠাৎ সে দেখতে পেলো .
.
.
.
.
.
.
.
.১. একটা লোক একটা ছেলেকে ধমক দিয়ে বলছে"Stand up" বল্টু লিখে নিলো তার প্রথম ইংরেজী শব্দটা।
২. এরপর সে পথের ধারে একটা "Dustbin" দেখতে পেলো।
৩. কিছুদুর যেতে যেতে বল্টু একটা সিনেমার শুটিং দেখতে পেলো এবং হিরোইন "Hero" কে ডাকছে।
৪. হিরো বললো "Oh my darling" আজ নয় কাল। .
.
.
.
.
.
.
পরের দিন সকালে বল্টু ক্লাসে আসলো .
.
.
.
.
.
.
এবং ম্যাডাম জিজ্ঞাসা করলো তোমরা কে কি ইংরেজী শব্দ এনেছো
বল্টু : দাড়িয়ে বলল "Stand up"
ম্যাডামঃ তুমি আমাকে কি মনে কর?
বল্টুঃ "Dustbin"
ম্যাডামঃ তুমি নিজেকে কি মনে কর?
বল্টুঃ Hero
ম্যাডামঃ এই নগেন বেতটা নিয়ে আসো তো?
বল্টু : "Oh my darling" আজ নয় কাল।
কৌতুক-০৬৪
ক্লাস টু-তে এক পিচ্চি মেয়ে উঠে দাঁড়িয়ে বলছে, ‘টিচার টিচার, আমার আম্মু কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে?’
টিচার বললেন, ‘তোমার আম্মুর বয়স কত সোনা?’
পিচ্চি বললো, ‘চল্লিশ।’
টিচার বললেন, ‘হ্যাঁ, তোমার আম্মু প্রেগন্যান্ট হতে পারবেন।’
পিচ্চি এবার বললো, ‘আমার আপু কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে?’
টিচার বললেন, ‘তোমার আপুর বয়স কত সোনা?’
পিচ্চি বললো, ‘আঠারো।’
টিচার বললেন, ‘হ্যাঁ, তোমার আপু প্রেগন্যান্ট হতে পারবে।’
পিচ্চি এবার বললো, ‘আমি কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবো?’
টিচার হেসে বললেন, ‘তোমার বয়স কত সোনা?’
পিচ্চি বললো, ‘আট।’
টিচার বললেন, ‘না সোনা, তুমি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে না।’
এ কথা শোনার পর পেছন থেকে ছোট্ট বাবু পিচ্চিকে খোঁচা দিয়ে বললো, ‘শুনলে তো? আমি তো তখনই বলেছি, আমাদের চিন্তা করার কিছু নেই।’
কৌতুক-০৬৫
শিক্ষকঃ বল্টু,নিউটন কে, জানো?
বল্টুঃ জানি স্যার!
শিক্ষকঃ বলো দেখি, কি জানো? .
.
.
.
.
.
.
বল্টুঃ বিজ্ঞানীটি Newton, তার কাজ ছিল রহস্য উদঘাটন। তার বাড়ি ছিল ওয়াশিংটন, তার বাপের নাম কটন, তার ভাইয়ের নাম ছোটন, তার ছেলের নাম প্রোটন, তার প্রিয় হোটেল শেরাটন, প্রিয়.খাবার মাটন, তার ফ্রিজের নাম.ওয়ালটন, প্রিয় বন্ধুর নাম রতন, প্রিয় খেলার নাম ম্যারাথন . .
.
.
.
.
.
.
স্যার আর কিছু ???
কৌতুক-০৬৬
শিক্ষকঃ মিঠু, বল তো, হাসপাতালে ডাক্তাররা যখন কোনো রোগীর অপারেশন করেন, তখন ডাক্তাররা নিজেদের মাথা-মুখ কাপড় দিয়ে ঢাকেন কেন?
ছাত্রঃ অপারেশনের সময় কোনো ভুল-ত্রুটি করে ফেললে রোগী যাতে কোনো অবস্থাতেই বুঝতে না পারে, কোন ডাক্তার এটা করেছেন- সেই জন্য স্যার!
Developed by
No comments:
Post a Comment