24 January, 2020

বরিশাল জেলার ইতিহাস

১. সৃষ্টির প্রেক্ষাপট : প্রাক্তন বাকেরগঞ্জ জেলা পূর্ব বাংলায় অবস্থিত ছিল। যে চারটি
কালেক্টরেট নিয়ে ঢাকা বিভাগ বা কমিশনারশিপ গঠিত এটি তারই একটি। গঙ্গা
বা পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার সম্মিলিত জলরাশি বাহিত পলিমাটি দ্বারা গঠিত ব-
দ্বীপের নিম্নভাগে এ জেলার অবস্থান। বাকেরগঞ্জে ম্যাজিস্ট্রেসি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে
১৭৯৭ সালের রেগুলেশন-৭ অনুযায়ী ওই সালেই একে জেলা করা হয়। তবে
১৮১৭ সাল পর্যন্ত এটি একটি কালেক্টরেটে পরিণত হতে পারেনি।
নামকরণ : বরিশাল জেলার প্রাচীন নাম চন্দ্রদ্বীপ। প্রায় পাঁচ হাজার বছর পূর্বে
চন্দ্রদ্বীপের ভূগঠন শুরু হয়। সর্বপ্রথম কবে চন্দ্রদ্বীপে মানুষের বসতি শুরু হয় তা
জানা যায়নি। আজকের বরিশাল নামকরণের পেছনে যেসব কথা জনশ্রুতি
রয়েছে তাহলাে প্রাচীনকাল থেকে এ অঞ্চল লবণ ও মাছের জন্য বিখ্যাত ছিল।
১৭৫৭ সালে পলাশীর বিজয়ের পর ইংরেজরা এ অঞ্চলের লবণ ব্যবসা করায়ত্ত্ব
করে। এর আগে বরিশালের নাম ছিল গিরদে বন্দর । ইংরেজ ও পর্তুগীজ
বণিকরা বড় লবণ চৌকিকে বরিসল্ট বলত। বরিসল্ট থেকে বরিশাল নামকরণ
হয়েছে।
৩. আয়তন : (প্রায়) ২৭৯০.৫১ বর্গ কি. মি.।
৪. লােকসংখ্যা : মােট-(প্রায়) ২৩,২৪,৩১০ জন। পুরুষ-১১,৩৭,২১০ ও মহিলা-
১১,৮৭,১০০। বৃদ্ধির হার : -০.১৩% ও ঘনত্ব (বর্গ কি. মি.) : ৮৩৫ জন।
| উপজেলার সংখ্যা ও নাম : ১০টি। বরিশাল সদর, আগৈলঝাড়া, উজিরপুর,
বাবুগঞ্জ, বানারীপাড়া, মুলাদী, গৌরনদী, বাকেরগঞ্জ, মেহেন্দিগঞ্জ ও হিজলা।
৬. থানার সংখ্যা ও নাম : ১৩টি। কোতােয়ালি মডেল থানা, বন্দর, কাউনিয়া,
বরিশাল সদর, আগৈলঝাড়া, উজিরপুর, বাবুগঞ্জ, বানারীপাড়া, মুলাদী,
গৌরনদী, বাকেরগঞ্জ, মেহেন্দিগঞ্জ ও হিজলা।
৭. সংসদীয় আসন : ৬টি। (১) গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলা। (২) উজিরপুর
ও বানারীপাড়া উপজেলা। (৩) মুলাদী ও বাবুগঞ্জ উপজেলা। (৪) মেহেন্দিগঞ্জ
ও হিজলা উপজেলা। (৫) বরিশাল সিটি কর্পোরেশনভুক্ত এলাকা ও বরিশাল
সদর এবং (৬) বাকেরগঞ্জ উপজেলা।
৮. হানাদার মুক্ত দিবস : ১৯৭১ সালের ৮ ডিসেম্বর বরিশাল (গৌরনদী
উপজেলা) হানাদার মুক্ত হয়।
৯, বিশিষ্ট ব্যক্তি : শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক, কবি মীননাথ, কবি বিজয়গুপ্ত,
কবি মুকুন্দ দাস, রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাস, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ,
আসাদ চৌধুরী, শহীদ আলতাফ মাহমুদ, অমৃত লাল দে, আতিকুল হক চৌধুরী,
মেজর এম এ জলিল, চিত্রশিল্পী মিঠুন চক্রবর্তী, রাজনীতিবীদ রাশেদ খান
মেনন, আব্দুল গাফফার চৌধুরী।
১০, ঢাকা থেকে দূরত্ব: সড়ক পথে-আরিচা হয়ে-২৭৫ ও মাওয়া হয়ে-১৬৭ কি.মি.।
১১. যােগাযােগ ব্যবস্থা : বাস : ঢাকা-সায়েদাবাদ-মতিঝিল-বরিশাল বাস স্টেশন,
বরিশাল নথুল্লাবাদ বাস স্টেশন, আব্দুর রব সেরনিয়াবত বাস স্টেশন-রূপাতলী,
বন্দর সড়ক বাস স্টেশন। লঞ্চ : সদরঘাট-বরিশাল লঞ্চ স্টেশন। এনডব্লিউডি
কোড নম্বর : ০৪৩১ ও পােস্ট কোড-৮২০০।
১২. পত্রপত্রিকা : দৈনিক দক্ষিণাঞ্চল, শাহানামা, পল্লী অঞ্চল, বাংলার বনে,
আজকের বার্তা, আজকের পরিবর্তন, মতবাদ, সত্য সংবাদ, বরিশাল বার্তা,
ভােরের অঙ্গীকার, বরিশাল প্রতিদিন, বিপ্লবী বাংলাদেশ ও সাপ্তাহিক বরিশাল
সময়।
১৩. সিটি কর্পোরেশন-০১টি, পৌরসভা-০৫টি ও ইউনিয়ন-৮৫টি।
১৪. উপজেলা ভূমি অফিস-১০টি ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস-৬৯টি।
১৫. মৌজার সংখ্যা-১,০৮৬টি ও গ্রামের সংখ্যা-১,২০৪টি।
১৬. মােট জমির পরিমাণ-৪,৮৯,৪০৬.৯৬ একর।
১৭. শিক্ষার হার-৫৫%।
১৮. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান : জুনিয়র স্কুল-৬৭টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয়-৩৫৫টি, স্কুল এন্ড
কলেজ-২০টি ও ডিগ্রী কলেজ-৩৬টি।
১৯, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান : মসজিদ-৬,৭২৮টি।
২০. চিকিৎসা কেন্দ্র : সদর হাসপাতাল-০১টি, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-০৭টি ও
| ক্লিনিক-১৩টি।
২১. উল্লেখযােগ্য ফসল: ধান, পাট, শাকসবজি ইত্যাদি।
২২. নদনদীর নাম : কীর্তনখােলা, লােহালিয়া, রামগঞ্জ, গজালিয়া, মেঘনা, বিশখালী,
আড়িয়াল খাঁ, তেঁতুলিয়া ইত্যাদি।
২৩. দর্শনীয় স্থান : দুর্গা সাগর, কালেক্টরেট ভবন, চাখার প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর,
অক্সফোর্ড মিশন, শংকর মঠ, জোড় মসজিদ, শের-ই-বাংলা জাদুঘর ও কীর্তন
খােলা গার্ডেন।
২৪. জেলার ঐতিহ্য : এক সময়ের বিখ্যাত ‘গ্রেদে নৌবন্দর এবং পরবর্তীতে তাকে
কেন্দ্র কের গড়ে ওঠা ঐতিহাসিক নগরী বরিশালের মতই পুরানাে সেখানের
ঐতিহ্যবাহী শাখারী বা শাঁখ-শঙ্খ শিল্প এবং গৌরনদীর দই এ জেলার ঐতিহ্য
বহন করে।

16 January, 2020

জ্যামিতিক সংঙ্গা, জ্যামিতির সকল সংঙ্গা ।

সূক্ষ্মকোণ (Acute angle) 
এক সমকোণ (90) অপেক্ষা ছোট কোণকে সূক্ষকোণ বলে।

সমকোণ (Right angle) 
একটি সরল রেখার উপর অন্য একটি লম্ব টানলে এবং লম্বের দু’পাশে অবস্থিত ভূমি সংলগ্ন কোণ দুটি সমান হলে, প্রতিটি কোণকে সমকোণ বলে।
এক সমকোণ=90

স্থূলকোণ (Obtuse angle) 
এক সমকোণ অপেক্ষা বড় বিন্তু দুই সমকোণ অপেক্ষা ছোট কোণকে সথূলকোণ বলে।

প্রবৃদ্ধকোণ (Reflex angle) 
দুই সমকোণ অপেক্ষা বড় কিন্তু চার সমকোণ অপেক্ষা ছোট কোণকে প্রবদ্ধ কোণ বলে।
অর্থাৎ 360 > x 180 হলে x একটি প্রবৃদ্ধ কোণ।


সরলকোণ (Straight angle) 
দু’টি সরল রেখাপরস্পর সম্পর্ণ বিপরীত দিকে গমন করলে রেখাটির দু’পাশে যে কোণ উৎপন্ন হয় তাকে সরলকোণ বলে।
সরলকোণ দুই সমকোণের সমান বা 180

বিপ্রতীপকোণ (Vertically Opposite angle ) 
দু’টি সরল রেখা পরস্পর ছেদ করলে যে চারটি কোণ উৎপন্ন হয় এদের যেকোণ একটিকেতার বিপরীত কোণের বিপ্রতীপ কোণ বলে।


সম্পূরককোণ(Supplementary angle ) 
দু’টি কোণের সমষ্টি 180 বা দুইসমকোণ হলে একটিকে অপরটির সম্পূরক কোণ বলে।


পূরককোণ (Complementary angle) 
দু’টি কোণের সমষ্টি এক সমকোণ বা 90 হলেএকটিকেঅপরটির পূরক কোণ বলে


ত্রিভূজ (Triangle)
তিনটি সরলরেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ ক্ষেত্রকে ত্রিভূজ বলে।


সুক্ষ্মকোণীত্রিভূজ (Acute angle triangle ) 
যে ত্রিভূজের তিনটি কোণই এক সমকোণ(90 0 ) এর ছোট তাকে সূক্ষ্মকোণী ত্রিভূজ বলে।


সুক্ষ্মকোণীত্রিভূজ (Obtuse angled triangle) 
যে ত্রিভূজের একটি কোণ সথূলকোণ বা এক সমকোণ অপেক্ষা বড় তাকে সথূলকোণী ত্রিভূজ বলে।
কোণ ত্রিভূজের একের অধিক সথূলকোণ থাকতে পারে না।


সমকোণী ত্রিভূজ (Right angled triangle) 
যে ত্রিভূজের একটি কোণ সমকোণ তাকে সমকোণী ত্রিভূজ বলে। কোন ত্রিভূজে একটির অধিক সমকোণ থাকতে পারে না। সমকোণী ত্রিভূজের সমকোণের বিপরীত বাহুকে অতিভূজ এবং সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয়ের একটিকে ভূমি এবং অপরটিকে লম্ব বলা হয়।


লম্বকেন্দ্র(orthocente)
লম্বকেন্দ্র ত্রিভুজের তিনটি শীর্ষ থেকে বিপরীত বাহুগুলির উপর তিনটি লম্ব সমবিন্দুগামী, এবং বিন্দুটির নাম লম্বকেন্দ্র (orthocenter)


একাস্তরকোণ
দু’টি সমান্তরাল রেখাকে অপর একটি রেখা তির্যকভাবে ছেদ করলে ছেদক রেখার বিপরীত পাশে সমান্তরাল রেখা যে কোণ উৎপন্ন করে তাকে একান্তর কোণ বলে। একান্তর কোণগুলো পরস্পর সমান হয়।

অনুরূপকোণ
দু’টি সমান্তরাল সরল রেখাকে অপর একটি সরল রেখা ছেদ করলে ছেদকের একই পাশে যে কোণ উৎপন্ন হয় তকে অনুরূপ কোণ বলে। অনুরূপ কোণগুলো পরস্পর সমান হয়।

সন্নিহিতকোণ
যদি দু’টি কোণের একটি সাধারণ বাহু থাকে তবে একটি কোণের অপর কোণের সন্নিহিত কোণ বলে।


পরিবৃত্ত

তিনটি শীর্ষবিন্দু যোগ করে যেমন একটিমাত্র ত্রিভুজ হয় তেমনি তিনটি বিন্দু (শীর্ষ)গামী বৃত্তও একটিই, এর নাম পরিবৃত্ত।



পরিকেন্দ্র
পরিবৃত্তের কেন্দ্র (যে বিন্দু ত্রিভুজের শীর্ষত্রয় থেকে সমদূরত্বে স্থিত)।



চতুর্ভুজ
চারটি রেখাংশ দিয়ে সীমাবদ্ধ সরলরৈখিক ক্ষেত্রের সীমারেখাকে চতুর্ভুজ বলে।
বিকল্প সংজ্ঞা: চারটি রেখাংশ দিয়ে আবদ্ধ চিত্রকে চতুর্ভুজ বলে।চিত্রে কখগঘ একটি চতুর্ভুজ।


কর্ণ
চতুর্ভুজের বিপরীত শীর্ষ বিন্দুগুলোর দিয়ে তৈরি রেখাংশকে কর্ণ বলে। চতুর্ভুজের কর্ণদ্বয়ের সমষ্টি তার পরিসীমার চেয়ে কম।



চতুর্ভুজের বৈশিষ্ট্য
চারটি বাহু, চারটি কোন, অন্তর্বর্তী চারটি কোনের সমষ্টি ৩৬০°।


সামান্তরিক
যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল এবং বিপরীত কোণগুলো সমান (কিন্তু কোণ গুলো সমকোন নয়) , তাকে সামান্তরিক বলে।



আয়ত
যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল এবং প্রতিটি কোণ সমকোণ, তাকে আয়ত বলে।



বর্গক্ষেত্র
বর্গক্ষেত্র বলতে ৪টি সমান বাহু বা ভূজ বিশিষ্ট বহুভূজ, তথা চতুর্ভূজকে বোঝায়, যার প্রত্যেকটি অন্তঃস্থ কোণ এক সমকোণ বা নব্বই ডিগ্রীর সমান।



রম্বস
রম্বস এক ধরনের সামান্তরিক যার সবগুলি বাহু সমান কিন্তু কোণ গুলো সমকোন নয়।



ট্রাপিজিয়াম
যে চতুর্ভুজ এর দুইটি বাহু সমান্তরাল কিন্তু অসমান।


বহুভুজ
(কারনসরলরেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ) বহুভুজ নয় (কারনঃ বক্র রেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ) বহুভুজ নয় (কারনঃ সীমাবদ্ধ নয়) যদি বহুভুজের সবগুলি বাহু ও কোণ সমান হয়, তবে সেটিকে সুষম বহুভুজ বলে।
বিপ্রতীপ কোণঃ কোন কোণের বাহুদ্বয়ের বিপরীত রশ্মি যে কোণ তৈরি করে, তা ঐ কোণের বিপ্রতীপ কোণ বলে ।



গোলক
দুইটি পরস্পর বিপরীত রশ্মি তাদের সাধারণ প্রান্ত বিন্দুতে যে কোণ উৎপন্ন করে, তাকে সরল কোণ বলে ।



প্রবৃদ্ধকোণ
দুই সমকোণ থেকে বড় কিন্তু চার সমকোণ থেকে ছোট কোণকে প্রবৃদ্ধকোণ বলে ।



সমান্তরাল রেখা
একই সমতলে অবস্থিত দুটি সরল রেখা একে অপরকে ছেদ না করলে, তাদেরকে সমান্তরাল সরল রেখা বলে ।


ছেদক

যে সরলরেখা দুই বা ততোধিক সরলরেখাকে ছেদ করে, তাকে ছেদক বলে ।


অন্তঃকেন্দ্র
ত্রিভুজের কোণত্রয়ের সমদ্বিখন্ডকগুলো সমবিন্দু ।ত্রই বিন্দু ত্রিভুজের অন্তঃকেন্দ্র।

পরিকেন্দ্র 

ত্রিভুজের বাহুত্রয়ের লম্বদ্বিখন্ডকত্রয় সমবিন্দু। ত্রই বিন্দু ত্রিভুজের পরিকেন্দ্র।



ভরকেন্দ্র
ত্রিভুজের কোণ একটি শীর্ষবিন্দু এবং তার বিপরীত বাহুর মধ্যবিন্দুর সংযোজক সরলরেখাকে মধ্যমা বলে। ত্রিভুজের মধ্যমাত্রয় সমবিন্দু । ত্রই বিন্দু ত্রিভুজের ভরকেন্দ্র।



লম্ববিন্দু
ত্রিভুজের শীর্ষত্রয় হতে বিপরীত বাহুর উপর অঙ্কিত লম্বত্রয় সমবিন্দু। ত্রই বিন্দু ত্রিভুজের লম্ববিন্দু।



সর্বসম
দুইটি ক্ষেত্র সর্বসম হবে যদি একটি ক্ষেত্র অন্যটির সাথে সর্বতোভাবে মিলে যায় । সর্বসম বলতে আকার ও আকৃতি সমান বুঝায় ।


বর্গ
আয়তক্ষেত্রের দুটি সন্নিহিত বাহু সমান হলে তাকে বর্গ বলে ।

স্পর্শক

একটি বৃত্ত ও একটি সরলরেখার যদি একটি ও কেবল ছেদবিন্দু থাকে তবে রেখাটিকে বৃত্তটির একটি স্পর্শক বলা হয় ।


সাধারণ স্পর্শক

একটি সরলরেখার যদি দুইটি বৃত্তের স্পর্শক হয়, তবে বৃত্ত দুইটির একটি সাধারণ স্পর্শক বলা হয় ।



আয়তিক ঘনবস্তু
তিন জোড়া সমান্তরাল আয়তাকার সমতল বা পৃষ্ট দ্বারা আবদ্ধ ঘনবস্তুকে আয়তিক ঘনবস্তু বলে ।



ঘনক
আয়তাকার ঘনবস্তুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা সমান হলে, তাকে ঘনক বলে ।


কোণক
কোন সমকোণী ত্রিভুজে সমকোণ সংলগ্ন যে কোন একটি বাহুকে স্থির রেখে ঐ বাহুর চতুর্দিকে ত্রিভুজটিকে ঘুরালে যে ঘনবস্তু উৎপন্ন হয় তাকে সমবৃত্তভুমিক কোণক বলে। ৪৩।

সিলিন্ডার বা বেলুনঃ একটি আয়তক্ষেত্রের যে কোন একটি বাহুকে স্থির রেখে ঐ বাহুর চতুর্দিকে আয়তক্ষেত্রটিকে ঘুরালে যে ঘনবস্তু উৎপন্ন হয় তাকে সমবৃত্তভুমিক বেলুন বলে ।

ধন্যবাদ সবাইকে
মোঃ রিপন মিয়া

তোমায় ভালোবাসি হে প্রিয়

তোমায় ভালোবাসি হে প্রিয়

06 January, 2020

ঐতিহাসিক তাফসিরুল কোরআন ও ওয়াজ মাহফিল স্থানঃ চান্দার বাকসন দাখিল মাদ্রাসা । ময়দাহাটা,শিবগঞ্জ,বগুড়া।

ঐতিহাসিক তাফসিরুল কোরআন ও ওয়াজ মাহফিল
স্থানঃ চান্দার বাকসন দাখিল মাদ্রাসা । ময়দাহাটা,শিবগঞ্জ,বগুড়া। 
তারিখ ৮ জানুয়ারি ২০২০ ইং
প্রধান বক্তাঃ হয়রত মাওলানা মোঃ রুহুল আমিন জিহাদি নাটোর
২য় বক্তাঃ মাওলানা মোঃ আমিন উল্লাহ

22 December, 2019

শোলাগাড়ী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। ভর্তি চলছে।

ভর্তি চলছে। ভর্তি চলছে। ভর্তি চলছে
শোলাগাড়ী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়
স্থাপিতঃ-২০০১ ইং
৬ষ্ট থেকে ৯ম শ্রেনী পর্যন্ত
শোলাগাড়ী,কিচক,শিবগঞ্জ,বগুড়া। 

শোলাগাড়ী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়

শোলাগাড়ী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়
স্থাপিতঃ-২০০১ ইং
শোলাগাড়ী,কিচক,শিবগঞ্জ,বগুড়া
Post by Md.Ripon Mia

শোলাগাড়ী হাজীপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

শোলাগাড়ী হাজীপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়
স্থাপিতঃ-১৯৩১ ইং
শোলাগাড়ী হাজীপুর,কিচক,শিবগঞ্জ,বগুড়া
Post by Md.Ripon Mia

16 December, 2019

১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে সকলকে জানাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ।

১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে সকলকে জানাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ।
মোঃ আমিনুর ইসলাম রিপন
কিচক,শিবগঞ্জ,বগুড়া,রাজশাহী

09 December, 2019

করতোয়া পাবলিক স্কুল

করতোয়া পাবলিক স্কুল
স্থাপিতঃ-২০১৮
আমতলী,শিবগঞ্জ,বগুড়া

06 December, 2019

আবিষ্কার ও আবিষ্কারকের নাম


1. হিয়ারিং এড (বৈদ্যুতিক)—মিলার রিভা হাচিনসন (1901)।
2. জেট ইঞ্জিন—স্যার ফ্র্যাঙ্ক হুইটল (1937)।
3. অগ্নিনির্বাপক—এম. ফুচেস (1734)।
4. উলবোনার মেশিন—উইলিয়ামলি (1589)।
5. ডিজেল ইঞ্জিন—রুডলফ ডিজেল (1895)।
6. ফাউন্টেন পেন—লুই এডসন ওয়াটারম্যান (1884)।
7. বৈদ্যুতিক মোটর (এসি)—নিকোলো টেসলা (1888)।
8. ড্রিল (বৈদ্যুতিক)—উইলহেম ফিন (1895)।
9. কমপ্যাক্ট ডিক্স—ফিলিপস ও সোনি (1979)।
10. চলচ্চিত্র (সবাক)—জে. এল. জেমুসোলে (1922)।
11. বৈদ্যুতিক আলো—স্বতন্ত্রভাবে জোসেফ, সোয়ান ও টমাস আলভা এডিসন (1879)।
12. গ্লাইডার—স্যার জর্জ কেলে (1853)।
13. ইলেকট্রন—জে. জে. টমাস (1897)।
14. ডায়ানামো—মাইকেল ফ্যারাডে (1832)।
15. কফি (ইনস্ট্যান্ট)—নেসলে (1937)।
16. ড্রিল (বাষ্পচালিত)—জার্মেন সোমেলিয়ার (1861)।
17. বুনসেন বার্নার—রবার্ট উইলহেম বুনসেন (1855)।
18. চকোলেট (জমাট বাঁধা)—ফ্রাঙ্কোই-লুই কেলার (1819)।
19. জেনেটিক্স—গ্রেগর মেন্ডেল (1865)।
20. গ্রামোফোন—টমাস আলভা এডিসন (1878)।
21. অ্যাডিং মেশিন—ব্রেইজ পাসকেল (1642)।
22. গাড়ি (বাষ্পীয়)—নিকোলাস কুগনট (আনু: 1769)।
23. তড়িৎচুম্বক—উইলিয়াম স্টারজন (1824)।
24. হাইড্রোফয়েল—কমতে ডি ল্যাম্বার্ট (1897)।
25. ডিডিটি—পল মুলার (1939)।
26. ডিস্ক ব্রেক—ডঃ এফ ল্যাঞ্চেস্টার (1902)।
27. গ্যাস মিটার—উইলিয়ামক্লেগ (1815)।
28. ডিনামাইট—আলফ্রেড নোবেল (1863)।
29. ক্যালাইডোস্কোপ—স্যার ডেভিড ব্রুস্টার (1816)।
30. গ্যাস লাইটিং—উইলিয়াম মারডক (1792)।
31. ইলেকট্রিক কম্পিউটার—ডঃ অ্যালান এম টারিং (1924)।
32. বৈদ্যুতিক পাখা—ডঃ শ্যূলার স্ক্যাটস (1882)।
33. ডি এন এ-র গঠন—ফ্রান্সিসক্রিক ও জেমস্ ওয়াটসন (1953)।
34. হলোগ্রাফি—ডেনিস গ্যাবর (1947)।
35. স্কুটার—ওয়াল্টার লাইন্স (1897)।
36. ইস্পাত উৎপাদন—হেনরি বেসেমার (1855)।
37. টেরিলিন—জে. আর. হুইনফিলড (1941)।
38. ওয়েল্ডার (বৈদ্যুতিক)—এলিজা টমসন (1877)।
39. প্লাস্টিক—আলেকজান্ডার পার্কস (1852)।
40. নিয়ন লাইট—ভার্জেস ক্লড (1910)।
41. রেডিও টেলিগ্রাফি—ডঃমাহলন লুমিস (1864)।
42. সেলফ স্টার্টার—চার্লস অব কেটারিং (1911)।
43. জাহাজ (বাষ্পীয়)—জে.সি. পেরিথার (1775)।
44. রিকশা—জোনাথন স্কোবি (1869)।
45. থার্মোমিটার—গ্যালিলিও গ্যালিলি (1593)।
46. স্টিম ইঞ্জিন—জেমস ওয়াট (1698)।
47. সেফটি পিন—ওয়াল্টার লাইস (1849)।
48. প্রেসার কুকার—ডেনিস প্যাপিন (1699)।
49. রাডার (প্রয়োগ)—এ এইচ টেলর এবং লিও সি ইয়ং (1922)।
50. স্পিনিং ফ্রেম—স্যার রিচার্ড আর্করাইট (1769)।
51) বল পয়েন্ট কে আবিস্কার করেন ? ➫ জন জেলাউড
52) বসন্ত টিকা কে আবিস্কার করেন ? ➫ জেনার
53) বসন্তের টিকা কে আবিস্কার করেন ? ➫ এডওয়ার্ড জেনার
54) বায়ু নিষ্কাশন যন্ত্র কে আবিস্কার করেন ? ➫ অটোভন গেরিক
55) বার্নার কে আবিস্কার করেন ? ➫ রবার্ট বুনসেন
56) বাষ্পীয় ইঞ্জিন কে আবিস্কার করেন ? ➫ জেমস ওয়াট
57) বিদ্যুত্ কে আবিস্কার করেন ? ➫ উইলিয়াম গিলবার্ট
58) বিবর্তনের সূত্র কে আবিস্কার করেন ? ➫ চার্লস ডারউইন
59) বিসিজি টিকা কে আবিস্কার করেন ? ➫ ক্যালসাট ও গুয়োচিন (যক্ষার টিকা)
60) বৈদ্যুতিক বাতি কে আবিস্কার করেন ? ➫ টমাস আলভা এডিসন
61) ব্যাক্টেরিয়া কে আবিস্কার করেন ? ➫ লিউয়েন হুক
62) ব্যারোমিটার কে আবিস্কার করেন ? ➫ ইভারজেলিস্টটরসিলি
63) ব্লাড গ্রুপ কে আবিস্কার করেন ? ➫ ল্যান্ড স্টেইনার
64) ভাইরাস কে আবিস্কার করেন ? ➫ চার্ল আই ইকলুজ
65) ভিটামিন এ বি ও ডি কে আবিস্কার করেন ? ➫ মেকুলাস
66) মাইক্রোফোন কে আবিস্কার করেন ? ➫ আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল
67) ম্যালেরিয়া জীবাণু কে আবিস্কার করেন ? ➫ রোনাল্ড রস
68) যক্ষার জীবাণু কে আবিস্কার করেন ? ➫ রবার্ট কচ
69) রক্ত সঞ্চালন কে আবিস্কার করেন ? ➫ উইলিয়াম হার্ভে
70) রাডার কে আবিস্কার করেন ? ➫ এ এইচ টেলর এবং লিও সি ইয়ং
71) রিভলভার কে আবিস্কার করেন ? ➫ স্যামুয়েল কোল্ট
72) রেডিও কে আবিস্কার করেন ? ➫ জি মার্কনি
73) রেডিয়াম কে আবিস্কার করেন ? ➫ ম্যাডম কুরি ও পিয়েরে কুরি
74) রেল ইঞ্জিন কে আবিস্কার করেন ? ➫ জর্জ স্টিভেনসন
75) লেজার কে আবিস্কার করেন ? ➫ টি এইচ মাইম্যান
76) সিডি কে আবিস্কার করেন ? ➫ আর সি এ
77) সৌরজগত ➫ এন কপার্নিকাস
78) হাইড্রোজেন কে আবিস্কার করেন ? ➫ হেনরি ক্যাভেন্ডিস
79) হামের টিকার উদ্ভাবক কে ? ➫ এনভারস এবং জন পিবলস
80) হোমিওপ্যাথির জনক কে ? ➫ হ্যানিম্যান

ইসমাইল হোসেন