ধাঁধা সমগ্র অধ্যায় ০৯
হাত নেই পা নেই
তবু সে চলে
অনাহরে মরে মানুষ
এর অভাব হলে।
উত্তরঃ টাকা।
শীত কালে যার নেইকো মান
গ্রীষ্ম কালে পায় সু-সম্মান।
উত্তরঃ পাখা।
জন্মে ছিল ফর্সা সাদা
কাজের জন্য কালো
এক ডুব খায় এক গাদা মাছ
নামটি তাহার বল।
উত্তরঃ জাল।
কেমন স্বভাব তোর
এ কেমন ধারা
রাত্রে থাকিলে শুয়ে
দিনে র’লি খাড়া।
উত্তরঃ মাদুর।
বর্ষাকালে তিন অক্ষরে
আয়েশ করে খায়
কাটলে মাথা সুন্দরীদের
হাতে উঠে যায়।
উত্তরঃ খিচুড়ি।
এক দাঁড়া, বারো পা
বলো কার আছে
বাস করে জলে আর
ডিম পাড়ে গাছে।
উত্তরঃ চিংড়ি।
চলতে চলতে খসলো শির
মাথা কাটলে চললো ফির।
উত্তরঃ পেন্সিল।
গাছ নেই, শুধু পাতা
মুখ নেই, কত কথা
জীবন সঙ্গী করো
যদিও পাও তার দেখা।
উত্তরঃ বই।
হাত নেই পা নেই
নেইকো আকার
জীবন ধারণে এর
জুড়ি মেলা ভার
উত্তরঃ।
জলে থাকে তবু মাছ নয়
মাছ বলে বাজারে বিক্রি হয়।
উত্তরঃ চিংড়িমাছ।
শৈশবে সে বস্ত্রধারী
যৌবনে উলঙ্গ
বৃদ্ধকালে দাড়ির জটা
মাঝখানে সুরঙ্গ।
উত্তরঃ বাঁশ।
ঘর সে এমন নেই দুয়ার
মাটি চাপা ছাদের পর
নিঃশব্দে মানুষ বাস
যায়না আলো, নেই বাতাস।
উত্তরঃ কবর।
সন্ধায় জন্মায় প্রভাতেই মৃত
মাথারে উপরে সে বিরাজমান
যেন মনিকণা আহা শুভ্র বরণ
চলে এক গতি পথে বল কোন জন।
উত্তরঃ।
তিন অক্ষরের এমন দেশ
পেট কাটলে খাই যে বেশ।
উত্তরঃ আসাম।
সাজালে সাজে বাজালে বাজে
রান্নায়ও সে কাজের।
বলো কি সে?
উত্তরঃ মাটির হাঁড়ি।
চোখ বড়, দীর্ঘ কেশ
একটা দাঁড়া, শক্ত বেশ
জলের পোকা বলতো কে
কদর তার বিদেশে।
উত্তরঃ গলদা চিংড়ি।
শৈশবে কেলে পানা
যৌবনে লাল
অবশেষে সাদা রং
কার এমন হাল।
উত্তরঃ কয়লা।
এক চাকার এমন চক্কর
ভাঙলে ফুঁড়ে ছপ্পরা।
উত্তরঃ টাকা।
নাকের ডগায় পৈতে আটকান
চৈতনে মার টান
গলায় ধরে দাও পটকান
ঘুরতে থাকে ঘ্যানের ঘ্যান।
উত্তরঃ লাট্টু।
বারো মাসের কচি মেয়ে
তেরো মাসে পড়ে
ডাইনে বাঁয়ে গন্ডা গন্ডা
ছেলে প্রসব করে।
উত্তরঃ কলা গাছ।
ধাঁধা সমগ্র অধ্যায় ১০
একটি পরিবারে মা-বাবা ও তাদর ৭জন ছেলে আছে॥
প্রত্যেক ছেলের একটি করে বোন আছে॥
ওই পরিবারে মোট সদস্য সংখ্যা কত??
উত্তরঃ ১০ জন।
গরমও নয়,
ঠান্ডাও নয়,
তবুও সেটা
ফু দিয়ে খাই।
বলুন তো এটার উত্তর কি ?
উত্তরঃ বাদাম।
শেষ পাতে জবাব নেই,
উৎসবে মনে পড়বেই।
শুভ কাজের শুরুতে হবে,
তোমার মুখের প্রশংসায় ও পাবে?
উত্তরঃ মিষ্টি।
হাত আছে পা নাই,
বুক তার কাটা।
আস্ত মানুষ গিলে খায়,
মাথা তার কাটা।
উত্তরঃ সার্ট।
হাঁস, মুরগি, কবুতর ডিম দেয়
আর গরু, ছাগল, মহিষ দুধ দেয়।
বলতে হবে এমনকে আছে যে
দুধ ও ডিম দুটোয় দিতে পারে?
উত্তরঃ দোকানদ্বার।
কালিদাস পণ্ডিতে কয় বাল্যকালের কথা,
নয় হাজার তেঁতুল গাছে কয় হাজার পাতা।
উত্তরঃ আঠার হাজার পাতা।
শুইতে গেলে দিতে হয়, না দিলে ক্ষতি হয়,
কালিদাস পন্ডিত কয় যাহা বুঝেছ তাহা নয়।
উত্তরঃ দরজার খিল।
চক থেকে এল সাহেব কোর্ট প্যান্ট পরে,
কোর্ট প্যান্ট খোলার পরে চোখ জ্বালা করে।
উত্তরঃ পেঁয়াজ।
পোলা কালে বস্ত্রধারী যৌবনে উলঙ্গ,
বৃদ্বকালে জটাধারী মাঝখানে সুড়ঙ্গ।
উত্তরঃ বাঁশ।
বাঘের মত লাফ দেয়, কুকুর হয়ে বসে,
পানির মধ্যে ছেড়ে দিলে সোলা হয়ে ভাসে।
উত্তরঃ ব্যাঙ।
হাসিতে হাসিতে যায় নারী পর পুরুষের কাছে,
যাইবার সময় কান্নাকাটি ভিতরে গেলে হাসে।
উত্তরঃ মেয়েদের হাতের চুঁড়ি।
আমি তুমি একজন দেখিতে এক রুপ,
আমি কত কথা কই তুমি কেন থাক চুপ।
উত্তরঃ নিজের ছবি।
কালিদাস পন্ডিতের ফাঁকি,
আড়াইশ থেকে পাঁচ পঞ্চাশ গেলে
আর কত থাকে বাকী।
উত্তরঃ কিছুই না, শূন্য।
শোন ভাই কালিদাসের হেয়ালীর ছন্দ,
দরজা আছে হাজারটা তবু কেন বন্ধ।
উত্তরঃ মশারী।
শুভ্রবাসান দেহ তার,
করে মানুষের অপকার।
চিতায় তারে পুড়িয়া মারে,
তবু সে উহ আহ না করে।
উত্তরঃ সিগারেট।
জলেতে জন্ম যার, জলে ঘর বাড়ী
ফকির নহে, ওঝা নহে, মুখেতে দাড়ী।
উত্তরঃ কচুরি পানা।
দিন রাত ছলি ফিরি নাহি মোর অবসর
দিন যায় মাস যায়, যায় চলে বছর।
উত্তরঃ ঘড়ি।
চার পায়ে বসি, আট পায়ে চলি
বাঘ নয়, ভালুক নয়, আস্ত মানুষ গিলি।
উত্তরঃ পালকি।
আম নয়, জাম নয়, গাছে নাহি ফলে তবু সবাই তারে ফল নাম বলে।
উত্তরঃ পরীক্ষার ফল।
হাত নাই, পা নাই, এ কেমন রসিক নাগর আনায়েসে পার হয় নদী কিংবা সাগর।
উত্তরঃ নৌকা/জাহাজ।
ধাঁধা সমগ্র অধ্যায় ১২
কালো হরিণ থাকে কালো পাহাড়ে
দশ জনে ধরে আনে দুইজনে মারে।
উত্তরঃ উঁকুন।
হাত আছে পা নাই মাথা তার কাটা
আস্ত মানুষ গিলে খায় বুক তার কাটা।
উত্তরঃ জামা।
সাগরে জন্ম, আমরা থাকি সবার ঘরে
পানির পরশ পেলে যাই তবে মরে।
উত্তরঃ লবন।
দুই অক্ষরে নাম আমার, পৃথিবীতে থাকি
শেষের অক্ষর বাদ দিলে সেই নামে ডাকি।
উত্তরঃ কাক।
দিন করি শতেক বিয়ে কাবিন নাহি হয়
ছেলে মেয়ের মালিক আমি কোন কালে নয়।
উত্তরঃ কাজী।
বলেনতো দেখি-
শিরোপতি অগ্নিকুন্ড পেট ভরা পানি।
নাভি তার চুষে লোকে
একি আজব কাহিনী!!!
উত্তরঃ হুক্কা।
বলেনতো দেখি-
কোন গ্রামে কোন দিন মানুষ ছিলনা, নাই,
আর থাকবে না?
উত্তরঃ টেলিগ্রাম।
বলেনতো দেখি-
যেখানেতে জন্ম সেখানে নয় বাস।
ভ্রমনেতে আসলে পরে ঘটায় সর্বনাস।
এইটা কি?
উত্তরঃ বাতাস।
তিন তের দিয়া বার
নয় দিয়া মিলানী কর।
আমার স্বামীর নামটি এই,
পার করে দাও নাইওর যাই।
উত্তরঃ ষাট ( ৩ x ১৩ + ১২ + ৯ = ৬০)।
গাছে নাই, পাতায় নাই
ফুলে আছে, ফলে আছে।
উত্তরঃ ’ল’ বর্ণ।
নয়া জামাই গোসল করে,
টুপি থাকে মাথার পরে।
একশ কলস পানি দাও
তবু শুকনা তার গাও।
উত্তরঃ কচু গাছ।
শুঁড় দিয়া কাজ করি, নাহি আমি হাতি।
পরহিতে খাটি সদা, তবু খাই লাথি।।
উত্তরঃ ঢেঁকি।
এক লোক দেয়ালে ঝুলানো
একটি ছবির দিকে তাকিয়ে
তার পাশের লোক কে বলছে --
"আমার কোন ভাই অথবা বোন নাই।
কিন্তু ছবির এই মানুষটির বাবা
আমার বাবার ছেলে।"
প্রশ্ন হচ্ছে -- ছবির লোকটি কে ?
উত্তরঃ যে লোকটা কথাগুলো বলছে তার ছেলে।।
৫ জন লোক পুকুরে নেমে গোসল করছে
কিন্তু তাদের চুল ভিজছে না এর কারন কি?
উত্তরঃ কারন তারা সবাই তেলতেলে টাকলু।
এক চোর
কমলা বাগানে কমলা চুরি করতে গেল।
বাগানের তিনটি গেইট এবং তাতে তিনজন
দারোয়ান ছিলো। এখন দারোয়ানদের
সাথে চোরের চুক্তি হল, সে যে পরিমান
কমলা চুরি করবে, প্রত্যেক
দারোয়ানকে সেই পরিমানের অর্ধেক
দিবে। এবং প্রত্যেক দারোয়ান
তাকে(চোর) একটি করে কমলা ফেরত
দিতে হবে।
সব শর্ত পুরন করে বাগান থেকে চোর বের
হয়ে দেখল, সে যে পরিমান
কমলা পাড়লো সেই পরিমান কমলা তার
হাতে আছে। কি করে সম্ভব?
উত্তরঃ ছয়টি চুরি করলো তিনটি নিজে রাখলো। আর তিনটি তিন দারোয়ানকে দিলো। তাদের কাছ থেকে আবার একটি করে ফেরত নিল। সে যতগুল চুরি করল সব রইল।
এক দুর্ধর্ষ অপরাধীর মৃত্যুদন্ডের আদেশ হল।
দেশে ২টি নিয়মে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা যায়।
বিচারক আসামীকে জিগ্যেস করলেন,"তুমি কিভাবে মরতে চাও?
ফাঁসীতে নাকি গর্দান নেওয়ার মাধ্যমে?
"আসামী কিছু না বলায় বিচারক বললেন,"আচ্ছা যাও।
তোমাকে সরাসরি বলতে হবে না।
তুমি যে কোন একটা বাক্য বল।
বাক্যটা সত্যি হলে তোমার গর্দান যাবে আর মিথ্যা হলে তোমাকে ফাঁসিতে ঝোলানো হবে।"
আসামি কিছুক্ষন চিন্তা করে এমন এক
বাক্য বলল যে বিচারক আরো কিছুক্ষন
চিন্তা করে তাকে ছেড়ে দিল।
আসামী বিচারককে কি বলেছিল ?
উত্তরঃ আসামী বলেছিলো যে, "আমি ফাঁসিতে ঝুলতে চাই। "এখন জজ যদি আসামীর কথা সত্য ধরে তার গর্দান নেয় তবে তার (আসামি) কথা মিথ্যা হয়ে যায় আবার জজ যদি আসামীর কথা মিথ্যা ধরে তাকে ফাঁসি দেয় তবে তার (আসামি) কথা সত্য হয়ে যায়।
একটি রাস্তা ৪০ মিটার লম্বা।
প্রতি ১০ মিটার পরপর ১টি করে গাছ
রাস্তার উভয় পাশে থাকলে, পুরো রাস্তায়
কয়টি গাছ আছে?
উত্তরঃ ১০টি।
একটি খালি ঝুড়িতে কয়টি ডিম রাখা যাবে?
উত্তরঃ এক ঝুড়ি।
৩০ থেকে কয়বার ৬ নেয়া যায়?
উত্তরঃ ৫বার।
১ থেকে ১০০ এর মাঝে কয়বার ৯ আছে ?
উত্তরঃ এক বার।
ধাঁধা সমগ্র অধ্যায় ১৩
১ পাউন্ড পালকের চেয়ে ১ পাউন্ড
লোহা কতগুন ভারী?
উত্তরঃ দুটাই সমান।
কখন ১২ এর অর্ধেক ৭ হয়?
উত্তরঃ অঙ্কে যখন ভুল হয়।
৪/ কখন ১১ এর সাথে ২ যোগ করলে ১ হয়?
উত্তরঃ 11 টার পর আর 2 ঘন্টা হলে 1 টা হয়।
কোন জিনিসটি আপনার কিন্তু আপনার বন্ধুরা সবচেয়ে বেশী USE করে?
উত্তরঃ নাম।
১। খ্রীষ্টপূর্ব ৩৮সালের ১৯ই মার্চ
থেকে ১২খ্রীষ্টাব্দের ১৭ই মার্চ
পর্যন্ত সময়ের পার্থক্য কত বছর?
উত্তর ব্যাখ্যা করতে হবে।
উত্তরঃ।
একজন মানুষ দশম তলায় বসবাস করেন।
রোজ সকালে তিনি লিফ্টে করে একতলায় নামেন এবং কাজে চলে যান।
তিনি যদি বর্ষাকালে সন্ধ্যায় ফিরে আসেন অথবা যদি লিফ্টে অন্যান্য মানুষ থাকে,
তাহলে তিনি সরাসরি লিফ্ট ব্যবহার করে দশম তলায় তার বাসায় চলে যান।
অন্যথা, তিনি সিঁড়ি দিয়ে সপ্তম তলায় যান এবং বাকি তিনতলা হেটে উঠেন।
কেন আপনি ব্যাখ্যা করতে পারেন?
উত্তরঃ কারণ মানুষটি খাঁটো। তিনি উঠার সময় সাত তলার সুইচ টিপতে পারেন। দশম তলার সুইচ নাগাল পান না। সাত তালা পর্যন্ত সুইচ টিপতে পারেন।।
খোলা প্রান্তরে দুজন লোক পরে আছে। একজন জীবিত অন্য জন মৃত।দুজনের কাধে একটি করে ব্যাগ রয়েছে। জীবিত জনের ব্যাগ খোলা এবং মৃত জনের ব্যাগ বন্ধ। বলতে হবে তাদের ব্যাগে কি ছিল ?
উত্তরঃ প্যারাসুট।।
আটটি ৮ ব্যবহার করে কিভাবে ১০০০ তৈরি করা যাবে ?
(শুধুমাত্র যোগ চিহ্ন ব্যবহার করতে হবে )
উত্তরঃ ৮৮৮+৮৮+৮+৮+৮=১০০০।
আসাদ সাহেব খুন হয়েছেন। পুলিশ ইনস্পেক্টর সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন।
১ম সন্দেহভাজন (ভাগিনা) : আমি তখন রাত দশটার সংবাদ দেখছিলাম। সংবাদ মাত্র শুরু হয়েছিল। শিরোণামগুলো দেখাচ্ছিল। চতুর্থ শিরোণামে যখন ক্রিকেটের কথা বলছিল তখন হঠাত আমি একটা চিতকার শুনতে পাই। উঠে গিয়ে দেখি মামা উপুড় হয়ে মাটিতে পড়ে আছে। মাথা ফেটে রক্ত বের হচ্ছে।
২য় সন্দেহভাজন (ভাতিজা) : আমি তখন গল্পের বই পড়ছিলাম। হুমায়ূন আহমেদের আজ আমি কোথাও যাবো না। ১২ নম্বর শেষ করে পৃষ্ঠা উল্টিয়ে যখন ১৩ নম্বর পৃষ্ঠা পড়া শুরু করতে যাচ্ছিলাম, তখনই চিতকারটা শুনতে পাই। উঠে গিয়ে দেখি চাচা কাত হয়ে মাটিতে পড়ে আছে। মাথা ফেটে রক্ত বের হচ্ছে। আর আমার ফুফাতো ভাই তার পাশে হতভম্ভ হয়ে বসে আছে।
৩য় সন্দেহভাজন (লজিং মাস্টার) : আমি তখন নেট ব্রাউজ করছিলাম। অ্যাডবি ফ্ল্যাশ প্লেয়ারের নতুন ভার্সনটা আপগ্রেড করা ছিল না বলে ইউটিউব ভিডিও গুলো চালাতে পারছিলাম না। তাই গুগলে সার্চ দিয়ে সফটপিডিয়া থেকে ফ্ল্যাশ প্লেয়ারের লেটেস্ট ভার্সনটা যখন সবেমাত্র ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার দিয়ে ডাউনলোড করতে যাচ্ছিলাম, তখনই চিতকারটা আমার কানে আসে। ছুটে গিয়ে দেখি আংকেল সোজা হয়ে মাটিতে পড়ে আছে। মাথা ফেটে রক্ত বের হচ্ছে। তার ভাগিনা তার পাশে বসে আছে আর ভাতিজা তার পাশে হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
ইনস্পেক্টর তার নোটখাতায় এই তিন সন্দেহভাজনের একজনের নামের পাশে স্টার চিহ্ন দিলেন - অর্থাত্ একে আরো বেশি জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার। বলতে পারেন কোন ব্যক্তির নামের পাশে তিনি স্টার চিহ্ন দিয়েছিলেন এবং কেন?
উত্তরঃ সন্দেহভাজন হল ভাতিজা।
আমরা সাধারণত বিজোড় পৃষ্ঠা উল্টিয়ে পরের পৃষ্ঠায় যাই।
তাই ১১ থেকে ১২ পৃষ্ঠায় গেলে ঠিক হত।
১২ পৃষ্ঠা উল্টিয়ে বলাতা আপাত দৃষ্টিতে ভুল।
আপনাকে আপনি দেখতে চান। কোন আয়না ব্যবহার না করে কি ভাবে সম্ভব।
উত্তরঃ মোবাইলে ছবি তুলে।
চারটি মেয়ে তাদের নিজেদের বয়সের গড় নির্ণয় করতে চাইছে। কিন্তু সমস্যা হল, তারা কেউই নিজের বয়স অন্য কাউকে জানাতে রাজি নয়। নিজের বয়স একে অন্যকে না জানিয়ে তারা কিভাবে তাদের বয়সের গড় নির্ণয় করতে পারবে?
উত্তরঃ ১ম জন তার বয়সের সাথে অন্য কোনো একটি সংখ্যা যোগ করে যোগফলটি লিখে রাখবে।
এভাবে ২য়, ৩য়, ৪র্থ জন নিজ নিজ বয়স যোগ করে যেতে থাকবে, এবং আগের ফল মুছে ফেলবে (না মুছলেও সমস্যা নেই)।
সবশেষে ১ম জন আবার বাড়তি সংখ্যাটি বাদ দিয়ে দেবে। ফলে ৪জনের মোট বয়স পাওয়া যাবে। সেখান থেকে গড় বের করা যাবে, কেউই কারো বয়স জানবে না।
অথবা
খুবি সহজ অনেকভাবেই এই সমস্যার সমাধান করা যায়।
যেমন মনে করেন একটা টাকা জমানোর মাটির ব্যংগের ভিতরে তারা কাউকে না দেখিয়ে যার যত বয়স তত টাকা ভরলো ( সব এক টাকার পয়সা )
তারপর সেই টা ভেংগে টোটাল থেকে চার দিয়ে ভাগ করলো।
জেনিশার আব্বু তার প্রতি জন্মদিনে এক হাজার টাকা করে ব্যাংকে জমা করেন। কিন্তু জেনিশার যখন ১৮ বছর পূর্ন হল দেখা গেলো অ্যাকাউন্টে মাত্র চার হাজার টাকা জমা আছে। কারনটা কি?
উত্তরঃ জেনিশা ২৯ ফেব্রুয়ারিতে জন্মগ্রহণ করেছিল।
ছেব দিয়া খাড়া করে
ফাক পাইলে ডুকাইয়া দেয
বললেতো কি হতে পারে সেটা
না পারলে সারেনডার করবেন ইটা
উত্তরঃ সুই ও সুতা।
এক লোককে একটা ঘরে বন্দী করা হয়েছে। ঘরটি থেকে পলায়ন করার মাত্র ২টি রাস্তা আছে। এবং ২টি রাস্তাই হল ২টি দরজা। এই ২টি পথ ছাড়া তারা অন্য উপায় নেই।
এইবার কথা হল ১ম দরজার বাহিরে এমন একটি ম্যাগনিফাইং গ্লাস সেট করা আছে। যেই গ্লাসের কারণে যে কেউ ঐ দরজা দিয়ে বের হতে চাইলে সূর্যের প্রচন্ড তাপে প্রতিফলিত হবার কারণে সে নিমিষেই মারা যাবে।
আর ঐদিকে ২য় দরজায় প্রহরী হিসেবে আছে একটি ডায়নোসর। সেই মুখ দিয়ে বের হতে গেলেই ডায়নোসরের মুখের আগুনে পড়তে হবে ও মরতে হবে।
প্রশ্ন হল লোকটা কোন দরজা দিয়ে বের হবে?
উত্তরঃ প্রথম দরজা দিয়ে রাতের বেলা বেরুলেই চলবে।।
ভূত নয় প্রেত নয় রাত্রীকালে চরে
সাপ নয়, ব্যাঙ নয় জলে ডিম পাড়ে।
যক্ষ রক্ষ নয় রক্ত চুষে খায়
চোর নয়, ডাকাত নয় তবু সবে
মারতে করে ধায়।
উত্তরঃ মশা।
বলুন তো কোন সে ফল
মানব সংসারে
বোটা কেটে দিলে তবে
দিনে দিনে বাড়ে।
উত্তরঃ মানুষ।
সে পথে যাই না যেতে তবু যেতে হয়
অসময়ে গেলে সবে করে হায় হায়
সময়েতে নাহি গেলে শুন্য সেই পথে
কাঁদকে প্রতিটি ক্ষণ অশেষ দুঃখতে।
উত্তরঃ মৃত্যুপথ।
চরণ তো নেই, তবু চলে বহুদুর
সুপন্ডিত নয়, পেটে বিদ্যা ভরপুর।
মুখ নেই তবু বলে হরেক বচন
এ কথার মর্ম বোঝে সুপন্ডিতগণ।
উত্তরঃ চিঠি।
বিশ্বজোড়া খ্যাতি তাহার
গড়ে প্রতিষ্ঠান
নাচে-গানে অভিনয়ে,
দক্ষ সে একজন।
উত্তরঃ বিশ্ব কবি রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর।
আমার উচ্ছিষ্ট খায় সে
আমারটা সে
বলুন তো আমারা কারা?
উত্তরঃ গাছ ও মানুষ।
পোষ্টটি করেছেন মোঃ রিপন মিয়া
No comments:
Post a Comment