23 March, 2019

I C T সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর ২

একাদশ-দ্বাদশ
কমিউনিকেশন সিস্টেম ও নেটওয়াকিং
Communication System & Networking
অধ্যায়ঃ দ্বিতীয়

কুইজ প্রশ্ন ও উত্তর


০১. v-32 কী?
উত্তরঃ- একটি সাধারন মডেম যা তথ্যকে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারের টেলিফোন নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার মাধ্যমে পৌছে দেয়।

০২. ন্যারো ব্যান্ডে ডেটা স্থানান্তরের গতি কত?
উত্তরঃ- ন্যারো ব্যান্ডে ডেটা স্থানান্তরের গতি 450bps থেকে 300bps পর্যন্ত।

০৩. BPS কী?
উত্তরঃ- প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমান বিট ট্রান্সফার হয় তাকে bps দিয়ে bit per second বোঝান হয়।

০৪. থিকনেট কি?
উত্তরঃ- থিকনেট হলো ভারী ও নন ফ্লেক্সিবল মিডিয়া।

০৫. ভিডিও কনফারেনসি এ কোনো ধরনের ডেটা ট্রান্সমিশন করা হয়?
উত্তরঃ- মাল্টিকাস্ট মোড ব্যবহার করা হয়।

০৬. ক্লাডিং কী?
উত্তরঃ- ক্লাডিং অপটিক্যাল ফাইবারের একটি অংশ যা কাচ বা প্লাস্টিকের তৈরী।

০৭. UTP কী?
উত্তরঃ- UTP হলো Unshielded Twisted Pair ।

০৮. টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবলের ফ্রিকোয়েন্সি কত?
উত্তরঃ- টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবলের ফ্রিকোয়েন্সি 0-5 MHZ

০৯. DECT কী?
উত্তরঃ- DECT হলো ডিজিটাল ইনহেন্স কর্ডলেস টেলিকমিউনিকেশন। এটি এক ধরনের কর্ডলেস ফোন।

১০. অ্যামচার কী?
উত্তরঃ- অ্যামচার এক ধরনের রেডিও সেবা।

১১. STP কী?
উত্তরঃ- STP হলো Shielded Twiested Pair ।

১২. ফটো ডিটিকটর কী?
উত্তরঃ- ফটো ডিটিকটর অপটিক্যাল ফাইবার থেকে ডেটা করে।

১৩. IC কী?
উত্তরঃ- IC হলো Integrated Circuit, এটি এক ধরনের চিপ।

১৪. হটস্পট কী?
উত্তরঃ- পরস্পর সংযুক্ত ইন্টারনেট প্রবেশ বিন্দু বা এক্সেস পয়েন্টগুলোকে হটস্পট বলে।

১৫. GPS কী?
উত্তরঃ- GPS হলো Global Positioning System এর সাহায্যে গাড়ির চালক, নৌকা ও জাহাজের নাবিক, বিমানের পাইলটের গতি জানা যায়।

১৬. মডেম কোন গতিতে ডেটা পাঠায়?
উত্তরঃ- মডেম bit per second গতিতে ডেট পাঠায়।

১৭. বেতার তরঙ্গ কত প্রকার?
উত্তরঃ- বেতার তরঙ্গ দুই প্রকার।
১৮. ব্লুটুথ কর্তৃক প্রেরিত সিগন্যালের ক্ষমতা কত?
উত্তরঃ- ব্লুটুথ কর্তৃক প্রেরিত সিগন্যালের ক্ষমতা মিলিওয়াট।

১৯. ইন্টারনেট কোন ধরনের টপোলজি?
উত্তরঃ- ইন্টারনেট হলো হাইব্রিড টপোলজি।

২০. জ্যাকেট এর ব্যাস কত?
উত্তরঃ- জ্যাকেট এর ব্যাস 8০০ মাইক্রোমিটার।

২১. IMSI কী?
উত্তরঃ- IMSI হলো স্যাটেলাইট ফোন ডিভাইসগুলোর একটি একক identity নম্বর। এর দ্বারা International Mobile Subscriber Identity বোঝানো হয়।

২২. WWAN কী?
উত্তরঃ- WWAN হলো Wireless Wide Area Network ।

২৩. কমিউনিকেশন সিস্টেমের উপাদান কী?
উত্তরঃ- কমিউনিকেশন সিস্টেমের উপাদানগুলো হলো কমিউনিকেশনের একটি পদ্ধতি যেমন-খেলাধুলা সম্প্রচার, গণমাধ্যম, সাংবাদিকতা ইত্যাদি।

২৪. কমিউনিকেশন সিস্টেমের মৌলিক উপাদান কয়টি ও কি কি?
উত্তরঃ- কমিউনিকেশন সিস্টেমের মৌলিক উপাদান পাঁচটি যথা- 
১.উৎস 
২.প্রেরক 
৩.মাধ্যম 
৪.গ্রাহক ব প্রাপক 
৫. গন্তব্য।

২৫. মাধ্যম কাকে বলে?
উত্তরঃ- যার মাধ্যমে ডেটাসমূহ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে স্থানান্তর করা হয় তাকে মাধ্যম বলে।

২৬. প্রাপক কাকে বলে?
উত্তরঃ- যে যন্ত্র ডেটা গ্রহণ করে তাকে প্রাপক বলে। প্রাপক যন্ত্র হিসেবে মডেম ব্যবহার করা হয়। গ্রাহক কম্পিউটারের সাথে যুক্ত মডেম কম্পিউটারের অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করে।

২৭. মডেম কিভাবে কাজ করে?
উত্তরঃ- মডেম কম্পিউটারের ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে পরিণত করে টেলিফোন যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্বারা গ্রাহকের নিকট প্রেরণ করে। গ্রাহক কম্পিউটারের ব্যবহারপোযোগী করে। প্রেরক ও গ্রাহক উভয় প্রান্তে মডেম ব্যবহার করেন।

২৮. কমিউনিকেশন সিস্টেম কী?
উত্তরঃ- কমিউনিকেশন সিস্টেম হলো একক সংগ্রহ যা কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক, ট্রান্সমিশন, রিলে স্টেশন, উপকেন্দ্র ও ডেটা টার্মিনাল যন্ত্রপাতির সাথে সংযুক্ত করে ডেটা আদান-প্রদান করা।

২৯. ডেটা ট্রান্সমিশন স্পিড কী?
উত্তরঃ- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে বা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে।

৩০. ব্যান্ড উইডথ কাকে বলে?
উত্তরঃ- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে বা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে। আর এ ট্রান্সমিশন স্পীডকে ব্যান্ড উইডথ বলে।

৩১.বিট সিনক্রোনাইজেশন কাকে বলে?
উত্তরঃ- সিগন্যাল পাঠানোর সময় বিভিন্ন বিটের মধ্যে সমন্বয়ের জন্য ব্যবহ্রত পদ্ধতিকে বিট সিনক্রোনাইজেশন বলে।

৩২. এসিনক্রোনাস কাকে বলে?
উত্তরঃ- যে ডেটা ট্রান্সমিশন সিস্টেমে প্রেরক থেকে গ্রাহকে ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিশন হয় তাকে এসিনক্রোনাস বলে।

৩৩. সিনক্রোনাস কাকে বলে?
উত্তরঃ- ডেটাসমূহকে ব্লক আকারে ভাগ করে প্রতি বারে একটি করে ব্লক ট্রান্সমিট করা হয় তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে।

৩৪. সিমপ্লেক্স মোড কী?
উত্তরঃ- যে পদ্ধতিতে ডেটা শুধু এক দিক থেকে প্রেরণ করা যায় তাকে সিমপ্লেক্স মোড বলে।

৩৫. হাফ ডুপ্লেক্স মোড কী?
উত্তরঃ- হাফ ডুপ্লেক্স মোড উভয় দিক থেকে আদান-প্রদানের ব্যবস্থা থাকে কিন্তু এক সাথে আদান-প্রদান সম্ভব নয়।

৩৬. ফুল ডুপ্লেক্স মোড কী?
উত্তরঃ- ফুল ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে ডেটা উভয় দিকে প্রেরণ করা যায়। অর্থাৎ প্রেরণ ও প্রাপক উভয়ই এক সাথে ডেটা আদান প্রদান করতে পারে।

৩৭. ইউনিকাস্ট মোড কাকে বলে?
উত্তরঃ- সিমপ্লেক্স, হাফ ডুপ্লেক্স ও ফুল ডুপ্লেক্স মোডকে ইউনিকাস্ট মোড বলে।

৩৮. ব্রডকাস্ট মোড কী?
উত্তরঃ- নেটওয়ার্কের কোনো একটি নোড (কম্পিউটার, প্রিন্টার বা অন্য কোনো যন্ত্রপাতি) থেকে ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনে সকল নোডই গ্রহন করে। যেমন-টিভি সম্প্রচার কেন্দ্র থেকে কোনো অনুষ্ঠান সম্প্রচার করলে তা সকলেই দেখতে পারে।

৩৯. মাল্টিকাস্ট মোড কী?
উত্তরঃ- মাল্টিকাস্ট মোড নেটওয়ার্কের কোনো একটি নোড থেকে ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনে সকল নোডই গ্রহন করতে পারেনা। শুধুমাত্র নির্দিষ্ট একটি গ্রাহক বা সদস্য গ্রহন করতে পারে।

৪০. চ্যানেল কাকে বলে?
উত্তরঃ- প্রেরক কম্পিউটার ও প্রাপক কম্পিউটারের মধ্যে তথ্য আদান প্রদানের জন্য সংযোগ ব্যবস্থাকে চ্যানেল বলে।

৪১. ডেটা কমিউনিকেশনের মাধ্যম কী?
উত্তরঃ- চ্যানেল বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত মাধ্যম বা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তাকে ডেটা কমিউনিকেশনের মাধ্যম বা মিডিয়া বলে।

৪২. কো-এক্সিয়াল ক্যাবলের কয়টি অংশ?
উত্তরঃ- কো-এক্সিয়াল ক্যাবলের অংশ ৪টি।

৪৩. টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল কী?
উত্তরঃ- দুটি পরিবাহী কপার বা তামার তারকে সুষমভাবে পেঁচিয়ে এ ধরনের ক্যাবল তৈরী করা হয়।

৪৪. অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল কী?
উত্তরঃ- অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল হচ্ছে কাঁচের তন্তুর তৈরী এক ধরনের ক্যাবল যার মাধ্যমে আলোর গতিতে ডেটা আদান প্রদান করা হয়।

৪৫. ওয়্যারলেস ডেটা কমিউনিকেশন কী?
উত্তরঃ- ওয়্যারলেস ডেটা কমিউনিকেশন মোবাইল কম্পিউটিং এর একটি সাধারণ উপাদান।

৪৬. বেতার তরঙ্গ কী?
উত্তরঃ- বেতার তরঙ্গ এক প্রকারের তড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ যার তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে সীমা মিলিমিটার থেকে ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত।

৪৭. ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
উত্তরঃ- সিনক্রোনাইজেশনের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়।

৪৮. মাইক্রোওয়েভ এর কাজ কী?
উত্তরঃ- কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবস্থার মাধ্যমে মাইক্রোওয়েভের সাহায্যে প্রেরক ও গ্রাহক কম্পিউটারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব।

৪৯. টেরিস্ট্রিয়াল মাইক্রোওয়েভ কোন ধরনের ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহ্রত হয়।
উত্তরঃ- টেরিস্ট্রিয়াল মাইক্রোওয়েভ প্রযুক্তিতে ভূ-পৃষ্ঠেই ট্রান্সমিটার বসানো হয়। এতে মেগাহার্টজ ফ্রিকোয়েন্সি সীমার নিচের দিকে ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করা হয়।

৫০. স্যাটেলাইট মাইক্রোওয়েভ প্রযুক্তিতে কোন উপগ্রহের সহায়তা নিতে হয়?
উত্তরঃ- স্যাটেলাইট মাইক্রোওয়েভ প্রযুক্তিতে যোগাযোগ উপগ্রহের সহায়তা নিতে হয়।

৫১. ইনফ্রারেড কত দূরত্বের মধ্যে ডেটা প্রেরণ করে?
উত্তরঃ- সাধারণত দশমিক ৭ থেকে ৩০০ মাইক্রোমিটার দূরত্বের ডিভাইসের মধ্যে ইনফ্রারেড প্রযুক্তির সাহায্যে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।

৫২. ওয়্যারলেস প্যান কী?
উত্তরঃ- ব্লুটুথ ও ইনফ্রারেডের মাধ্যমে হ্যান্ডসেট বা ল্যাপটপের মধ্যে যোগাযোগ পদ্ধতি হলো ওয়্যারলেস প্যান।

৫৩. ওয়্যারলেস ল্যান কী?
উত্তরঃ- ওয়্যারলেস ল্যান পদ্ধতিতে প্রতিটি কম্পিউটারের সাথে একটি রেডিও মডেম এবং এন্টেনা থাকে যার সাহায্যে প্রতিটি কম্পিউটার অপর কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।

৫৪. ওয়াইম্যাক্স কী?
উত্তরঃ- ওয়াইম্যাক্স হলো একটি টেলিকমিউনিকেশন প্রোটোকল যা মোবাইল ইন্টারনেটে ব্যবহ্রত হয়।

৫৫. রেডিওলিনজা কী?
উত্তরঃ- ১৯৯১ সালে ফিনল্যান্ডের রেডিওলিনজা নামক একটি GSM2G অপারেটর সর্বপ্রথম ব্যবসায়িকভাবে এবং GSM2G স্ট্যান্ডার্ডে 2G তারবিহীন নেটওয়ার্ক চালু করেছিল।

৫৬. TDMA প্রযুক্তি কয়টি মহাদেশে ব্যবহ্রত হচ্ছে?
উত্তরঃ- TDMA প্রযুক্তি ইউরোপের হলেও ৬টি মহাদেশের প্রায় সকল দেশেই এ প্রযুক্তি ব্যবহ্রত হচ্ছে।

৫৭. CDMA প্রযুক্তি কোথায় ব্যবহ্রত হয়?
উত্তরঃ- প্রযুক্তি আমেরিকা ও এশিয়ার অংশ বিশেষে ব্যবহ্রত হয়।

৫৮. নেটওয়ার্ক কী?
উত্তরঃ- কম্পিউটার নেটওয়ার্ক হচ্ছে এমন একটি ব্যবস্থা যাতে দুই বা ততোধিক কম্পিউটার একসাথে যুক্ত থাকে।

৫৯. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কী?
উত্তরঃ- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার হচ্ছে কতকগুলো ইন্টারফেস প্রোগ্রামের সমষ্টি যার মাধ্যমে কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা নেটওয়্যার্কের সাথে যুক্ত হয়ে নেটওয়্যার্কে বিদ্যমান বিভিন্ন সম্পদ ভাগাভাগি করতে পারে।

৬০. ডেটা কমিউনিকেশন সিস্টেম কী?
উত্তরঃ- যে পদ্ধতির মাধ্যমে যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার করে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে, প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিষ্ঠানে, এক দেশ হতে অন্য দেশে, তথ্য আদান প্রদান করা যায় তাকে কমিউনিকেশন সিস্টেম বলা হয়।

৬১. ডেটা ট্রান্সমিশন মেথড কী?
উত্তরঃ- এক কম্পিউটার থেকে দূরবর্তী কোন কম্পিটারে ডেটা ট্রান্সমিট করতে যে পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়ে থাকে তা-ই ডেটা ট্রান্সমিশন মেথড।

৬২. কো-এক্সিয়াল কাকে বলে?
উত্তরঃ- কো-এক্সিয়াল ক্যাবল চার স্তর বিশিষ্ট। এ ক্যাবল দুটো পরিবাহী বা কন্ডাক্টর ও অপরিবাহী বা পরা বৈদ্যূতিক পদার্থের সাহায্যে তৈরী।

৬৩. টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল কী?
উত্তরঃ- টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল হলো দুটো পরিবাহী তামার তার যা এক সাথে সুষমভাবে প্যাঁচানো এবং তার দুটোকে পৃথক রাখার জন্য অপরিবাহী পদার্থ দ্বারা আবদ্ধ একটি পরিবাহী তার।

৬৪. অপটিক্যাল ফাইবার কী?
উত্তরঃ- অপটিক্যাল ফাইবার হলো সর্বপ্রথম আবিস্কৃত তার যার মধ্যে দিয়ে আলোকে তরঙ্গ প্রবাহিত হয়। অপটিক্যাল ফাইবার মূলত কোর, ক্লাডিং, এবং বাফার আবরণ এ তিনটি উপাদানে দিয়ে গঠিত।

৬৫. রেডিও ওয়েভ কাকে বলে?
উত্তরঃ- রেডিও ওয়েভ বা বেতার তরঙ্গ হলো ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক বর্ণনালি।

৬৬. মাইক্রোওয়েভ কাকে বলে?
উত্তরঃ- মাইক্রোওয়েভ হলো এক ধরনের তরঙ্গ যা ১ মিলি মিটার থেকে ১ মিটার দৈর্ঘ্যওে হতে পারে। অথবা ০.৩ মেগাহার্জ থেকে ৩০০ গেগাহার্জ বিশিষ্ট কম্পাংক হতে পারে । মাইক্রোওয়েভের সাহায্যে ছবি, শব্দ, ও তথ্য সরবরাহ করা সম্ভব।

৬৭. ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেম কী?
উত্তরঃ- ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেম এমন এক ধরনের নেটওয়ার্ক সিস্টেম যেখানে কোনো ক্যাবল বা তার ব্যবহার করা হয় না। কাজেই বলা যায় এটি একটি তারবিহীন মাধ্যম।

৬৮. ব্লুটুথ কী?
উত্তরঃ- দুই বা ততোধিক যন্ত্রের মধ্যে তারবিহীন যোগাযোগ পদ্ধতি হচ্ছে ব্লুটুথ। ব্লুটুথ হলো ক্ষুদ্র দূরত্বের জন্য প্রণীত একটি ওয়্যারলেস প্রযুক্তি। টেলিকম ভেওর এরিকসন ১৯৯৪ সালে এটি উদ্ভাবন করেন এবং দশম শতাব্দীতে ডেনমার্কের রাজা হারাল্ড ব্লুটুথ এর ন্মা অনুসারে এ প্রযুক্তির নামকরণ করা হয়।এটি ক্ষুদ্র পাল্লার বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে প্রয়োগ করা হয়।

৬৯. ওয়াই-ফাই কাকে বলে?
উত্তরঃ- ওয়াই-ফাই হলো একটি প্রচলিত তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা বেতার তরঙ্গ ব্যবহার কওে তারবিহীন উচ্চ গতি সম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ এবং নেটওয়ার্ক সংযোগ প্রদান করে। ওয়াই-ফাই বলতে আমরা তারবিহীন লোক্যাল এরিয়া নেটওয়ার্ক কে বুঝে থাকি, যা তৈরী করা হয়েছে ইন্সটিটিউট অফ ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারর্স।

৭০. মোবাইল যোগাযোগ কী?
উত্তরঃ- আমরা সবাই মোবাইল ফোন চিনি এবং ব্যবহার করে থাকি। মোবাইল ফোনকে সেলুলার ফোন বা সেলফোন বা মুঠোফোন বলে।

৭১. মডেম কাকে বলে ?
উত্তরঃ- মডেম শব্দটির পূর্ণরুপ হলো মডুলেটর-ডিমডুলেটর । মডুলেটর ডিজিটাল সংকেত কে অ্যানালগ সংকেতে রুপান্তরিত কওে আর ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেত কে টুইস্টড পেয়ার ক্যাবল বা ফাইবার অপটিকের সাথে যুক্ত করা যায়। এটি একটি কেন্দ্রীয় কানেকটিভ ডিভাইসের মতো কাজ করে। কোনো একটি পোর্টে তথ্য আসার সাথে সাথে কপি করা যায় এবং ইথারনেট ডিভাইসগুলোকে তথ্য সরবরাহ করে থাকে।

৭২. হাব কী?
উত্তরঃ- হাব হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা অনেকগুলো পোর্ট নিয়ে গঠিত এবং ইথারনেট ডিভাইসগুলোকে একত্রে সংযুক্ত করার জন্য অনেকগুলো টুইস্টেড পেয়ার বা ফাইবার অপটিকের সাথে যুক্ত করা যায়। এটি একটি কেন্দ্রীয় কানেকটিভ ডিভাইসের মতো কাজ করে। কানো একটি পোর্টে তথ্য আসার সাথে সাথে কপি করা যায় এবং ইথারনেট ডিভাইসগুলোকে তথ্য সরবরাহ করে থাকে।

৭৩. রাউটার কী?
উত্তরঃ- রাউটার হলো একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস। রাউটার কম্পিউটার নেটওয়ার্কেও মধ্যে ইন্টার নেটওয়ার্ক সৃষ্টি করে তথ্য সঞ্চালন করে থাকে।

৭৪. গেটওয়ে কী?
উত্তরঃ- গেটওয়ে হলো ইন্টারনেটের প্রবেশপথ। কয়েকটি কম্পিউটারের সাথে এক বা একাধিক নেটওয়ার্কের সংযোগকারী ডিভাইসকে গেটওয়ে বলা হয়।

৭৫. নেটওয়ার্ক টপোলজি কাকে বলে?
উত্তরঃ- একটি কম্পিউটারের সাথে অন্য একটি কম্পিউটারের সংযোগ ব্যবস্থাকেই নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে।

৭৬. বাস টপোলজি কাকে বলে?
উত্তরঃ- একটি সংযোগ লাইনে কয়েকটি কম্পিউটার নোড বা সংযোজক যুক্ত হয়ে যে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে তাকে বাস টপোলজি বলে।

৭৭. মেশ টপোলজি কাকে বলে?
উত্তরঃ- যে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রত্যেকটি কম্পিউটার একে অপরের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে সে নেটওয়ার্ক সিস্টেম ই মেশ টপোলজি।

৭৮. রিং টপোলজি
উত্তরঃ- যে নেটওয়ার্কে কম্পিউটার বৃত্তাকাওে সজ্জিত থাকে তাকে রিং টপোলজি বলে।

৭৯. স্টার টপোলজি কাকে বলে?
উত্তরঃ- যে নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলো একটি কেন্দ্রীয় ডিভাইসের মাধ্যমে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত থাকে তাকে স্টার টপোলজি বলে।

I C T সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর ১

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিতে
ICT-World & Bangladesh Perspective
অধ্যায়ঃ প্রথম

কুইজ প্রশ্ন ও উত্তর


০১। তথ্য প্রযুক্তি কী?
উত্তরঃ যে প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ, এর সত্যতা ও বৈধতা যাচাই, সংরক্ষন, প্রক্রিয়াকরন, আধুনিকীকরন, পরিবহন, বিতরন ও ব্যবস্থাপনা সম্পাদিত হয় তাকে তথ্য প্রযুক্তি বা ইনফরমেশন টেকনোলজি বলে।

০২। যোগাযোগ প্রযুক্তি কী?
উত্তরঃ ডেটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিকে যোগাযোগ প্রযুক্তি বা কমিউনিকেশন টেকনোলজী বলে।

০৩। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি কী?
উত্তরঃ যেকোন প্রকরের তথ্যের উৎপত্তি, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ, সঞ্চালন এবং বিচ্ছুরণে ব্যবহৃত সকল ইলেক্ট্রনিক্স প্রযুক্তিকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বা ইনফরমেশন ও কমিউনিকেশন টেকনোলজী বলে।

০৪। কর্মসংস্থান কী?
উত্তরঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি শিক্ষার শিক্ষিত হয়ে ব্যাংক, বীমা, বহুজাতিক কোম্পানি, মোবাইল কোম্পানীসহ বিভিন্ন অফিসে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করাকে কর্মসংস্থান বলা হয়।

০৫। বিশ্বগ্রাম কী?
উত্তরঃ বিশ্বগ্রাম(Global Village) হচ্ছে এমন একটি পরিবেশ যেখানে পৃথিবীর সকল মানুষই একটি একক সমাজে বসবাস করে এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া ও তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে একে অপরকে সেবা প্রদান করে থাকে।

০৬। বিশ্বগ্রাম কথাটি কে সর্বপ্রথম ব্যবহার করেণ?
উত্তরঃ কানাডার বিখ্যাত টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিখ্যাত দার্শনিক “মার্শেল ম্যাকলুহান” সর্বপ্রথম “গ্লোবাল ভিলেজ” কথাটি ব্যবহার করেন।

০৭। ইন্টারনেট কী?
উত্তরঃ ইন্টারনেট হল পৃথিবী বিস্তৃত অসংখ্য ছোট বা বড় নেটওয়ার্কের সংযোগে তৈরি একটি বৃহৎ আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক। প্রায় শত কোটিরও বেশি কম্পিউটার এই নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত এবং এর সংখ্যা দ্রুত বেড়েই চলছে।

০৮। আউটসোর্সসিং কী?
উত্তরঃ পৃথিবীর বিভিন্ন উন্নত দেশ তাদের অনলাইন নির্ভর কাজগুলো অন্য দেশের দক্ষ লোক দিয়ে করিয়ে নিচ্ছে এই ধরনের কাজগুলোকে বলা হয় আউটসোর্সসিং।

০৯। তিনটি কমিউনিকেশনের নাম লিখ?
উত্তরঃ স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন, টেলি কমিউনিকেশন ও ওয়্যারলেন্স কমিউনিকেশন।

১০। GPS এর পূর্নমান কী
উত্তরঃ GPS এর পূর্নমান Global positioning System.

১১। GSM এর পূর্নমান কী?
উত্তরঃ GSM এর পূর্ননাম Global system for mobile communications.

১২। বারকোড কী?
উত্তরঃ বারকোড হলো এক প্রকার সাংকেতিক চিহ্ন, যার দ্বারা পন্যের নাম, প্রস্তুতকারকের নাম, মূল্য প্রভৃতি তথ্য সংযুক্ত করা হয়।

১৩। অফিস অটোমেশ প্রচলন কখন শুরু হয়?
উত্তরঃ ১৯৭০ সালের দিকে অফিসগুলোতে অটোমেশনের প্রচলন শুরু হয়।

১৪। অফিস অটোমেশ কি?
উত্তরঃ অফিস অটোমেশন হলো বিভিন্ন প্রযুক্তির ব্যবহারে (যেমন- কম্পিউটার, টেলিযোগাযোগ, ই-মেইল ইত্যাদি) কাজ গুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন করা।

১৫। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি য্ক্তু অফিসের জিনিসপত্রগুলো কি কি?
উত্তরঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি য্ক্তু অফিসের জিনিসপত্র হলো- কম্পিউটার, টেলিফোন মোবাইল, ফোন ফ্যাক্স, মেশিন স্ক্যানার, প্রিন্টার, ফটোকপিয়ার লেমিনেটর, প্রজেক্টর, সিসিটিভি, আইপি- পিবিএক্স, সময় রেজিস্টার মেশিন প্রভৃতি।

১৬। ওয়েব পেইজ কি?
উত্তরঃ ইন্টারনেটে বিশেষ পেইজে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষন করে রাখা যায়, তাকে ওয়েব পেইজ বলে।

১৭। নিউজ শব্দটি অর্থ কি?
উত্তরঃ নিউজ শব্দটির অর্থ হলো তথ্য বা সংবাদ।

১৮। ব্লগার কি?
উত্তরঃ যিনি ইন্টারনেটে ব্লগ পোস্ট করেন তাকে ব্লগার বলা হয়।

১৯। ফেসবুকের কাজ কী?
উত্তরঃ ফেসবুকের লগ ইন করা অবস্থায় একজন অন্যজনের সাথে চ্যাট করা, প্রোফাইল দেখা ম্যাসেজ পাঠানো, ছবি পাঠানো, ছবিতে মন্তব্য লেখা এমনকি প্রোফাইলে ছবি যুক্তি করা যায়।

২০। টেলিমেডিসিন কী?
উত্তরঃ টেলিফোন, ইন্টারনেট, মোবাইল ইত্যাদি মিডিয়া ব্যবহার করে দেশে বা বিদেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের চিকিৎসা সেবা গ্রহনের পদ্ধতিকে টেলিমেডিসিন বলে। বর্তমানে প্রতিটি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রেই এই ব্যবস্থা রয়েছে।

২১। স্মার্ট হোম কী?
উত্তরঃ স্মার্ট হোম এমন একটি বাসস্থান যেখানে রিমোর্ট কন্ট্রোলিং এবং প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে একটি বাড়ির হিটিং, কুলিং, লাইটিং, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রন করা যায়। এটি একটি হোম অটোমেশন সিস্টেম।

২২। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কী?
উত্তরঃ ভার্চুয়াল রিয়েলিটি একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যেখানে ব্যবহারকারী ঐ পরিবেশ সম্পর্কে বাস্তবের অনুকরনে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারেন।

২৩। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
উত্তরঃ ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহার করে ড্রাইভিং শেখা, ডাক্তারি, বিমান চালনা, যুদ্ধ প্রশিক্ষনসহ অন্যান্য বিভিন্ন শিক্ষামূলক কাজ করা যায়।

২৪। E-mail কী?
উত্তরঃ Electronic Mail কে সংক্ষেপে E-mail বলা হয়। সনাতন ডাক ব্যবস্থার পরিবর্তে ডিজিটাল ডাক ব্যবস্থার পদ্ধতি হল ইলেক্ট্রনিক মেইল বা ই-মেইল। সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার এর সমন্বয়ে গঠিত যা প্রেরিত তথ্য বিদ্যুৎ গতিতে প্রেরকের অনুপস্থিতিতেই তাঁর ব্যবহৃত আইডিতে নির্ভূল ভাবে র্পৌছে দিতে সক্ষম।

২৫। E-mail আদান-প্র্রদানের সফটওয়ারের নাম কী?
উত্তরঃ ই-মেইল আদান প্রদান জন্য কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সফটওয়ার হলো- yahoomail.com, gmail.com, eudora, Outlook Express ইত্যাদি।

২৬। ভিডিও টেক্সট কী?
উত্তরঃ টেলেক্স ব্যবহার করে আদান-প্রদান করা তথ্যের টেলিভিশন, কম্পিউটার বা যে কোন ভিডিও ডিসপ্লে ইউনিটে প্রদর্শিত রুপটি হলো ভিডিও টেক্সাট।

২৭। জিআইএস কী?
উত্তরঃ ডিআইএস এমন একটি সিস্টেম যা প্রাকৃতিক, সম্পদ, ভূমি পরিবেশ তথা ভৌগলিক অবকাঠামো ও পারিপাশ্বিক বিষয় সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেশন ও সংগঠন করতে পারে।

২৮। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কী?
উত্তরঃ মানুষের চিন্তা- ভাবনাগুলো কৃত্রিম উপায়ের কম্পিউটারের মধ্যে রূপ দেওয়াকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।

২৯। রোবটিকস কী?
উত্তরঃ টেকনোলজির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন ও কাজ সম্পর্কে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিকস বলে।

৩০। রোবট কী?
উত্তরঃ রোবট হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত একটি স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা; যা মানুষ যেভাবে কাজ করে তা সেভাবে কাজ করতে পারে অথবা এর কাজের ধরণ দেখে মনে হবে এর কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা আছে।

৩১। রোবট কিসের সাহায্য নিয়ন্ত্রিত হয়?
উত্তরঃ কিছু কিছু রোবট শুধু প্রোগ্রাম অনুসারে কাজ করতে পারে আবার অনেকগুলোকে দূর থেকে লেজার রশ্নি বা রেডিও সিগন্যালের সাহায্য নিয়ন্ত্রন করা হয়।

৩২। ক্রায়োসার্জারি কী?
উত্তরঃ অতিরিক্ত হিমায়েত করে জীবের রোগাক্রান্ত টিস্যু কেটে বা ধ্বংস করে দেওয়াকে ক্রায়োসার্জারি বলা হয়।

৩৩। কোন চিকিৎসার ক্রায়োসার্জারি করতে হয়?
উত্তরঃ লিভার ক্যান্সার, প্রোস্টেট, ফুসফুসের ক্যান্সার, মুখের ক্যন্সার চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যাবহৃত হয়।

৩৪। মহাকাশ অভিযান কী?
উত্তরঃ আকাশে দৃশ্যমান বস্তুগুলোর রহস্য আবিস্কারের উদ্দেশ্যে যে অভিযান বা ভ্রমণকেই মহাকাশ অভিযান বলে। সাধারণত মানব ও রোবট চালিত মহাকশযানের মাধ্যমে এই অনুসন্ধান পরিচালিত করা হয়। ১৬৮৭ সালে ৫ই জুলাই স্যার আইজ্যাক নিউটন সর্বপ্রথম মহাকাশ তত্ত্বের বক্তব্য প্রকাশ করেন। বিংশ শতব্দীতে তরল জ্বালানির মাধ্যমে রকেট ইঞ্জিন নির্মিত হওয়ায় মহাকাশযাত্রার শুভসুচনা হয়।

৩৫। কে সর্ব প্রথম মহাশূন্যে কৃত্রিম উপগ্রহ প্রেরণ করে?
উত্তরঃ ১৯৫৭ সালে ৪ অক্টোবর সোভিয়েত ইনিয়ন পৃথিবীর প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ “স্পুটনিক-১” মহাশূন্যে প্রেরণ করেন।

৩৬। সর্ব প্রথম মহাকাশযাত্রী কে?
উত্তরঃ ১৯৬১ সালে ১২ এপ্রিল ২৭ বছর বয়সী রাশিয়ান মহাকাশযাত্রী ইউরি গ্যাগরিন প্রথম মানব হিসেবে ”ভস্কট-১” এ করে ১ ঘন্টা ৪৮ মিনিটে একবার আবর্তন করেন।

৩৭। নিল র্আমস্ট্রং কি?
উত্তরঃ নিল আর্মস্ট্রং ছিলেন একজন মার্কিন নভোচারী ও বৈমানক। তিনি প্রথম মানুষ যিনি চাঁদে পা রাখেন।

৩৮। মঙ্গল অভিযান পাঠানো রোবটের নাম কি?
উত্তরঃ ৬ নভেম্বর ২০১২ সালে নাসার ”কিউরিসিটি” রোভারটি মঙ্গলে প্রেরণ করে। খরচ হয় ২.৫ বিলিয়ন ইউএস ডলার, ওজন ২০০০ পাউন্ড, যেতে সময় নেয় ১ বছর এবং জ্বালানী হিসেবে ব্যবহৃত হয় রেডিওআইসোটপ থার্মোইলেকট্রিম জেনারেটর (আরটিজি)।

৩৯। বায়োমিট্রিক কী?
উত্তরঃ বায়োমেট্রিক্স মানুষের শারীরবৃত্তীয় ও আচরনগত বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে কোথাও প্রবেশ নিয়ন্ত্রনে ব্যবহৃত হয়।

৪০। বায়োইনফরমেটিক্স কি?
উত্তরঃ বায়োইনফরমেটিক্স বা জৈব তথ্যবিজ্ঞান হলো এমন এক প্রযুক্তি যা ফলিত গণিত, তথ্য বিজ্ঞান, পরিসংখ্যান, কম্পিউটার বিজ্ঞান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রসায়ন এবং জৈব রসায়ন ব্যাবহার করে জীববিজ্ঞানের সমস্যাসমূহ সামাধান করা হয়।

৪১। বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত সফটওয়্যার গুলো কী কী?
উত্তরঃ বায়োইনফরমেটিক্সের জন্য সাধারন ব্যবহৃত সফটওয়্যার হলো- Java C, C++, Python, SQL, C#, XML, Perl, CUDA, MATLAB, Spreadsheet applications (MS- Excel)

৪২। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং কি?
উত্তরঃ জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং হলো জেনেটিক পরিবর্তন, যা বায়োটেকনোলজির মাধ্যমে জীবদেহে পরির্বতন ঘটিয়ে থাকে।

৪৩। ন্যানো টেকনোলজি কি?
উত্তরঃ ন্যানো টেকনোলজি বা ন্যানো প্রযুত্তিকে সংক্ষেপে ন্যানোটেক বলা হয়। ন্যানো টেকনোলজি পদার্থকে আনবিক পর্যায়ে পরিবর্তন ও নিয়ন্ত্রন করার বিদ্যা।

৪৪। ন্যানো প্রযুত্তির জনক কে?
উত্তরঃ রিচার্ড ফাইনম্যানকে ন্যানো প্রযু্ক্তির জনক বলা হয়।

৪৫। ন্যানোমিটার কাকে বলে?
উত্তরঃ এক মিটার এর ১,০০০,০০০,০০০ (১০০ কোটি) ভাগের ন্যানোমিটার বলা হয়।

৪৬। আধুনিক মোবাইল ফোনের সুবাদা কী?
উত্তরঃ আধুনিক মোবাইল ফোনগুলো বিভিন্ন ধরনের সেবা যেমন- মোবাইল থেকে ই-মেইল, ইন্টারনেট, এসএমএস, জিপিআরএস, এমএমএস, ভয়েস কল, মুহুর্তে মধ্যে টাকা পাঠানো ইত্যাদি নানামুখী সুবিদা প্রদান করছে।

৪৭। টেলি কনফারেন্সিং উদ্ভাবন করেন কে কত সালে?
উত্তরঃ মরি টারফ১৯৭৫ সালে টেলিকনফারেন্সিং উদ্ভাবন করেন।

৪৮। টেলিকনফারেন্সিং কত প্রকার?
উত্তরঃ টেলিকনফারেন্সিং ৩ প্রকার যথা- ১। পাবলিক কনফারেন্স
২। ক্লোজড কনফারেন্স।
৩। রিড অনলি কনফারেন্স। 

৪৯। ভিডিও কনফারেন্সিং কী?
উত্তরঃ যে ব্যবস্থায় কনফারেন্সে অংশগ্রহনকারীরা প্রত্যেকে প্রত্যেকের ছবি দেখতে পারে এবং কথোপকথন শুনতে পারে তাকে ভিডিও কনফারেন্স বলে।

৫০। ভিডিও কনফারেন্সিং সংযোগ কী লাগে।
উত্তরঃ ওয়েব ক্যামেরা, ভিডিও ক্যাপচার কার্ড সাউন্ড কার্ড স্পীকার, মাইক্রোফোন, মাল্টিমিডিয়া কম্পিউটার, মডেম, টেলিফোন লাইন/ ইন্টারনেট সংযোগ ও প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইত্যাদি।

৫১।বুলেটিন বোর্ড কি?
উত্তরঃ বুলেটিন বোর্ড একটি শক্তিশালী বোর্ড, যা কেন্দ্রিয় কম্পিউটারের সাথে অন্যান্য কম ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটারও টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।

৫২। এক্সপার্ট সিস্টেম কী?
উত্তরঃ কোন বিষয়ের ওপর বিশাল তথ্য সংগ্রহ করে ঐ বিষয়ের ওপর যে কোন প্রশ্ন কম্পিউটার থেকে জেনে নেওয়ার ব্যবস্থ্য রাখা হয়। এ ধরনের ব্যবস্থ্যকে এক্সপার্ট সিস্টেম বলে।

৫৩। রিজার্ভেশন সিস্টেম কী?
উত্তরঃ রিজার্ভেশন সিস্টেম হলো ইলেকট্রনিক উপায়ে আসন ব্যবস্থা কর।

৫৪। ইলেকট্রনিং ফান্ড ট্রান্সফার কী?
উত্তরঃ আধুনিক কম্পিউটার ব্যবস্থ্যয় টেলিফোন ও ডেটা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক উপায়ে দ্রুত অর্থ স্থানান্তর করা হয়। এ পদ্ধতিকে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার বলে।

৫৫। ATM কী?
উত্তরঃ ATM দ্বারা বোঝায় Automated Teller machine. এটি একটি স্বয়ংক্রিয় ব্যাংকিং ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন করা হয়।

৫৬। ই- মেইল কী .?
উত্তরঃ ডেটা কমিউনিকেশন ই - মেইল হলো কম্পিউটার ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটার কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদনে ব্যবস্থা ।

৫৭। বিশ্বগ্রাম কী ?
উত্তরঃ বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেটের ব্যাপক ব্যাবহারের ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রভূত উন্নতি সাধিত হচ্ছে । এখন মানুষ তাৎক্ষনিকভাবে একে অন্যের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলতে পারে । বৈশিক যোগাগের এ ব্যবস্থাকে গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম বলে ।

৫৮। ICT তে কর্মসংস্থানের একটি উদাহরণ দাও?
উত্তরঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে এক স্থান হতে অন্য স্থানে দ্রুত টাকা আদান-প্রদানে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে কর্মসংস্থানের বহুমূখী ক্ষেত্র সুষ্টি হয়েছে। বর্তমান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কল্যাণে মোবাইল ফোনের সেবা প্রদানে রিচার্জ করার জন্য প্রচুর লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে।

৫৯। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলতে কি বোঝ?
উত্তরঃ ভার্চুয়াল রিয়েলিটি একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ যেখানে ব্যবহারকারী ঐ পরিবেশে মগ্ন হয়ে, বাস্তবতার অনুকরনে সৃষ্ট দৃশ্য উপভোগ করতে, সেই সাথে বাস্তবের ন্যায় শ্রবণানুভূতি এবং দৈহিক ও মানসিক ভাবাবেগ, উত্তেজনা, অনূভূতি প্রভৃতি অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারেন।

৬০। Artificial Intelligent বলতে কী বোঝ?
উত্তরঃ বুদ্ধিমত্তা চিন্তা করার ক্ষমতা প্রাণীর আছে কিন্তু জড়বস্তুর নেই। তবে বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় যন্ত্রের মধ্যমে চিন্তা করার ক্ষমতা প্রদান করতে সমর্থ হয়েছেন। এটি মূলত Artificial Intelligent বা কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা। অন্যভাবে বলা যায় মানুষের চিন্তা-ভাবনাগুলো কৃত্তিম উপায়ে কম্পিউটারের মধ্যে রূপ দেয়াকে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা বলে।

৬১। সাইবার ক্রাইম কী?
উত্তরঃ ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে যে সকল ক্রাইম বা অপরাধ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার ক্রাইম বলে।

৬২। সফটওয়্যার পাইরেসি কী ?
উত্তরঃ প্রস্তুতকারীর বিনা অনুমোতিতে কোন সফটওয়্যার কপি করা, নিজের নামে বিতরন করা কিংবা কোন প্রকারে পরিবর্তন করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া ইত্যাদি কার্যক্রমকে সফটওয়্যার পাইরেসি বলে।

৬৩। সাইবার আক্রমন কী ?
উত্তরঃ সাইবার আক্রমন হলো কোন কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রন অর্জনের প্রচষ্টা এবং কোন ব্যক্তি বা গ্রুপের অনুমতি ছাড়াই তাদের সমগ্র গতিবিধিকে ট্রাক করা অর্থ্যাৎ তাদের ফাইল, প্রোগ্রাম কিংবা হার্ডওয়্যার ধ্বংস বা ক্ষতির উদ্দেশ্য আক্রমন করা।

৬৪। হ্যাকিং কী ?
উত্তরঃ প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে অনুমতি ব্যাতীত কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে কম্পিউটার হতে প্রয়োজনীয় ফাইল চুরি করা কে হ্যাকিং বলে। যে এই কাজটি করে তাকে হ্যাকার বলে।

৬৫। কম্পিউটার ভাইরাস কাকে বলে?
উত্তরঃ VIRUS এর পূর্ণনাম Vital Information Resource Under Seize । কম্পিউটার ভাইরাস হচ্ছে এক ধরনের অনিষ্টকারী প্রোগ্রাম। ইহা কম্পিউটারের স্বাভাবিক প্রোগ্রামগুলোর কাজে বিঘ্ন ঘটায়। ভাইরাসের প্রথম ভয়ংকর দিকটি হচ্ছে এরা কম্পিউটার ব্যবহারকারীর অগোচরে নিজেরা নিজেদের কপি তৈরি করতে পারে। শুধু তাই নয়, এরা অন্য একটি প্রোগ্রামের সাথে সংযুক্ত হয়ে নিজেদের লুকিয়ে রাখতে পারে। ভাইরাস সাধারণত সিডি, ইমেইল বা কোন একটি প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে কম্পিউটারে ঢুকে তথ্য মুছে ফেলা থেকে শুরু করে, অপারেটিং সিস্টেম অকেজো করে দেওয়া বা মুছে ফেলা, অন্য সিস্টেমে পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

হাসিব ফার্মেসী এ্যান্ড বিক্যাশ পয়েন্ট ১

হাসিব ফার্মেসী এ্যান্ড বিক্যাশ পয়েন্ট
সোনারপাড়া বাজার,কিচক,শিবগঞ্জ,বগুড়া
ডিজাইনার মোঃ রিপন মিয়া

হাসিব ফার্মেসী এ্যান্ড বিক্যাশ পয়েন্ট ২


হাসিব ফার্মেসী এ্যান্ড বিক্যাশ পয়েন্ট
সোনারপাড়া বাজার,কিচক,শিবগঞ্জ,বগুড়া
ডিজাইনার মোঃ রিপন মিয়া

আজিজুল মাল্টিমিডিয়া সেন্টার


আজিজুল মাল্টিমিডিয়া সেন্টার
খামটা বাজার,কিচক,শিবগঞ্জ,বগুড়া

17 March, 2019

03 March, 2019

মেহেরপুর জেলার ইতিহাস


১. সৃষ্টির প্রেক্ষাপট : ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ১৭৬৫ সালে কৌশলে বাংলা,
বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানী লাভ করতে সমর্থ হয়। এ সময় হতেই নদীয়া
তথা মেহেরপুর ইংরেজদের শাসনাধীনে চলে যায়। ১৭৯৬ সালে নদীয়া ও
যশোরের সীমানা নির্দিষ্ট হলেও পরবর্তীতে তা কয়েকবার পরিবর্তন হয়।
যশোরের সঙ্গে নদীয়া তথা । কুষ্টিয়া ও মেহেরপুরের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের।
১৮৫৪ বা ১৮৫৭ সালে মেহেরপুর মহকুমা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৪৭
সালে দেশভাগের সময় করিমপুর, তেহট্ট ও চাপড়া ভারতে অন্তর্ভুক্ত হয়।
শুধুমাত্র গাংনী ও মেহেরপুর সদর নিয়ে মেহেরপুর মহকুমা গঠিত হয়।
১৯৮৪ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি মেহেরপুর জেলার মর্যাদা লাভ করে।
২. নামকরণ : বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূতিকাগার অস্থায়ী রাজধানী
ঐতিহাসিক সবার
মুজিবনগর মেহেরপুরে অবস্থিত বলে মেহেরপুর
ভৈরব নদীর পূর্ব তীরে এই প্রাচীন শহরটি অনেক পুরানো
ইতিহাসের স্বাক্ষর। ষোড়শ শতাব্দীতে মেহের আলী শাহ নামক একজন
বুজুর্গ দরবেশ মেহেরপুর শহর স্থাপন করেন বলে প্রচলিত আছে। এই
দরবেশের নামানুসারেই স্থানটির নাম হয়েছে মেহেরপুর।
৩. আয়তন ঃ (প্রায়) ৭১৬ বর্গ কি. মি.।
৪. লোকসংখ্যা : মোট-(প্রায়) ৬,৫৫,৩৯২ জন। পুরুষ-৩২৪,৬৩৪ ও মহিলা
৩,৩০,৭৫৮। বৃদ্ধির হার : ১.০২% ও ঘনত্ব (বৰ্গ কি. মি.) : ৮৭২ জন।
৫. উপজেলার সংখ্যা ও নাম : ০৩টি। মেহেরপুর সদর, মুজিবনগর ও গাংনী।
৬. থানার সংখ্যা ও নাম : ০৩টি। মেহেরপুর, মুজিবনগর ও গাংনী ।
৭. সংসদীয় আসন : ০২টি। (১) মেহেরপর সদর ও মুজিবনগর উপজেলা।
(২) গাংনী উপজেলা।
৮. হানাদার মুক্ত দিবস : ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর মেহেরপুর জেলা হানাদার
মুক্ত হয় ।
৯. বিশিষ্ট ব্যক্তি : আজাদ শাহ, আ ক ম ইদ্রিস আলীসাধক আতাহার শাহ,
ড. আন্দুর রশিদ, আব্দুল মান্নান, আরজান সাহ, কিরন কুমার ঘোষ, মীর
মোজাফফর আলীপ্রসেনজিৎ বোস বাবুয়া, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, ড.
গোলাম কিবরিয়া, ভবানন্দ মজুমদার, নূরুল হক, মো: শাহ আলম, মো:
জয়নাল আবেদীন, আশরাফ মাহমুদ প্রমুখ ।
১০. ঢাকা থেকে দূরত্ব : সড়ক পথে-২৯৬ কি. মি.।
১১ . যোগাযোগ ব্যবস্থা : বাস : ঢাকা-গাবতলীমেহেরপুর- বাস স্টেশন, কেন্দ্রীয়
বাস স্টেশন মেহেরপুর। এনডব্লিউডি কোড নম্বর : ০৭৯১, পোস্ট কোড
৭১০০।
১২. পত্রপত্রিকা : দৈনিক আযান, মেহেরপুর, সাপ্তাহিক মুজিবনগর, চুম্বক,
পরিচয়, পচিমাঞ্চলমেহেরপুর, পাক্ষিক সীমান্ত, মাসিক সাধক, পল্লীশ্রী।
১৩. পৌরসভা০২টি ও ইউনিয়ন-১৮টি।
১৪. উপজেলা ভূমি অফিস-০৩টি ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস-১৮টি ।
১৫. মৌজার সংখ্যা-১৯৯টি ও গ্রামের সংখ্যা-২৫৯টি ।
১৬. মোট জমি-৬০,১৮৩ হেক্টর ।
১৭. শিক্ষার হার-৩১%।
১৮. উল্লেখযোগ্য ফসল : ধান, আখ, তামাক, পাট, গম, ভুট্টা, সরিষা ও ডাল ।
১৯. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান : প্রাথমিক বিদ্যালয়-২৮০টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয়-৮১টি,
নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়-৩৬টি, কলেজ-০৬টি ও মাদ্রাসা-২৫টি।
২০. ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান : মসজিদ-৯৩০টি, মন্দির-৬৫টি ও গীর্জা-২৫টি।
২১. চিকিৎসা কেন্দ্র : হাসপাতাল-০১টি, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-১১টি, উপ
স্বাস্থ্য কেন্দ্র-৪৩টি, ইউনিয়ন পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র-১২টি, ক্লিনিক-৭২টি ও
কমিউনিটি ক্লিনিক-৪১২টি ।
২২. নদনদীর নাম : ভৈরব, কাজলাছেউটিয়া ও মাথাভাঙ্গা।
২৩দর্শনীয় স্থান ; জীবননগর স্মৃতিসৌধ ও ঐতিহাসিক আম্রকানন, মুজিবনগর
মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স, পৌর ঈদগাহ, মেহেরপুর পৌর কবরস্থান,
মেহেরপুর পৌর হল, মেহেরপুর শহীদ স্মৃতিসৌধ, আমদহ গ্রামের স্থাপত্য
নিদর্শন, সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির, আমঝুপি নীলকুঠি, ভাটপাড়ার নীলকুঠি,
সাহারবাটি ও ভবানন্দপুর মন্দির।
২৪. জেলার ঐতিহ্য : বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তের ছোট একটি জেলা
মেহেরপুর। এ জেলার রয়েছে প্রায় দু'হাজার বছরের প্রাচীন ইতিহাস ও
ঐতিহ্য। বিশেষত ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের
ঘটনায় মেহেরপুরের মুজিবনগর সূতিকাগারের ভূমিকা পালন করায় এ
জেলার ইতিহাস হয়েছে অত্যন্ত গৌরবোজ্জ্বল

ইসমাইল হোসেন