01 December, 2018

নামাজের আহকাম সমুহ

যে ফরজ কাজগুলো নামাজ শুরু করার আগেই করতে হয়, সেগুলোকে সালাতের আহকাম বলা হয়। সালাতের আহকাম মোট সাতটি। যথা-
১. শরীর পাক হওয়া : প্রয়োজনমতো অজু-গোসল বা তায়ামুমের মাধ্যমে শরীর পাক পবিত্র করা।
২. কাপড় পাক হওয়া, অর্থাৎ কাপড় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হওয়া।
৩. জায়গা পাক হওয়া (নামাজ পড়ার স্থান পাক হওয়া)।
৪. সতর ঢাকা (পুরুষের নাভীর উপর থেকে হাঁটু পর্যন্ত ঢেকে রাখা এবং মহিলাদের মুখমণ্ডল হাতের কব্জি এবং পায়ের পাতা ছাড়া সমস্ত শরীর ঢেকে রাখা)।
৫. কিবলামুখী হওয়া (কাবার দিকে মুখ করে সালাত আদায় করা)।
৬. ওয়াক্ত হওয়া (সালাতের নির্ধারিত সময় হওয়া)।
৭. নিয়ত করা (যে ওয়াক্তের সালাত আদায় করবে মনে মনে তার নিয়ত করা)।

অযুর নিয়মাবলী

অজু সঠিক নিয়মে না হলে নামাজ আদায় হয় না। সুতরাং সুন্নাত তরীকায় অজু করার নিয়ম জানা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। অজুর কতিপয় নিয়মগুলো নিম্নরুপঃ
>>নিয়তঃ আমি পবিত্রতা অর্জন করা বা ইবাদাত করা অথবা আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করার জন্য অজু করছি ।
>>প্রথমে উভয় হাতের কবজি পর্যন্ত ধোয়া : ডান হাতে পানি নিয়ে ডান হাতের কবজি তিনবার ধৌত করবে। এরপর ডান হাতে পানি নিয়ে বাম হাতের কবজির উপর পানি ফেলে তিন বার ধৌত করবে।
হাতে নাপাকী থাকলে যে কোন উপায়ে প্রথমে হাত ধুয়ে নিতে হবে
>> মিসওয়াক করাঃ কুলি করার পূর্বে মিসওয়াক করা সুন্নাত। মিসওয়াক অজু শুরু করার পূর্বেও করা যায়। মিসওয়াক না থাকলে কিংবা মুখে ওজর থাকলে বা দাঁত না থাকলে আঙ্গুল দিয়ে হলেও ঘষে নিবে।
>> কুলি করাঃ ডান হাতে পানি নিয়ে কুলি করবে। রোজাদার না হলে গড়গড়া করা সুন্নাত। তিনবার   কুলিকরা সুন্নাত। তিনবারের জন্য আলাদা আলাদা তিনবার পানি নিতে হবে।
>> নাকে পানি দেওয়াঃ ডান হাতে নাকে পানি দিবে এবং বাম হাত দ্বারা নাক ঝাড়বে। বাম হাতের কনিষ্ঠাঙ্গুলের অগ্রভাগ দিয়ে নাক পরিষ্কার করবে। তাছাড়া কনিষ্ঠ ও বৃদ্ধাঙ্গুল দিয়েও নাক পরিষ্কার করা যায়। তিনবার নাকে পানি দেওয়া সুন্নাত। রোজাদার না হলে নাকের নরম স্থান পর্যন্ত পানি পৌঁছানো উত্তম। নাকে অলংকার এবং হাতে আংটি থাকলে তা নাড়া- চাড়া করে নিচে পানি পৌঁছে দেওয়া ওয়াজিব।
>> মুখমন্ডল ধোয়াঃ উভয় হাতে পানি নিয়ে সমস্ত মুখমণ্ডল ধৌত করবে। অর্থাত্ কপালের চুলের গোড়া থেকে থুতনীর নিচ এবং উভয় কানের লতি পর্যন্ত এমনভাবে পানি পৌঁছানো, যাতে উক্ত অঙ্গ থেকে পানি ফোঁটা ফোঁটা নিচে গড়িয়ে পড়ে।একবার ধোয়া ফরজ, তিনবার ধোয়া সুন্নাত।
>> দাড়ি ও গোঁফ খুব ঘন হলে শুধু ধোয়া ফরজ। চামড়ায় পানি পৌঁছানো ফরজ নয়।দাড়ির ভেতরে আঙ্গুল চালিয়ে খিলাল করে নিবে ।
>> উভয় হাত কনুইসহ ধৌত করবে। একবার ধোয়া ফরজ, তিনবার ধোয়া সুন্নাত। হাতধোয়ার সময় আঙ্গুল খিলাল করবে, যাতে আঙ্গুলের গোড়ায় পানি পৌঁছে যায়।অর্থাৎ এক হাতের আঙ্গুল অপর হাতের আঙ্গুল সমূহের মধ্যে প্রবেশ করাবে।
কারো আঙ্গুলের মধ্যে যদি ফাঁক না থাকে এবং আঙ্গুলের সাথে অপর আঙ্গুলএমনভাবে লেগে থাকে যার কারণে আঙ্গুলের সাথে পানি না পৌঁছার আশঙ্কা থেকে যায়, এঅবস্থায় খিলাল করা ওয়াজিব।
>>মাথা মাসেহ করাঃ মাথার চারভাগের একভাগ মাসেহ করা ফরজ, সমস্ত মাথা মাসেহ করা সুন্নাত।
>> মাথা মাছেহের নিয়মঃ বৃদ্ধ ও তর্জনী আঙ্গুলদ্বয় ব্যতীত অবশিষ্ট উভয় হাতের আঙ্গুলের পেট মাথার মধ্যভাগে সামনে হতে পিছন দিকে টেনে নিয়ে যাবে। অতঃপর দুই হাতের তালু মাথার দুই পাশে রেখে পেছন দিক থেকে সামনে টেনে নিয়ে আসবে।
>> কান মাসেহ করাঃ উভয় হাতের বৃদ্ধ আঙ্গুলের পেট দ্বারা দুই কানের পেছনের অংশ মাসেহ করা। এরপর কনিষ্ঠ আঙ্গুলের অগ্রভাগ দ্বারা কানের ছিদ্র এবং তর্জনী আঙ্গুলের সাহায্যে কানের পাতার ভেতরে অংশ মাসেহ করা সুন্নাত।
>> গর্দান মাসেহ করাঃ উভয় হাতের তিন আঙ্গুলের পিঠ দ্বারা গর্দান মাসেহ করবে। গলা মাসেহ করবে না।
>> গোড়ালী ও টাখনুসহ পা ধোয়াঃ ডান হাত দিয়ে পায়ের অগ্রভাগে পানি ঢালা সুন্নাত। বাম হাত দিয়ে পায়ের সামনে পেছনে এবং তলদেশ মর্দন করবে। পা দিয়ে পা ঘষে এবং বাম হাতের কনিষ্ঠ আঙ্গুল দিয়ে পায়ের আঙ্গুলসমূহ খিলাল করে নিবে।
>> অজুর শেষে কালিমায়ে শাহাদাত্‍ পড়া মুস্তাহাব।

একজন পার্লামেন্ট মেম্বার (এমপির) যত সুযোগ সুবিধা জেনে নিন।


তাঁর হাতে থাকে নানা ধরণের ক্ষমতা। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী একজন সংসদ সদস্য যেসব সুযোগ-সুবিধা পান সেগুলো হচ্ছে,
১. সংসদ সদস্যদের মাসিক বেতন ৫৫,০০০ টাকা
২. নির্বাচনী এলাকার ভাতা প্রতিমাসে ১২,৫০০ টাকা
৩. সম্মানী ভাতা প্রতিমাসে ৫,০০০ টাকা
৪. শুল্কমুক্তভাবে গাড়ি আমদানির সুবিধা
৫. মাসিক পরিবহন ভাতা ৭০,০০০ টাকা
৬. নির্বাচনী এলাকায় অফিস খরচের জন্য প্রতিমাসে ১৫,০০০ টাকা
৭. প্রতিমাসে লন্ড্রি ভাতা ১,৫০০ টাকা
৮. মাসিক ক্রোকারিজ, টয়লেট্রিজ কেনার জন্য ভাতা ৬,০০০ টাকা
৯. দেশের অভ্যন্তরে বার্ষিক ভ্রমণ খরচ ১২০,০০০ টাকা
১০. স্বেচ্ছাধীন তহবিল বার্ষিক পাঁচ লাখ টাকা
১১. বাসায় টেলিফোন ভাতা বাবদ প্রতিমাসে ৭,৮০০ টাকা
১২. সংসদ সদস্যদের জন্য সংসদ ভবন এলাকায় এমপি হোস্টেল আছে।
এছাড়া ২০১৫ -২০১৯ সাল পর্যন্ত একজন সংসদ সদস্য প্রতিবছর চার কোটি টাকা করে থোক বরাদ্দ পাবেন। এই থোক বরাদ্দের পরিমাণ আগে ছিল দুই কোটি টাকা।
সূত্র: বিবিসি

শিবগঞ্জে মান্না - জিন্নাহ সহ ৭জন প্রার্থীর মনোনয়ন ফরম জমা


রি‌পোর্টঃ সাংবা‌দিক খলিলুর রহমান আকন্দ
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বগুড়া-২ শিবগঞ্জে মনোনয়ন প্রত্যাশী ১১ জনের মধ্যে
 উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে আজ বুধবার শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকা‌রি রিটার্নিং অফিসার আলমগীর কবীর এর নিকট ৫ জন ও বগুড়া জেলা প্রশাসক ও রিটা‌রিং এর কার্যালয়ে ২জন সহ মোট ৭ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন বলে নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে। মনোনয়ন ফরম জমাকারীদের মধ্যে হেবি ওয়েট প্রার্থী নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না দুপু‌রে মহাস্থান হযরত শাহ সুলতান মাহীসওয়ার এর মাযার জিয়ারত শেষে বিকাল ৪টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকা‌রি রিটার্নিং অফিসারের নিকট মনোনয়ন ফরম জমা দেন। এর আগে মহাজোট প্রার্থী জাতীয় পার্টি থেকে বীরমুক্তিযোদ্ধা শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ, স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (চরমোনাই পীর) প্রার্থী মুফতি জামাল উদ্দিন জুয়েল, স্বতন্ত্র প্রার্থী জামায়াত মনোনীত সা‌বেক সংসদ সদস্য আবুল আজাদ মোহাম্মদ শাহাদাতুজ্জামান  মনোনয়ন ফরম জমা দেন। এছাড়া বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আওয়ামীলীগ প্রার্থী বগুড়া জেলা আওয়ামীলীগ নেতা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কাশেম ফকির, বাংলাদেশ মুসলিমলীগ প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মনোনয়ন ফরম জমা দেন। উপজেলা নির্বাচন অফিসার আনিছুর রহমান জানান, বিকাল ৫টা পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম জমা নেওয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সহকা‌রি রিটার্নিং অফিসার আলমগীর কবীর এর কার্যালয় খোলা ছিল।

জেনে নিন পবিত্র কোরআনের সকল সূরার নামের বাংলা অর্থ!




সালাম ও শুভেচ্ছা নিবেন। আশাকরি সকলে ভালো আছেন। আমরা যারা মুসলমান তারা অবশ্যই জানি যে পবিত্র কোরআন শরীফে 114 টি সূরা আছে। আর এই সকল সুরার আরবী নাম আমারা কম বেশী জানি।

কিন্তু এই আরবী নামের বাংলা অর্থ আমরা
সবাই কি জানি? হয়ত কেউ জানি আবার কেউ জানি না, তাই যারা জানেন না তারা এখান জেনে নিন। আমি আজ 114 টি সূরার বাংলা নাম শেয়ার করলাম।
১। আল- ফাতিহা (সূচনা)
২। আল-বাকারা (বকনা-বাছুর)
৩। আল-ইমরান (ইমরানের পরিবার)
৪। নিসা (নারী)
৫। আল-মায়িদাহ (খাদ্য পরিবেশিত টেবিল)
৬। আল-আনাম (গৃহপালিত পশু)
৭। আল-আরাফ (উচু স্থানসমূহ)
৮। আল-আনফাল (যুদ্ধে-লব্ধ ধনসম্পদ)
৯। আত-তাওবাহ (অনুশোচনা)
১০। ইউনুস (একজন নবী)
১১। হুদ (একজন নবী)
১২। ইউসুফ (একজন নবী)
১৩। আর-রাদ (বজ্রনাদ)
১৪। ইবরাহীম (একজন নবী)
১৫। আল-হিজর (পাথুরে পাহাড়)
১৬। আন-নাহল (মৌমাছি)
১৭। বনি ইসরাইল (ইহুদী জাতি)
১৮। আল-কাহফ (গুহা)
১৯। মারিয়াম (নবী ঈসা(আঃ) এর মা)
২০। ত্বা হা (ত্বা হা)
২১। আল-আম্বিয়া (নবীগণ)
২২। আল-হাজ্ব (হজ্ব)
২৩। আল-মুমিনুন (মুমিনগণ)
২৪। আন-নূর (আলো)
২৫। আল-ফুরকান (সত্য মিথ্যার পার্থক্য নির্ধারণকারী গ্রম্থ)
২৬। আশ-শুআরা (কবিগণ)
২৭। আন-নমল (পিপীলিকা)
২৮। আল-কাসাস (কাহিনী)
২৯। আল-আনকাবুত (মাকড়সা)
৩০। আল-রুম (রোমান জাতি)
৩১। লুকমান (একজন জ্ঞানী ব্যাক্তি)
৩২। আস-সাজদাহ (সিজদা)
৩৩। আল-আহযাব (জোট)
৩৪। আস-সাবা (রানী সাবা/শেবা)
৩৫। আল-ফাতির (আদি স্রষ্টা)
৩৬। ইয়া সিন (ইয়া সিন)
৩৭। আস-সাফফাত (সারিবদ্ধভাবে দাড়ানো)
৩৮। সোয়াদ (আরবি বর্ণ)
৩৯। আয-যুমার (দল-বদ্ধ জনতা)
৪০। আল-মুমিন (বিশ্বাসী)
৪১। হামিম সাজদাহ (সুস্পষ্ট বিবরণ)
৪২। আশ-শূরা (পরামর্শ)
৪৩। আয-যুখরুফ (সোনাদানা)
৪৪। আদ-দুখান (ধোয়া, smoke)
৪৫। আল-জাসিয়াহ (নতজানু)
৪৬। আল-আহকাফ (বালুর পাহাড়)
৪৭। মুহাম্মদ [নবী মুহাম্মদ স:]
৪৮। আল-ফাতহ (বিজয়)
৪৯। আল-হুজুরাত (বাসগৃহসমুহ)
৫০। ক্বাফ (আরবি বর্ণ)
৫১। আয-যারিয়াত (বিক্ষেপকারী বাতাস)
৫২। আত-তুর (একটি পাহাড়ের নাম)
৫৩। আন-নাজম (তারা)
৫৪। আল-ক্বমর (চন্দ্র)
৫৫। আর-রাহমান (পরম করুণাময়)
৫৬। আল-ওয়াকিয়াহ (নিশ্চিত ঘটনা)
৫৭। আল-হাদিদ (লোহা)
৫৮। আল-মুজাদিলাহ (অনুযোগকারিণী)
৫৯। আল-হাশর (সমাবেশ)
৬০। আল-মুমতাহানা (নারী যাকে পরিক্ষা করা হবে)
৬১। আস-সাফ (সারবন্দী সৈন্যদল)
৬২। আল-জুমুআহ (সম্মেলন/শুক্রবার)
৬৩। আল-মুনাফিকুন (কপট বিশ্বাসীগণ)
৬৪। আত-তাগাবুন (মোহ অপসারণ)
৬৫। আত-ত্বালাক (তালাক)
৬৬। আত-তাহরীম (নিষিদ্ধকরণ)
৬৭। আল-মুলক (সার্বভৌম কতৃত্ব)
৬৮। আল-ক্বলম (কলম)
৬৯। আল-হাক্ক্বাহ (নিশ্চিত সত্য)
৭০। আল-মাআরিজ (উন্নয়নের সোপান)
৭১। নূহ (একজন নবী)
৭২। আল-জ্বিন (জ্বিন সম্প্রদায়)
৭৩। মুযাম্মিল (বস্ত্রাচ্ছাদনকারী)
৭৪। মুদাসসির (পোশাক পরিহিত)
৭৫। আল-কিয়ামাহ (পুনরু্ত্তান)
৭৬। আল-ইনসান (মানুষ)
৭৭। আল-মুরসালাত (প্রেরিত পুরুষগণ)
৭৮। আন-নাবা (মহাসংবাদ)
৭৯। আন-নাযিয়াত (প্রচেষ্টাকারী)
৮০। আবাসা (তিনি ভ্রুকুটি করলেন)
৮১। আত-তাকবির (অন্ধকারাচ্ছন্ন)
৮২। আল-ইনফিতার (বিদীর্ণ করা)
৮৩। আত-তাতফিক (প্রতারণা করা)
৮৪। আল-ইনশিকাক (খন্ড-বিখন্ড করণ)
৮৫। আল-বুরুজ (নক্ষত্রপুন্জ)
৮৬।আত-তারিক (রাতের আগন্তুক)
৮৭। আল-আলা (সর্বোন্নত)
৮৮। আল-গাশিয়াহ (বিহ্বলকর ঘটনা)
৮৯। আল-ফজর (ভোরবেলা)
৯০। আল-বালাদ (নগর)
৯১। আশ-শামস (সূর্য)
৯২। আল-লাইল (রাত্রি)
৯৩। আদ-দুহা (পূর্বান্হের সুর্যকিরণ)
৯৪। আল-ইনশিরাহ (প্রশস্তকরণ)
৯৫। আত-তীন (ডুমুর)
৯৬। আল-আলাক (রক্তপিন্ড)
৯৭। আল-ক্বাদর (মহিমান্বিত)
৯৮। আল-বাইয়িনাহ (সুস্পষ্ট প্রমাণ)
৯৯। আল-যিলযাল (ভূমিকম্প)
১০০। আল-আদিয়াত (অভিযানকারী)
১০১। আল-কারিয়াহ (মহাসংকট)
১০২। আত-তাকাছুর (প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা)
১০৩। আল-আসর (সময়)
১০৪। আল-হুমাযাহ (পরনিন্দাকারী)
১০৫। ফীল (হাতি)
১০৬। আল-কুরাইশ (কুরাইশ গোত্র)
১০৭। আল-মাউন (সাহায্য-সহায়তা)
১০৮। আল-কাওসার (প্রাচুর্য)
১০৯। আল-কাফিরুন (অবিশ্বাসী গোষ্ঠী)
১১০। আন-নাসর (স্বর্গীয় সাহায্য)
১১১। লাহাব (জ্বলন্ত অংগার)
১১২। আল-ইখলাস (একত্ব)
১১৩। আল-ফালাক (নিশিভোর)
১১৪। আন-নাস (মানবজাতি)
ধন্যবাদ সবাইকে, ভালো থাকবেন।

জান্নাত কি দিয়ে তৈরি?

 দুনিয়া মানুষের আসল ঠিকানা নয়। মানুষের আসল ও শেষ ঠিকানা পরকাল। পরকালে মানুষের বসবাসের জন্য থাকবে দু’টি ব্যবস্থা। তার একটি হলো জান্নাত আর অন্যটি জাহান্নাম।

জান্নাত হলো পরিশ্রমের ফল তাইতো জান্নাতকে পরিপূর্ণ করা হয়েছে পরিশ্রম দ্বারা। আর জাহান্নাম হলো কুপ্রবৃত্তির উপহার। তাইতো জাহান্নামে পরিপূর্ণ করা হয়েছে প্রবৃত্তি দ্বারা।

যারা কুপ্রবৃত্তি থেকে নিজেকে মুক্ত করে ভালো কাজে নিজেকে যোগ্য করে গড়বে তাদের চিরস্থায়ী আবাস হবে জান্নাত। কিন্তু এ জান্নাতের ঘরসমূহ কিসের তৈরি? কী কী উপাদান দিয়ে আল্লাহ তাআলা জান্নাতের ঘরসমূহ তৈরি করেছেন। প্রিয়নবি হাদিসে পাকে সে বর্ণনা প্রকাশ করেছেন-

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন তারা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জান্নাতের ঘরসমূহ (সৃষ্টি) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে উত্তরে তিনি বলেন-

> জান্নাতের একটি ইট রূপার;
> অপরটি (একটি ইট) সোনার; আর
> তার আস্তর হলো মিস্ক;
> তার সুরকি হলো মণি-মুক্তার পাথর। আর
> জান্নাতের মাটি হলো জাফরান।

যে ব্যক্তি একবার জান্নাতে প্রবেশ করবে, সে জান্নাতের নেয়ামত ভোগ করতে থাকবে। কখনও সে হতাশ হবে না। জান্নাতে চিরকাল থাকবে। সেখানে সে কখনও মরবে না। তাদের পরিধেয় কাপড় কখনও পুরাতন হবে না এবং তাদের যৌবন কখনও শেষ হবে না।' (তিরমিজি, মুসনাদে আহমদ)

সুতরাং জান্নাত লাভে মুমিন মুসলমানের উচিত, অন্যায় ও কুপ্রবৃত্তি থেকে নিজেদের হেফাজত করার পাশাপাশি ন্যয় ও সত্যের পথে কঠোর পরিশ্রমে নিজেদের নিয়োজিত করা জরুরি।

জান্নাত লাভে এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেতে সব সময় আল্লাহর কাছে প্রিয়নবির শেখানো এ দোয়া পড়া-

اَللهُمَّ اِنَّا نَسْألُكَ الْجَنَّةَ وَ نَعُوْذُبِكَ مِنَ النَّار

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া নাউজুবিকা মিনান নার।'

অর্থ : হে আল্লাহ! আমরা তোমার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নামের আগুন থেকে আশ্রয় চাই।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সোনা, রূপা, মিসক, মনি-মুক্তার পাথর এবং জাফরান দ্বারা নির্মিত জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম লাভ করার তাওফিক দান করুন। জান্নাতুল ফেরদাউস লাভ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

পবিত্র কোরআনের তথ্য

অন্যান্য তথ্য
‘আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করে দিলাম,তোমাদের উপর আমার নেয়ামত পরিপূর্ণ করে দিলাম, তোমাদের জন্যে জীবন বিধান হিসেবে আমি ইসলামের উপর সন্তুষ্ট হলাম ।’(সূরা আল মায়েদাহ ৩)।

কোরআন নাযিলের শুরু
কোরআন নাযিলের ছয় মাস আগে থেকেই আল্লাহ তায়ালা মোহাম্মদ (সঃ) কে স্বপ্নের মাধ্যমে এ মহান কাজের জন্য প্রস্তুত করে নিচ্ছিলেন। ইতিহাসের প্রমাণ অনুযায়ী প্রথম ওহী এসেছিল রমযান মাসের ২১ তারিখ সোমবার রাত্রে। মোহাম্মদ (সঃ) এর বয়স ছিল তখন ৪০ বছর ৬ মাস ১২ দিন।

হযরত আয়েশা (রঃ) হতে বর্ণিত আছে, প্রিয় নবী (সঃ)এর উপর ওহী নাযিলের সূচনা হয়েছিল স্বপ্নের মাধ্যমে । তিনি স্বপ্নে দেখতেন তা দিনের আলোর মতো তাঁর জীবণে প্রতিভাত হতো ।হযরত জীবরাঈল (আঃ) এর মাধ্যমে ওহী প্রাপ্তির আগে আস্তে আস্তে তিনি নির্জনতাপ্রিয় হয়ে ওঠেন, হেরা গুহায় নিভৃতে আল্লাহ তায়ালার ধ্যানে তিনি মশগুল হয়ে পড়েন এবং বিশাল সৃষ্টি ও তার উদ্দেশ্য সম্পর্কে গভীর চিন্তা ভাবনা করতে থাকেন।এভাবেই হেরা গুহার তাঁর দিন ও রাত কাটে ।খাবার পানি শেষ হয়ে গেলে সেসব নেয়ার জন্যেই তিনি শুধু বাড়ি যেতেন। মাঝে মাঝে তাঁর প্রিয় স্ত্রী হযরত বিবি খাদিজা (রঃ) তাঁকে হেরা গুহায় খাবার দিয়ে আসতেন।এমনি করে একদিন জীবাঈল (আঃ)মহানবীর কাছে এসে গভীর কণ্ঠে তাঁকে বলেন ‘ইকরা ‘ পড়ুন। মোহাম্মদ বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেলেন। উদ্বেলিত কণ্ঠে তাঁকে বলেন ‘আমি তো পড়তে জানি না’। ফেরেশতা মহানবী (সঃ) কে বুক চেপে ধরে আবার বলেন, পড়ুন ।তৃতীয় বার যখন ফেরেশতা তাঁকে বুকে আলিংগন করে ছেড়ে দিয়ে বলেন,পড়ুন তখন এবার মোহাম্মদ (সঃ) ওহীর প্রথম পাঁচটি আয়াত পড়লেন।তারপর সাথ সাথে হযরত জীবরাঈল (আঃ) সেখান থেকে চলে গেলেন । অতপর: ফেরেশতা চলে যাবার পর মহানবী (সঃ) ঘরে ফিরলেন তারপর তাঁর প্রিয়তমা স্ত্রীকে বললেন আমাকে চাদর দিয়ে শক্ত করে ঢেকে দাও । আমাকে চাদর দিয়ে ঢেকে দাও । হযরত খাদীজা (রঃ) প্রিয় নবীকে চাদর দিয়ে জড়িয়ে ধরলেন।এরপর তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, কি হয়েছে আপনার?আপনি এত কাঁপছেন কেন?রাসূল (সঃ) বললেন,একজন অভিনব ব্যক্তি আমার কাছে এসে আমাতক বললেন,পড়ুন। আমি বললাম আমি তো পড়তে জানি না। তারপর তিনি আমাকে তিন তিনবার আমাকে বুকের সাথে জড়িয়ে ধরে চাপ দিলেন তারপর তাঁর সাথে আমি পড়তে শুরু করলাম। তাঁর কথা শুনে খাদিজা (রঃ) বললেন,আপনার ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেই কেননা আপনি মানুষের উপকার করেন,মানবতার সেবা করেন,এতীমদের আশ্রয় দেন ।

খাদিজা (রঃ) প্রিয় নবীকে তাঁর চাচাত ভাই ওরাকা ইবনে নফলের কাছে নিয়ে গেলেন। ওরাকা ইবনে নওফেল ছিলেন ঈসায়ী ধর্মের আলেম এবং হিব্র“ ভাষার পন্ডিত ব্যক্তি।সে সময় তিনি বয়সের বারে ক্লান্ত এবং দৃষ্টিহীন হয়ে পড়েছিলেন। হযরত খাদীজা (রঃ) বললেন ভাইজান,আপনার ভাতিজার কথা শুনুন।রাসূল (সঃ) তাকে হেরা গুহার সব ঘটনার কথা বর্ণনা করলেন। শুনে ওরাকা বললেন, তিনি সেই দৃত জীবরাঈল (আঃ),যিনি হযরত মুসা (আঃ) এর কাছে ওহী নিয়ে আসতেন । হায় আমি যদি সেই সময় পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারতাম যখন তোমার কওমের লোকেরা তোমাকে জন্মভূমি তেকে বের করে দিবে। রাসূল (সঃ) অভাগ হয়ে বললেন,কেন আমাকে তারা মাতৃভূমি থেকে বের করে দিবে?ওরাকা বললেন,তুমি যে ওহী লাভ করেছ,এ ধরণের ওহী যখনই কোন নবী পেয়েছেন তাঁর সাথে এভাবেই স্বজাতির পক্ষ থেকে শত্রুতা করা হয়েছে।যদি আমি সেদিন পর্যন্ত বেঁচে থাকি তাহলে অবশ্যই আমি তোমার সাহায্যে এগিয়ে আসব।

কোরআন লিপিবদ্ধকরণ
যখন থেকে কুরআন নাযিল শুরু হয়,সেদিন থেকেই আল্লাহ রাসূল তা লিপিবদ্ধ করে রাখার জন্য পারদর্শী সাহাবীদের নিযুক্ত করেন।হযরত যায়দ বিন সাবেত (রঃ) ছাড়া আরো ৪২ জন সাহাবী এ কাজে নিযুক্ত ছিলেন । এ সম্পর্কে রাসূল (সঃ) বলেন, তোমরা আমার কাছে কোরআন ছাড়া অন্য কিছু লেখো না।

কোরআনে বিভিন্ন পরিসংখ্যান
পবিত্র কোরআনে মোট ১১৪ টি সূরা রয়েছে,প্রথম খলীফা হযরত আবু বকর (রঃ) এর যুগে হযরত যায়দ ইবনে সাবেত (রঃ) এ সংখ্যা নির্ণয় করেন। কোন কোন সূরার আয়াত সম্বলিত তথ্য রাসূল (সঃ) এর যুগেই পাওয়া যায়।যেমন সূরা ফাতেহার ৭ এর আয়াত-এর যে কথা বলা হয়েছে তা রাসূল (সঃ) নিজেই বলেছেন । সূরা মূলক এত্রিশ আয়াতের কথাও হাদীসে বর্ণিত হয়েছে।কোরআনে ‘বিছমিল্লাহ’ নেই এমন সূরা হচ্ছে ‘সূরা আত তাওবা ‘ দুইবার ‘বিছমিল্লাহ’ আছে এমন সূরা হচ্ছে সূরা আল নামল’ ।নয়টি মীম অক্ষর সম্বলিত সূরা হচ্ছে সূরা কাফেরূন,কোন মীম নেই যে সূরায় ‘সূরা আল কাওসার’ ।কোরআনে উল্লেখিত কোআনের নাম ৫৫ টি। কোরআনে প্রথম যাঁর মাধ্রমে এসেছে তিনি হচ্ছেন হযরত জিবরাঈল (আঃ),কোরআনে ভাব্যবান যে সাহাবীর নাম আছে তিনি হচ্ছেন হযরত যায়দ (রঃ) ।কোরআন লোয়াতের সেজদার সংখ্যা ১৪ টি সর্বসম্মত (মত পার্থক্যে ১৫)।

কোরআনের প্রথম মুফাসসের হচ্ছেন আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রঃ) । কোরআনের প্রথম সংকলন হচ্ছেন হযরত ওসমান গণী (রঃ)। কোরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদক হচ্ছেন মাওলানা আমীর উদ্দীন বসুনিয়া। নিচে কয়েকজন কয়েকজন বিশিষ্ঠ ওহী লেখকের নাম দেয়া হল।

১. হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রঃ)
২. হযরত ওমর বিন থাত্তাব (রঃ)
৩. হযরত ওসমান গণি বিন আফফান (রঃ)
৪. হযরত আলী বিন আবি তালেব (রঃ)
৫. হযরত যায়দ বিন সাবেত (রঃ)
৬. হযরত আবদুল্লাহ বিন সা’দ (রঃ)
৭. হযরত যোবায়ের বিন আওয়াম (রঃ)
৮. হযরত খালেদ বিন সা’দ (রঃ)
৯. হযরত হানযালা বিন রাবী (রঃ)
১০.হযরত খালেদ বিন ওয়ালীদ (রঃ)
১১.হযরত আবদুল্লাহ বিন রাওয়াহা (রঃ)
১২.হযরত মোহাম্মদ বিন মাসলামা (রঃ)
১৩.হযরত আবদুল্লাহ বিন সালুল (রঃ)
১৪.হযরত মুগীরা বিন শোবা (রঃ)
১৫.হযরত মোয়াবিয়া বিন আবি সুফিয়ান (রঃ)
১৬.হযরত আমর ইবনুল আস (রঃ)কোরআন মুদ্রণের ইতিহাস
১৭.হযরত জাহম ইবনুস সালত (রঃ)
১৮.হযরত শোরাহবিল বিন হাসান (রঃ)
১৯.হযরত আবদুল্লাহ বিন আরকাম আয যুহরী (রঃ)
২০.হযরত সাবেত বিন কায়স (রঃ)
২১.হযরত হোয়ায়ফা বিন আল ইয়ামান (রঃ)
২২.হযরত আমের বিন ফুহায়রা (রঃ)
২৩.হযরত আবদুল্লাহ বিন যোবয়র (রঃ)
২৪.হযরত আবান বিন সায়ীদ (রঃ)

মুদ্রণ যন্ত্র আবিষ্কারের আগ পর্যন্ত কোরআন শরীফ হাতেই লেখা হতো । প্রত্যেক যুগেই এমন কিছু নিবেদিত প্রাণ কোরআনের ‘কাতেব’ মজুদ ছিলেন যাঁদের একমাত্র কাজ ছিল কোরআন শরীফ লেখা । কোরআনের প্রতিটি অক্ষরকে সুন্দরভাবে লিপিবদ্ধ করার লক্ষে এটি নিঃসন্দেহে একটি নযীরবিহীন ঘটনা । মুদ্রণযন্ত্র আবিষ্কারের পর ইউরোপের হামবুর্গ নামক স্থানে হিজরী ১১১৩ সনে সর্বপ্রথম কোরআন শরীফ মুদ্রীত হয়।মুসলমানদের মধ্যে সর্বপ্রথম মাওলানা ওসমান রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরে ১৭৮৭ খ্রিষ্টাব্দে কোরআন মুদ্রণের কাজ করেন।প্রায় একই সময় কাযান শহর থেকেও কোরআনের একটি নোসখা মুদ্রিত হয়। ১৭৮৭ খ্রিষ্টাব্দে ইরানের তেহরানে লিথো মুদ্রণ যন্ত্রে প্রথম কোরআন শরীফের একটি কপি মুদ্রিত হয়।এরপর আস্তে আস্তে দুনিয়ার অন্যান্য এলাকাতেও ব্যাপকবাবে ছাপাখানার মাধ্যমে কোরআন মুদ্রণের নেওয়াজ চালু হতে থাকে।মুদ্রণ যন্ত্রের আবিষ্কারের আগে কোরআনের আয়াতসমূহ সাধারণত পাথর,শিলা,শুকনা চামড়া,খেজুর গাছের শাখা, বাঁশের টুকরা,গাছের পাতা এবং পশুর চামড়ার উপর লেখা হতো ।

কোরআনের শব্দ সংখ্যা
সাহাবায়ে কেরামরা তাদের যুগে কোরআনের শব্দ সংখ্যাও নির্ণয় করেছেন। অবশ্য এ সম্পর্কে সরাসরি তাদের সাথে সম্পৃক্ত কোন রেওয়াত পাওয়া যায় না। যা কিছু আছে সবই পরবর্তীকালের । হুমাদা আযরাজের গণণা অনুযায়ী ৭৬৪৩০ আবদুল আযীয ইবনে আবদুল্লাহ গণণা মোতাবেক ৭০৪৩৯ মোজাহেদের গণনা মোতাবেগ ৭৬২৫০ তবে যে সংখ্যাটি সাধারণভাবে প্রসিদ্ধ লাভ করছে তা হচ্ছে ৮৬৪৩০ ।

কোরআনের আয়াত সংখ্যা
হযরত আশো (রঃ) এর মতে ৬৬৬৬ হযরত ওসমান (রঃ) এর মতে ৬২৩৬ হযরত ইবনে মাসউদ (রঃ) এর মতে ৬২১৮ মক্কার গণণা মতে ৬২১২ বসরার গণণা মতে ৬২২৬ইরাকের গণণা মতে৬২১৪।ঐতিহাসিকদের মতে হযরত আয়েশা (রঃ) এ গণণাই বেশি প্রসিদ্ধ লাভ করেছে।

বিষয়ভিত্তিক আয়াত
জান্নাতের ওয়াদা ১০০০, জাহান্নামের ভয় ১০০০, নিষেধ ১০০০, আদেশ ১০০০, উদাহারণ ১০০০, কাহিণী ১০০০, হারাম ২৫০, হালাল ২৫০, আল্লাহর পবিত্রতা ১০০, বিবিধ ৬৬ ।

মনযিল ও এর বিভক্তিকরণ
মনযিল কিভাবে এল তার আলোচনা প্রসংগে অনেকেই এই ঘটনাটি উল্লেখ করেন। আবু দাউদ,ইবনে মাজাহ ও মোসনাদে আহমদ এর বর্ণনা অনুযায়ী একদিন বণী সাফাবী গোত্রের এক প্রতিনিধি দল রাসূল (সঃ) এর খেদমতে হাযির হলে রাসূল (সঃ)এর তাদের কাছে আসতে কিছু বিলম্ব হয়। এই দেরী হয়ার কারণ উল্লেখ করে রাসূল (সঃ) বলেন,আমি কোরআন তেলোয়াতে ছিলাম, আজকের দিনে নির্ধারিত অংশ পুরো করতে একটু দেরী হয়ে গেছে। প্রথম মনযিল সূরা আল ফাতেহা থেকে সূরা আন নিসা, দ্বিতীয় মনযিল সূরা আল মায়েদাহ থেকে সূরা আত তাওবা, তৃতীয় মনযিল সূরা ইউনুস থেকে সূরা আন নাহল, চতুর্থ মনযিল সূরা বনী ইসরাঈল থেকে সূরা আল ফোরকান,পঞ্চম মনযিল সূরা আশ শোয়াবা থেকে সূরা ইয়াসীন,ষষ্ঠ মনযিল সূরা সূরা আস সাফফাত থেকে সূরা আল হুজুরাত,সপ্তম মনযিল সূরা ক্বাফ থেকে সূরা আন নাস পর্যন্ত ।

কোরআনে উল্লেখিত ধ্বংশপ্রাপ্ত জাতিসমূহ


১.আদ
২. সামুদ
৩. লুত
৪. সাবা
৫. তুব্বা
৬. নূহ
৭. বনী ইসরাঈল
৮. আসহাবে কাহাবের সাথে সংশ্লিষ্ঠ জাতি
৯. আসহাবুল সাবত
১০. আসহাবুল কারিয়াহ
১১. আসহাবুল আইকা
১২. আসহাবুল উখদুদ
১৩. আসহাবুল রাস
১৪. আসহাবুল ফিল।-সূত্র আমাদেরসময়
২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৫/এমটিনিউজ২৪/এস.এ.সুমন/একে

আল কোরআনের ১১৪টি সূরার আরবি ও বাংলা নাম


ইসলাম ডেস্ক : মহান আল্লাহপাক রাব্বুল আলামীন ফেরেশতা হযরত জীবরাঈল (আঃ) এর কর্তৃক মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর মাধ্যমে পবিত্র হেরা গুহায় কুরআন শরীফ নাযিল করেছিলেন। এখন পর্যন্ত সারা বিশ্বে সর্বাধিক পঠিত গ্রন্থের নাম আল কোরআন।

কোরআনের প্রথম ওহী
‘পড়ো তোমার প্রভুর নামে যিনি সব কিছু সৃষ্টি করেছেন।’(সূরা আলাক ১-৫)

এবং কোরআনের সর্বশেষ ওহী
‘সে দিনকে ভয় করো যেই দিন তোমাদের সবাইকে আল্লাহর কাছে ফিরিয়ে নেয়া হবে ।’(সূরা আল বাকারা ২৮১)

পবিত্র আল কোরআনে মোট ১১৪টি সূরা, যা নাজিল হয়েছিল মোট ২২ বছর ৫ মাস সময়ে। নিচে কোরআনের ১১৪টি সূরার আরবি ও বাংলা নাম দেয়া হল

১. আল ফাতিহা (সূচনা)

২. আল বাকারা (বকনা-বাছুর)

৩. আল ইমরান (ইমরানের পরিবার)

৪. আন নিসা (নারী)

৫. আল মায়িদাহ (খাদ্য পরিবেশিত টেবিল)

৬. আল আনআম (গৃহপালিত পশু)

৭. আল আরাফ (উচু স্থানসমূহ)

৮. আল আনফাল (যুদ্ধে-লব্ধ ধনসম্পদ)

৯. আত তাওবাহ্ (অনুশোচনা)

১০. ইউনুস (নবী ইউনুস)

১১. হুদ (নবী হুদ)

১২. ইউসুফ (নবী ইউসুফ)

১৩. আর রা’দ (বজ্রপাত)

১৪. ইব্রাহীম (নবী ইব্রাহিম)

১৫. আল হিজর (পাথুরে পাহাড়)

১৬. আন নাহল (মৌমাছি)

১৭. বনী-ইসরাঈল (ইহুদী জাতি)

১৮. আল কাহফ (গুহা)

১৯. মারইয়াম (মারইয়াম (ঈসা নবীর মা)

২০. ত্বোয়া-হা (ত্বোয়া-হা)

২১. আল আম্বিয়া (নবীগণ)

২২. আল হাজ্জ্ব (হজ্জ)

২৩. আল মু’মিনূন (মুমিনগণ)

২৪. আন নূর (আলো)

২৫. আল ফুরকান (সত্য মিথ্যার পার্থক্য নির্ধারণকারী গ্রন্থ)

২৬. আশ শুআরা (কবিগণ)

২৭. আন নম্ল (পিপীলিকা)
২৮. আল কাসাস (কাহিনী)

২৯. আল আনকাবূত (মাকড়শা)

৩০. আর রুম (রোমান জাতি)

৩১. লোক্মান (একজন জ্ঞানী ব্যাক্তি)

৩২. আস সেজদাহ্ (সিজদা)

৩৩. আল আহ্যাব (জোট)

৩৪. সাবা (রানী সাবা/শেবা)

৩৫. ফাতির (আদি স্রষ্টা)

৩৬. ইয়াসীন (ইয়াসীন)

৩৭. আস ছাফ্ফাত (সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানো)

৩৮. ছোয়াদ (আরবি বর্ণ)

৩৯. আয্-যুমার (দলবদ্ধ জনতা)

৪০. আল মু’মিন (বিশ্বাসী)

৪১. হা-মীম সেজদাহ্ (সুস্পষ্ট বিবরণ)

৪২. আশ্-শূরা (পরামর্শ)

৪৩. আয্-যুখরুফ (সোনাদানা)

৪৪. আদ-দোখান (ধোঁয়া)

৪৫. আল জাসিয়াহ (নতজানু)

৪৬. আল আহ্ক্বাফ (বালুর পাহাড়)

৪৭. মুহাম্মদ (নবী মুহাম্মদ)

৪৮. আল ফাৎহ (বিজয়, মক্কা বিজয়),

৪৯. আল হুজুরাত (বাসগৃহসমুহ),

৫০. ক্বাফ (ক্বাফ),

৫১. আয-যারিয়াত (বিক্ষেপকারী বাতাস),

৫২. আত্ব তূর (পাহাড়),

৫৩. আন-নাজম (তারা),

৫৪. আল ক্বামার (চন্দ্র)

৫৫. আর রাহমান (পরম করুণাময়)

৫৬. আল ওয়াক্বিয়াহ্ (নিশ্চিত ঘটনা)

৫৭. আল হাদীদ (লোহা)

৫৮. আল মুজাদালাহ্ (অনুযোগকারিণী),

৫৯. আল হাশ্র (সমাবেশ),

৬০. আল মুম্তাহিনাহ্ (নারী, যাকে পরীক্ষা করা হবে),

৬১. আস সাফ (সারবন্দী সৈন্যদল),

৬২. আল জুমুআহ (সম্মেলন/শুক্রবার),

৬৩. আল মুনাফিকূন (কপট বিশ্বাসীগণ),

৬৪. আত তাগাবুন (মোহ অপসারণ),

৬৫. আত ত্বালাক (তালাক),

৬৬. আত তাহ্রীম (নিষিদ্ধকরণ),

৬৭. আল মুল্ক (সার্বভৌম কতৃত্ব)
৬৮. আল ক্বলম (কলম),

৬৯. আল হাক্কাহ (নিশ্চিত সত্য),

৭০. আল মাআরিজ (উন্নয়নের সোপান),

৭১. নূহ (নবী নূহ)

৭২. আল জ্বিন (জ্বিন সম্প্রদায়)

৭৩. আল মুয্যাম্মিল (বস্ত্রাচ্ছাদনকারী)

৭৪. আল মুদ্দাস্সির (পোশাক পরিহিত),

৭৫. আল ক্বিয়ামাহ্ (পুনর্ত্তুান),

৭৬. আদ দাহ্র (মানুষ),

৭৭. আল মুরসালাত (প্রেরিত পুরুষগণ),

৭৮. আন্ নাবা (মহাসংবাদ),

৭৯. আন নাযিয়াত (প্রচেষ্টাকারী),

৮০. আবাসা (তিনি ভ্রুকুটি করলেন)
৮১. আত তাক্ভীর (অন্ধকারাচ্ছন্ন),

৮২. আল ইন্ফিতার (বিদীর্ণ করা),

৮৩. আত মুত্বাফ্ফিফীন (প্রতারণা করা),

৮৪. আল ইন্শিকাক (খন্ড-বিখন্ড করণ),

৮৫. আল বুরুজ (নক্ষত্রপুন্জ),

৮৬. আত তারিক্ব (রাতের আগন্তুক),

৮৭. আল আ’লা (সর্বোন্নত),

৮৮. আল গাশিয়াহ্ (বিহ্বলকর ঘটনা),

৮৯. আল ফাজ্র (ভোরবেলা),

৯০. আল বালাদ (নগর),

৯১. আশ শামস (সূর্য),

৯২. আল লাইল (রাত্রি),

৯৩. আদ দুহা (পূর্বান্হের সুর্যকিরণ)

৯৪. আল ইনশিরাহ (বক্ষ প্রশস্থকরণ),

৯৫. আত ত্বীন (ডুমুর),

৯৬. আল আলাক (রক্তপিন্ড),

৯৭. আল ক্বাদর (মহিমান্বিত),

৯৮. আল বাইয়্যিনাহ (সুস্পষ্ট প্রমাণ)

৯৯. আল যিল্যাল (ভূমিকম্প),

১০০. আল আদিয়াত (অভিযানকারী)

১০১. আল ক্বারিয়াহ (মহাসংকট)

১০২. আত তাকাসুর (প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা)

১০৩. আল আছর (সময়),

১০৪. আল হুমাযাহ (পরনিন্দাকারী),

১০৫. আল ফীল (হাতি),

১০৬. কুরাইশ (কুরাইশ গোত্র),

১০৭. আল মাউন (সাহায্য-সহায়তা),

১০৮. আল কাওসার (প্রাচুর্য),

১০৯. আল কাফিরুন (অবিশ্বাসী গোষ্ঠী),

১১০. আন নাসর (স্বর্গীয় সাহায্য),

১১১. আল লাহাব (জ্বলন্ত অংগার),

১১২. আল ইখলাস (একত্ব)

১১৩. আল ফালাক (নিশিভোর)

১১৪. আন নাস (মানবজাতি)

পবিত্র কুরআনের ১১৪ টি সূরার নাম অর্থসহ:


১. আল ফাতিহা (সূচনা)
২. আল বাকারা (বকনা-বাছুর)
৩. আল ইমরান (ইমরানের পরিবার)
৪. আন নিসা (নারী)
৫. আল মায়িদাহ (খাদ্য পরিবেশিত টেবিল)
৬. আল আনআম (গৃহপালিত পশু)
৭. আল আরাফ (উচু স্থানসমূহ),
৮. আল আনফাল (যুদ্ধে-লব্ধ ধনসম্পদ),
৯. আত তাওবাহ্ (অনুশোচনা),
১০. ইউনুস (নবী ইউনুস),
১১. হুদ (নবী হুদ),
১২. ইউসুফ (নবী ইউসুফ),
১৩. আর রা'দ (বজ্রপাত),
১৪. ইব্রাহীম (নবী ইব্রাহিম),
১৫. আল হিজর (পাথুরে পাহাড়),
১৬. আন নাহল (মৌমাছি),
১৭. বনী-ইসরাঈল (ইহুদী জাতি),
১৮. আল কাহফ (গুহা),
১৯. মারইয়াম (মারইয়াম (ঈসা নবীর মা))
২০. ত্বোয়া-হা (ত্বোয়া-হা),
২১. আল আম্বিয়া (নবীগণ),
২২. আল হাজ্জ্ব (হজ্জ),
২৩. আল মু'মিনূন (মুমিনগণ),
২৪. আন নূর (আলো),
২৫. আল ফুরকান (সত্য মিথ্যার পার্থক্য নির্ধারণকারী গ্রম্থ),
২৬. আশ শুআরা (কবিগণ),
২৭. আন নম্ল (পিপীলিকা),
২৮. আল কাসাস (কাহিনী),
২৯. আল আনকাবূত (মাকড়শা),
৩০. আর রুম (রোমান জাতি),
৩১. লোক্মান (একজন জ্ঞানী ব্যাক্তি),
৩২. আস সেজদাহ্ (সিজদা),
৩৩. আল আহ্যাব (জোট),
৩৪. সাবা (রানী সাবা/শেবা),
৩৫. ফাতির (আদি স্রষ্টা),
৩৬. ইয়াসীন (ইয়াসীন),
৩৭. আস ছাফ্ফাত (সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানো),
৩৮. ছোয়াদ (আরবি বর্ণ),
৩৯. আয্-যুমার (দলবদ্ধ জনতা),
৪০. আল মু'মিন (বিশ্বাসী)
৪১. হা-মীম সেজদাহ্ (সুস্পষ্ট বিবরণ),
৪২. আশ্-শূরা (পরামর্শ),
৪৩. আয্-যুখরুফ (সোনাদানা),
৪৪. আদ-দোখান (ধোঁয়া),
৪৫. আল জাসিয়াহ (নতজানু),
৪৬. আল আহ্ক্বাফ (বালুর পাহাড়),
৪৭. মুহাম্মদ (নবী মুহাম্মদ),
৪৮. আল ফাত্হ (বিজয়, মক্কা বিজয়),
৪৯. আল হুজুরাত (বাসগৃহসমুহ),
৫০. ক্বাফ (ক্বাফ),
৫১. আয-যারিয়াত (বিক্ষেপকারী বাতাস),
৫২. আত্ব তূর (পাহাড়),
৫৩. আন-নাজম (তারা),
৫৪. আল ক্বামার (চন্দ্র)
৫৫. আর রাহমান (পরম করুণাময়)
৫৬. আল ওয়াক্বিয়াহ্ (নিশ্চিত ঘটনা)
৫৭. আল হাদীদ (লোহা)
৫৮. আল মুজাদালাহ্ (অনুযোগকারিণী),
৫৯. আল হাশ্র (সমাবেশ),
৬০. আল মুম্তাহিনাহ্ (নারী,
যাকে পরীক্ষা করা হবে),
৬১. আস সাফ (সারবন্দী সৈন্যদল),
৬২. আল জুমুআহ (সম্মেলন/শুক্রবার),
৬৩. আল মুনাফিকূন (কপট বিশ্বাসীগণ),
৬৪. আত তাগাবুন (মোহ অপসারণ),
৬৫. আত ত্বালাক (তালাক),
৬৬. আত তাহ্রীম (নিষিদ্ধকরণ),
৬৭. আল মুল্ক (সার্বভৌম কতৃত্ব),
৬৮. আল ক্বলম (কলম),
৬৯. আল হাক্কাহ (নিশ্চিত সত্য),
৭০. আল মাআরিজ (উন্নয়নের সোপান),
৭১. নূহ (নবী নূহ)
৭২. আল জ্বিন (জ্বিন সম্প্রদায়)
৭৩. আল মুয্যাম্মিল (বস্ত্রাচ্ছাদনকারী)
৭৪. আল মুদ্দাস্সির (পোশাক পরিহিত),
৭৫. আল ক্বিয়ামাহ্ (পুনরু্ত্তান),
৭৬. আদ দাহ্র (মানুষ),
৭৭. আল মুরসালাত (প্রেরিত পুরুষগণ),
৭৮. আন্ নাবা (মহাসংবাদ),
৭৯. আন নাযিয়াত (প্রচেষ্টাকারী),
৮০. আবাসা (তিনি ভ্রুকুটি করলেন),
৮১. আত তাক্ভীর (অন্ধকারাচ্ছন্ন),
৮২. আল ইন্ফিতার (বিদীর্ণ করা),
৮৩. আত মুত্বাফ্ফিফীন (প্রতারণা করা),
৮৪. আল ইন্শিকাক (খন্ড-বিখন্ড করণ),
৮৫. আল বুরুজ (নক্ষত্রপুন্জ),
৮৬. আত তারিক্ব (রাতের আগন্তুক),
৮৭. আল আ'লা (সর্বোন্নত),
৮৮. আল গাশিয়াহ্ (বিহ্বলকর ঘটনা),
৮৯. আল ফাজ্র (ভোরবেলা),
৯০. আল বালাদ (নগর),
৯১. আশ শামস (সূর্য),
৯২. আল লাইল (রাত্রি),
৯৩. আদ দুহা (পূর্বান্হের সুর্যকিরণ),
৯৪. আল ইনশিরাহ (বক্ষ প্রশস্তকরণ),
৯৫. আত ত্বীন (ডুমুর),
৯৬. আল আলাক (রক্তপিন্ড),
৯৭. আল ক্বাদর (মহিমান্বিত),
৯৮. আল বাইয়্যিনাহ (সুস্পষ্ট প্রমাণ),
৯৯. আল যিল্যাল (ভূমিকম্প),
১০০. আল আদিয়াত (অভিযানকারী),
১০১. আল ক্বারিয়াহ (মহাসংকট),
১০২. আত তাকাসুর (প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা),
১০৩. আল আছর (সময়),
১০৪. আল হুমাযাহ (পরনিন্দাকারী),
১০৫. আল ফীল (হাতি),
১০৬. কুরাইশ (কুরাইশ গোত্র),
১০৭. আল মাউন (সাহায্য- সহায়তা),
১০৮. আল কাওসার (প্রাচুর্য),
১০৯. আল কাফিরুন (অবিশ্বাসী গোষ্ঠী),
১১০. আন নাসর (স্বর্গীয় সাহায্য),
১১১. আল লাহাব (জ্বলন্ত অংগার),
১১২. আল ইখলাস (একত্ব)
১১৩. আল ফালাক (নিশিভোর)
১১৪. আল-নাস (মানবজাতি)।

ইসমাইল হোসেন