- ইহরাম ছাড়া মিকাত অতিক্রম করা।
- ময়লা হওয়া সত্ত্বেও ভুল ধারণাবশত ইহরামের কাপড় পরিবর্তন না করা।
- নিয়ত না করে শুধু ইহরামের কাপড় পড়াতেই ইহরাম হয়ে যাওয়া মনে করা।
- ইহরামের পোশাকসহ ইহরাম অবস্থায়, তওয়াফ সাঈকালীন এবং আরাফা মুযদালিফা বা মিনায় ওকুফ চলা অবস্থায় ছবি তোলা।
- হজ্জের ইহরাম বাঁধার জন্য অনেক অসুবিধা সত্ত্বেও কাবাতে বা হারামে যাওয়া জরুরী মনে করা।
- পুরুষেরা ইহরাম অবস্থায় আন্ডার গার্মেন্টস ব্যবহার করা।
- ইহরাম অবস্থায় সুগন্ধিযুক্ত সাবান, টিস্যু, ওয়েট টিস্যু (বিমানে) দাঁতের মাজন বা তৈল ব্যবহার করা।
- ইহরাম অবস্থায় গোসল করা ঠিক নয় মনে করে গোসল না করা।
- তওয়াফ শুরুর অনেক আগে থেকে ইজতিবা করা এবং তওয়াফ শেষ হওয়ার পরেও ইজতিবা অব্যাহত রাখা।
- তওয়াফের সময় উচ্চ স্বরে নিয়ত বলা।
- ভিড় সত্ত্বেও হাজরে আসওয়াদ চুমু খাওয়া বা স্পর্শ করা জরুরী মনে করা।
- রুকনে ইয়ামিনিতে চুমু খাওয়া বা ইশারা করা।
- তওয়াফ সাঈতে দল ধরে উচ্চ স্বরে দু‘আ করা।
- কাবার দেওয়ালে বরকতের আশায় কাপড় ঘষা।
- তওয়াফের দু’রাকাত নামায দীর্ঘ করা।
- তওয়াফে বিদা করার পর দীর্ঘ সময় মক্কায় অবস্থান করা।
- সাঈর সময়ে সাফা মারওয়ার চূড়ায় উঠার চেষ্টা করা।
- মাথা মু-ানোর আগে ইহরাম খোলা।
- মদিনায় রসূল স. এর রওজার কাছে দাঁড়িয়ে দু‘আ করা।
- বরকতের উদ্দেশ্যে রওজাতে চুমু খাওয়া বা কাপড় ঘষা।
- মসজিদে নববিতে জোরে কথা বলা, চিৎকার করা।
- দাড়ি কাটা।
- মিনা আরাফা এবং মুযদালিফার নির্ধারিত সীমানায় অবস্থান না করা।
- তাঁবুসহ অন্যান্য অবস্থানে নিজের জন্য অযথা বেশি জায়গা দখলে রাখা।
- মাগরিবের পূর্বেই আরাফা ত্যাগ করা।
- আরাফা মুযদালিফায় নামাযের ব্যাপারে মতানৈক্য করা।
- আরাফার মাঠে জাবালে রহমতের দিকে মুখ করে দু‘আ করা।
- আরাফার দিনকে অন্য সাধারণ দিনের মত মনে করা।
- মুযদালিফায় মাগরিব-এশা পড়ার পর না ঘুমিয়ে গল্প করা বা জেগে থাকা।
- আরাফা ত্যাগের পর তালবিয়া পড়া বন্ধ করা।
- ১০ জিলহজ্জ তওয়াফ শেষে মিনায় ফেরত না আসা।
- আইয়ামে তাশরিকের দিনগুলোতে তাশরিক না করা।
- জামারাকে শয়তান মনে করা।
- জামারাতে জুতা স্যান্ডেল থুথু মারা।
- কংকর পানিতে ধোয়া।
- একসাথে ৭টি কংকর মারা।
- সকল জামারাতে দু‘আ করা।
- নির্দিষ্ট সময়ের আগেই কংকর মারা।
- সামর্থ থাকা সত্ত্বেও অন্যকে দিয়ে কংকর মারা।
- সাতটির কম বা বেশি কংকর মারা।
- জামারা থেকে কংকর সংগ্রহ করে ব্যবহার করা।
- উঁচু স্থান থেকে কংকর মারা।
- বড় পাথর ভেঙ্গে সাত টুকরা করে সেগুলো নিক্ষেপ করা।
- তওয়াফে বিদার পর জামারায় পাথর নিক্ষেপ করা।
- মক্কা-মদিনায় হেরা পর্বত আরাফাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে বরকতের জন্য মাটি পাথর
- সংগ্রহ করা।
- ভাল হজ্জের জন্য থাকা খাওয়া যাতায়াতের ব্যবস্থাকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া।
- কুরবানির জন্য এজেন্টকে টাকা দিয়ে সন্দেহে থাকা অথবা ব্যাংকের মাধ্যমে
- কুরবানি করাকে বৈধ মনে না করা।
- না বুঝে অপ্রয়োজনে দম বা কুরবানি করা।
হজ্জের ফল না পাওয়ার কারণ
- আল্লাহ তায়ালাকে খাঁটি মনে বিশ্বাস না করা এবং সত্যিকারভাবে না ভালবাসা।
- দৈনন্দিন জীবনের সব পরীক্ষায় ফেল করে হজ্জ ও কুরবানির পরীক্ষায় অবতীর্ণ হওয়া।
- কুরআনের ব্যাপারে মারাত্মক দুর্বলতা সংশোধন না করে কুরআন নাযিলের স্থানে অবস্থান করা।
- মানুষের প্রতি এমনকি অন্য মুসলিমের প্রতি হিংসা, বিদ্বেষ, জিঘাংশায় পরিপূর্ণ মন পরিবর্তন না করে হজ্জ করা।
- অবৈধ উপার্জন ও ভোগ-বিলাসে গড়ে ওঠা দেহ-মন পরিচ্ছন্ন না করে হজ্জ করা।
- মন-মগজে প্রতিষ্ঠিত কুফরি মতবাদকে স্থায়ী রেখে হজ্জ করা।
- চিন্তা-চেতনা ও কর্মকা-ের প্রতিটি ক্ষেত্র থেকে দুর্বৃত্ত শয়তানকে উপড়ে না ফেলে হজ্জ করা।
- পরিবার, কর্মস্থল ও সমাজে আল্লাহ বিমুখ, ইসলাম বিরোধী নিয়ম নীতিতে সন্তুষ্ট থেকে হজ্জ করা।
- বিশ্বব্যাপী মুসলিম নিধনে বর্তমান সময়ের আবরাহা বাহিনীকে সহযোগিতা অব্যাহত রেখে হজ্জ করা।
- হজ্জের টাকা হালাল না হওয়া।
- হজ্জকে প্রকৃত অর্থে সুন্দর ও সার্থক করার কোন আগ্রহ না নিয়ে হজ্জ করা।
- শুধু দুনিয়াবী নানাবিধ সমস্যার সমাধান পাওয়ার জন্যে হজ্জ করা।
- ক্স মুসলিম উম্মাহ এবং মানব জাতির কল্যাণময় জীবন ও শান্তিময় পরিবেশ সৃষ্টি করার উদ্দেশ্য না নিয়ে হজ্জ করা।
- মক্কা-মদিনার জাঁকজমকের আকর্ষণে হজ্জ করা।
- হজ্জের সব আনুষ্ঠানিকতা ঠিক মত না করে হজ্জ করা।
- হজ্জ ফরজ না হওয়া সত্তেও অনেক কষ্ট করে ঋণ করে হজ্জ করা।
- প্রিয়জনের বিয়োগ ব্যাথা থেকে সামলিয়ে নেওয়ার জন্য হজ্জ করা।
- দলীয় যোগাযোগ, সংগঠনের জন্য তহবিল সংগ্রহ, এমনকি ভিক্ষাবৃত্তিসহ অন্যান্য উপায়ে অর্থ উপার্জনের খেয়ালে হজ্জ করা।
- সরকারি-বেসরকারি সংস্থার বদান্যতায় অজ্ঞতা ও অবহেলা নিয়ে হজ্জ করা।
- নিজ ইচ্ছা অনুযায়ী যখন যেমন খুশি তেমনভাবে হজ্জ করা।
- গতানুগতিক ভুল মানসিকতা এবং ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে হজ্জ ব্যবস্থাপনার সাথে সম্পৃক্ত হয়ে হজ্জ করা।
- হজ্জকে ফলপ্রসূ করা এবং হাজিদের মধ্যে ইপ্সিত গুণাবলী সৃষ্টির উপযুক্ত প্রশিক্ষণের অভাব।
- হাজির গুণগত মান উন্নয়নের ব্যাপারে আগ্রহ ও উদ্যোগের অভাব।
- বেপরোয়া চলাফেরা ও পর্দার বিষয়ে দুর্বলতা।
- মোবাইল ও আধুনিক যন্ত্রপাতির যথেচ্ছ ব্যবহার।
- কুরবানি ব্যবস্থাপনাতে স্পষ্টতা ও স্বচ্ছতার অভাব।
- মুসলিম উম্মাহর দিক নির্দেশনামূলক খুতবা/বক্তব্যের অনুপস্থিতি এবং ভাষণ বোঝার ক্ষেত্রে দুর্বলতা।
- সময় সম্পদ ও শক্তি শুধুমাত্র বৈষয়িক বিষয়াদির দিকে নিয়োজিত করা।
- মক্কা মদিনার স্বাভাবিক সামাজিক ও প্রাকৃতিক পরিবেশ আমূল পরিবর্তন করে পশ্চিমা স্টাইলের থাকা খাওয়া চলাফেরার আয়োজন ব্যাপকভাবে জোরদার করা।
- হজ্জের সমাবেশকে উম্মাহর ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বিরাট সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করার উপযুক্ত পদক্ষেপ ও ব্যবস্থাদি গ্রহণ না করা।
- জেদ্দা থেকে মক্কা বা মদিনার পথে বিভিন্ন সংস্থার সাহায্য
- বিমান বন্দরে নিরাপত্তার নামে ব্যাগেজ নিয়মে অযথা বাড়াবাড়ি, তাড়াহুড়া ও দুর্ব্যবহার।
- হজ্জের শিক্ষা বাস্তবায়নে হাজিদের জন্যে হজ্জ পরবর্তী গঠনমূলক কর্মসূচির অভাব।
No comments:
Post a Comment