(১) প্রথম প্রজন্ম (১৯৪০-১৯৫৬): এ প্রজন্মের কম্পিউটার গুলো আকারে বড় ছিল, গতি ছিল কম। এ প্রজন্মের উল্লেখযোগ্য কম্পিউটার হচ্ছে এ বি সি, ইউনিভিক ও ইনিয়াক এর ওজন ছিল ৩০ টন। এতে ১৮০০ শত ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহৃত হয়। এট চালাতে বিদ্যুৎ খরচ হত ২০০ কিলোওয়াট। ১৯৪৮ সালে ট্রানসিস্টার আবিষ্কার হয়।
(২) ২য় প্রজন্ম (১৯৫৬-১৯৬৩): এ প্রজন্মের কম্পিউটারে ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানসিস্টার এর ব্যবহার শুরু হয়। উল্লেখযোগ্য কম্পিউটার হচ্ছে আইবিএম-১৪০০, আইবিএম-৭০৯০, আরসিএল-৩০১ ও ৫০১ এবং আরসিএল-৩০০ ইত্যাদি।
(৩) ৩য় প্রজন্ম (১৯৬৪-১৯৭১): এ প্রজন্মের কম্পিউটারে মনিটর, মেমরি ও প্রিন্টারের প্রচলন শুরু হয়। উল্লেখযোগ্য কম্পিউটার হচ্ছে আইবিএম-৩০০, ৩৭০ এবং জি ই-৬০০ ইত্যাদি। ৩য় প্রজন্মেই বাংলাদেশে কম্পিউটারের আবির্ভাব ঘটে। ১৯৬৪ সালে সর্বপ্রথম বাংলাদেশের পরমানু শক্তি কেন্দ্র আইবিএম-১৬২০ নামের কম্পিউটার নিয়ে আসে।
(৪) ৪র্থ প্রজন্ম (১৯৭১-বর্তমান): এ প্রজন্মের কম্পিউটারের RAM, ROM, উচ্চ ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন Memory, Windows XP,Vista, Linax, Windows-7 ইত্যাদির উদ্ভব ঘটে ব্যাপক হারে। এ প্রজন্মে Micro Computer, Super Computer এর ব্যাপক প্রচলন শুরু হয়।
(৫) ৫ম প্রজন্ম (আগামী দিনগুলি): জাপানে ১৯৮১ সালে ১৪টি দেশের কম্পিউটার বিজ্ঞানীদের এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলন থেকে ঘোষনা করা হয় ১৯৯৫ সাল থেকে আবিষকৃত সকল কম্পিউটার ৫ম প্রজন্মের কম্পিউটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে। তবে পরে ঘোষনা প্রত্যাহার করা হয়। এ প্রজন্মের কম্পিউটারের কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা, ভয়েস রিকগনিশনসহ অন্যান্য বিষয় সংযোজিত থাকবে।
No comments:
Post a Comment