04 May, 2018

সাধারন জ্ঞান ট্যাবঃ ০১


সাধারন জ্ঞান ট্যাবঃ ০১

১.প্রশ্ন : সাগরকন্যা কোন এলাকার ভৌগোলিক নাম?

উত্তর : পটুয়াখালী।

২.প্রশ্ন : আসাদ গেট কোন স্মৃতি রক্ষার্থে নির্মিত?

উত্তর : ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান।

৩.প্রশ্ন : বাংলাদেশের প্রথম মহিলা বিচারপতির নাম কি?

উত্তর : নাজমুন আরা সুলতানা।

৪.প্রশ্ন : বাংলাদেশের সর্বাধিক চা বাগান কোন জেলায় অবস্থিত?

উত্তর : মৌলভীবাজার।

৫.প্রশ্ন : রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন?

উত্তর : জাতীয় সংসদের স্পিকার।

৬.প্রশ্ন : বাংলাদেশের শিশু আইন প্রণীত হয়?

উত্তর : ১৯৭৪ সালে।

৭.প্রশ্ন : আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা?

উত্তর : পার্বত্য রাঙামাটি।

৮.প্রশ্ন : বাঙালি ও যমুনা নদীর সংযোগ হয়েছে?

উত্তর : বগুড়ায়।

৯.প্রশ্ন : স্টেট ডুমা কোন দেশের আইন সভা?

উত্তর : রাশিয়া।

১০.প্রশ্ন : রাখাইন উপজাতিদের অধিক বাস কোন জেলায়?

উত্তর : কক্সবাজার জেলায়।

১১.প্রশ্ন : ইন্দোনেশিয়া কার উপনিবেশ ছিল? উত্তর : নেদারল্যান্ডস।

১২.প্রশ্ন : কিয়োটো প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়েছিল?

উত্তর : ১৯৯৭ সালে।

১৩.প্রশ্ন : ‘গ্রেট মস্ক অব জেনি’ কোন মহাদেশে অবস্থিত?

উত্তর : এশিয়া।

১৪.প্রশ্ন : বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত মাসিক পত্রিকার নাম কী?

উত্তর : উত্তরাধিকার।

১৫.প্রশ্ন : বাতিঘরের জন্য বিখ্যাত দ্বীপ কোনটি?

উত্তর : কুতুবদিয়া।

১৬.প্রশ্ন : ‘রূপসী বাংলাদেশ’ কোন এলাকাকে ঘোষণা দেয়া হয়েছে?

উত্তর : সোনারগাঁয়ের জাদুঘর এলাকাকে।

১৭.প্রশ্ন : বাংলা মুদ্রাক্ষরের জনক কে?

উত্তর : চার্লস উইলকিনস।

১৮.প্রশ্ন : ‘জীবন তরী’ কী?

উত্তর : একটি ভাসমান হাসপাতাল।

১৯.প্রশ্ন : ‘নজরুল মঞ্চ’ কোথায় অবস্থিত? উত্তর : বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গণে।

২০.প্রশ্ন : ভিনসেন্ট ভ্যানগগ কে ছিলেন?

উত্তর : চিত্রকর (নেদারল্যান্ড)।

২১. প্রশ্ন : ‘স্ট্যাচু অফ লিবার্টি’ কোথায় অবস্থিত?

উত্তর : নিউইয়র্ক।

২২.প্রশ্ন : ‘আজাদ প্রাসাদ’ কোথায় অবস্থিত? উত্তর : পর্তুগালের লিসবনে।

২৩.প্রশ্ন : বসফরাস প্রণালি কাকে কাকে পৃথক করেছে?

উত্তর : এশিয়া ও ইউরোপকে।

২৪.প্রশ্ন : বিশ্বের দীর্ঘতম খাল কোনটি?

উত্তর : গ্রান্ডখাল (চীন)।

২৫.প্রশ্ন : মুসলিম সাহিত্য সমাজের প্রতিষ্ঠাতা কে?

উত্তর : নওয়াব আবদুল লতিফ।

২৬। প্রশ্ন:বিশ্বের দীর্ঘতম রেলওয়ে টানেলের নাম কি ?

উত্তর : গোথার্ড বেস টানেল (সুইারল্যান্ড এবং ইতালি )

২৭। প্রশ্ন:সম্প্রতি কোন দেশে জনসমক্ষে ধূমপান নিষিদ্ধ আইন কার্যকর হয়?

উত্তর : স্পেনে।

03 May, 2018

রাজবাড়ী জেলার ইতিহাস


১. সৃষ্টির প্রেক্ষাপট : বর্তমান রাজবাড়ী জেলা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জেলার
অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৭৬৫ সালে ইংরেজরা ক্ষমতা লাভের পর রাজশাহীর অন্ত
ভূক্ত ছিল। পরবর্তীতে এক সময় যশোর জেলার অংশ ছিল। ১৮১১ সালে।
ফরিদপুর জেলা সৃষ্টি হলে রাজবাড়ীকে এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ১৮৫৯ সালে।
পাংশা ও বালিয়াকান্দিকে নবগঠিত কুমারখালী মহকুমার অধীনে নেয়া হয়।
১৮৭১ সালে গোয়ালন্দ মহকুমা গঠিত হলে পাংশা ও রাজবাড়ী এ নতুন
মহকুমার সঙ্গে যুক্ত হয় এবং রাজবাড়ীতে মহকুমা সদর দফতর স্থাপিত
হয় । ১৯৮৩ সালে সরকার প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে প্রতিটি
থানাকে মান উন্নীত থানায় রূপান্তরিত করলে রাজবাড়ীকে মান উন্নীত থানা
ঘোষণা করা হয়। ১৯৮৩ সালের ১৮ জুলাই থেকে সরকার অধ্যাদেশ জারি
করে সকল মান উন্নীত থানাকে উপজেলায় রূপান্তরিত করার ফলে রাজবাড়ী।
উপজেলা হয়। গোয়ালন্দ মহকুমার প্রশাসনিক দফতর রাজবাড়ীতে থাকায়
অবশেষে ১৯৮৪ সালের ১ মার্চ সকল মহকুমাকে জেলা হিসেবে ঘোষণা করা
হয়। সে থেকে রাজবাড়ী জেলার সৃষ্টি হয়।

২. নামকরণ : মতান্তরে রাজা সূৰ্য কুমারের নামানুসারে রাজবাড়ীর নামকরণ
হয়। রাজা সূৰ্য কুমারের পিতামহ প্ৰরুরাম নবাব সিরাজ-উদ-দৌল্যার
রাজকর্মচারী থাকাকালীন কোন কারণে ইংরেজদের বিরাগভাজন হলে
পলাশীর যুদ্ধের পর লক্ষ্মীকোলে এসে আত্মগোপন করেন। পরে তার পুত্র
দ্বিগেন্দ্র প্রসাদ এ অঞ্চলে জমিদারী গড়ে তোলেন। তারই পুত্র রাজা সূর্য
কুমার ১৮৮৫ সালে জনহিতকর কাজের জন্য রাজা উপাধি প্রাপ্ত হন।
রাজবাড়ী রেল স্টেশন-এর নামকরণ করা হয় ১৮৯০ সালে । বিভিন্ন তথ্য
হতে জানা যায়, রাজবাড়ী রেল স্টেশনের নামকরণ রাজা সুর্য কুমারের
নামানুসারে করার দাবি তোলা হলে বানিবহের জমিদারগণ প্রবল আপত্তি
তোলেন। বর্তমানে যে স্থানটিতে । রাজবাড়ী রেল স্টেশন অবস্থিত। উক্ত
জমির মালিকানা ছিল বানিবহের জমিদারগণের। তাদের প্রতিবাদের পরেও
স্টেশনের নাম রাজবাড়ীই থেকে যায় । এ সকল বিশ্লেষণ থেকে ধারণা করা
হয়, রাজবাড়ী নামটি বহু পূর্ব থেকেই প্রচলিত ছিল। এলাকার মাওয়ারা
প্রধান, জমিদার, প্ৰতিপত্তিশালী ব্যক্তিগণ রাজা বলে অভিহিত হতেন। তবে
রাজা সূৰ্য কুমার ও তার পূর্বপুরুষদের লক্ষ্মীকোলের বাড়িটি লোকমুখে
রাজার বাড়ি বলে সমধিক পরিচিত ছিল। এভাবেই আজকের রাজবাড়ী।

৩. আয়তন (প্রায়) : ১১১৮.৮ বর্গ কিলোমিটার।

৪. লোকসংখ্যা : মোট-(প্রায়) ১০,৪৯,৭৭৮ জন। পুরুষ- ৫,১৯,৯৯৯ ও
মহিলা-৫,২৯,৭৭৯ । বৃদ্ধির হার : ০.৯৭% ও ঘনত্ব (বৰ্গ কি. মি.) : ৯৬১
জন।

৫. উপজেলার সংখ্যা ও নাম। ০৪টি। বালিয়াকান্দি, রাজবাড়ী সদর, পাংশা ও
গোয়ালন্দঘাট ।

৬. থানার সংখ্যা ও নাম : ০৪টি । রাজবাড়ী, গোয়ালন্দ, পাংশা ও
বালিয়াকান্দি ।

৭. সংসদীয় আসন : ০২টি। (১) রাজবাড়ী সদর ও গোয়ালন্দ উপজেলা। (২)
পাংশা ও বালিয়াকান্দি উপজেলা ।

৮. বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ : রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই, ওহাব আলী বিশ্বাস, রাম
কানাই শীল, তমিজ উদ্দিন খান, হাজেরা নজরুল, ওবায়দুল ইসলাম, ড.
কাজী মোতাহার হোসেন, এয়াকুব আলী চৌধুরী ও মনসুর উল করিম।

৯. ঢাকা থেকে দূরত্ব : সড়ক পথে১৩৬ কি. মি. ও রেলপথে-৫৪৬ কি. মি.।

১০ . যোগাযোগ ব্যবস্থা : বাস। ঢাকা-রাজবাড়ী বাস স্টেশন রাজবাড়ী,
দৌলতদিয়া ঘাট বাস স্টেশন, গোয়ালন্দ, পাংশা বাস স্টেশন, পাংশা । রেল:
রাজবাড়ী রেলওয়ে স্টেশন, গোয়ালন্দ রেলওয়ে স্টেশন-কালুখালী রেলওয়ে
জংশন, রতনদিয়া পাংশা । লঞ্চ : দৌলতদিয়া ঘাট, গোয়ালন্দ,
ধাওয়াপাড়াঘাট-সূর্যনগর ইত্যাদি। এনডব্লিউডি কোড নম্বর : ০৬৪১ ও
পোষ্ট কোড-৭৭০০।

১১ . পত্রপত্রিকা : দৈনিক মাতৃকণ্ঠ, জনতার আদালত, সাপ্তাহিক সাহসী সময়,
রাজবাড়ী সংবাদ, রাজবাড়ী কণ্ঠ ও অনুসন্ধান।

১২. পৌরসভা-০৩টি ও ইউনিয়ন-৪২টি।

১৩. উপজেলা ভূমি অফিস-০২টি ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস-৪৩টি।

১৪. মৌজার সংখ্যা- ৮৫৮ টি ও গ্রামের সংখ্যা-১০৩৬ টি ।

১৫. মোট জমি-১,১২,৭৭৬ একর ও আদর্শ গ্রাম-১০টি।

১৬. শিক্ষার হার-৪৮.৪১%।

১৭. উল্লেখযোগ্য ফসল : ধান, পাট, ইস্, , তামাক, বেগুন, সরিষা ও ভুটা।

১৮শিক্ষা প্রতিষ্ঠান : প্রাথমিক বিদ্যালয়-৩১৭টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয়-১৪০টি,
কলেজ-২৫টি ও মাদ্রাসা-১২২টি ।

১৯. ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান : মসজিদ-১,২৩৫টি, মন্দির-১০৫টি ও গীর্জা-০৪টি।

২০. চিকিৎসা কেন্দ্র : হাসপাতাল-০১টি, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-০৩টি, উপ
স্বাস্থ্য কেন্দ্র-২৮টি, পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র-২২টি ও ক্লিনিক-২৪৪টি।

২১. নদনদীর নাম : পদ্মাগড়াই, চন্দনাচিত্রা ও কুমার।

২২.দর্শনীয় স্থান। ; কথাসাহিত্যিক মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি কমপ্লেক্স,
এাক্রোবেটিক সেন্টার, রাজবাড়ী সুইমিং পুল, কুটি পাটুরিয়া জমিদার বাড়ি,
গোদার বাজার পদ্মা নদীর তীর ও রাজবাড়ী উদ্যান বেস।

২৩. জেলার ঐতিহ্য : রাজবাড়ী মূলত রেল শহর । উনবিংশ শতাব্দী থেকে
রাজবাড়ীর যে অর্থনৈতিক বুনিয়াদি গড়ে উঠেছে তা রেলকে কেন্দ্র করে।
প্রথমে রেল গোয়ালন্দ ঘাট পর্যন্ত বিস্তৃত হলেও ঘাটের ভাসন এবং ঘাট
রাজবাড়ী শহরের অদূরে অব্যাহত হওয়ায় রেলের সকল স্থাপনা বর্তমান
রাজবাড়ী শহর এলাকায় গড়ে উঠে যা এ জেলার ঐতিহ্য বহন করে।

নেত্রকোনা জেলার ইতিহাস


১. সৃষ্টির প্রেক্ষাপট : ব্রিটিশ শাসনামলে ১৮৮০ খ্রি: নেত্রকোনা মহকুমা মঞ্জুর
করে ১৮৮২ সালের ৩ জানুয়ারি থেকে নেত্রকোনা মহকুমার কাজ শুরু হয়।
পাকিস্তান আমলে নেত্রকোনা মহকুমাকে জেলায় উন্নীত করার জন্য গণদাবি
উঠে । সে দাবি পূরণের লক্ষ্যে ১৯৬২ সালে সরকার কেন্দুয়ায় জেলা সদর
স্থাপনের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ করেছিল। কিন্তু, সরকারের সে পরিকল্পনা
বাস্তবায়ন হয়নি। ১৯৮৪ সালে ১৭ জানুয়ারি নেত্রকোনা মহকুমাকে জেলা
ঘোষণা করা হয় ।

২. নামকরণ : নবাব মুর্শিদকুলী খায়ের শাসন আমলে নেত্রকোনা নামের
উৎপত্তি। জানা যায়, নেত্রকোনা শহরের উত্তরে নাটেরকোনা নামে একটি
গ্রাম ছিল । ইংরেজ কর্মকর্তা ড্যাম্পিয়ার নাটেরকোনা গ্রামে সর্বপ্রথম
প্রশাসনের কাজ শুরু করেন। ইংরেজদের উচ্চারণে নাটেরকোনা বা
নেটেরকোনা বা নেতেরকোনা শব্দে রূপান্তরিত হয়। সেখান থেকেই
পরিবর্তিত হয়ে নেত্রকোনা নামকরণ করা হয়েছে।
৩. আয়তন ঃ (প্রায়) ২,৮১০ বৰ্গ কি. মি. ।

৪. লোকসংখ্যা : মোট-(প্রায়) ২২,২৯,৬৪২ জন। পুরুষ-১১,১১,৩০৬ ও
মহিলা-১১,১৮,৩৩৬ । বৃদ্ধির হার : ১.১৩% ও ঘনত্ব (বৰ্গ কি. মি.) : ৭৯৮
জন ।

৫. উপজেলার সংখ্যা ও নাম : ১০টি। নেত্রকোনা সদর, আটপাড়া,
খালিয়াজুরি, বারহাট্টা, মদন, পূর্বধলা, কেন্দুয়ামহনগঞ্জ, কলমাকান্দা ও
দুর্গাপুর ।

৬. থানার সংখ্যা ও নাম : ১০টি । নেত্রকোনা সদর, মোহনগঞ্জ, মদন,
খালিয়াজুরি, কেন্দুয়া, দুর্গাপুর, কলমাকান্দাআটপারাবারহাট্টা ও পূর্বধলা।
সীমান্ত পুলিশ ফাড়ি-০৮টি ।

৭. সংসদীয় আসন : ০৫টি। (১) কমলাকান্দা ও দুর্গাপুর উপজেলা। (২)
মৌগাতি ইউনিয়ন ব্যতীত নেত্রকোনা সদর উপজেলা। (৩) আটপাড়া ও
কেন্দুয়া উপজেলা । (৪) মোহনগঞ্জ, মদর ও খালিয়াজুরি উপজেলা। (৫)
পূর্বধলা উপজেলা ও নেত্রকোনা সদর উপজেলার মৌগাতি ইউনিয়ন।

৮. বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ : কমরেড মনি সিংহ, রাণী মাতা রাসমনি, সিরাজ উদ্দিন
কাশেমপুরী, খালেকদাদ চৌধুরী, রওশন ইজদানী, ড. এম ইন্নাছ আলীড.
মুহাম্মদ জাফর ইকবাল, ড. হুমায়ুন আহমেদ, বিচারপতি সাহাবউদ্দিন,
আন্দুল মোমিন, কর্নেল আবু তাহের (বীর বিক্রম), মোস্তফা জব্বার, জয়া
বচ্চন, এলাহী নেওয়াজ খান প্রমুখ।

৯. ঢাকা থেকে দূরত্ব : সড়ক পথে-১৫৯কি. মি. ও রেলপথে-১৩০ কি. মি.।

১০ যোগাযোগ ব্যবস্থা : বাস- ঢাকা- ফুলবাড়িয়া বিআরটিসি বাস স্টেশন,
মহাখালী-নেত্রকোনা বাস স্টেশন, মোড়লগঞ্জ, ঢাকা বাস স্টেশন। রেল।
কমলাপুর-নেত্রকোনা রেলওয়ে স্টেশন, নেত্রকোণা রেলওয়ে স্টেশন।
ইত্যাদি । এনডব্লিউডি কোড নম্বর : ০৯৫১ ও পোস্ট কোড-২৪০০।

১১ পত্রপত্রিকা : দৈনিক জননেত্র, বাংলার দর্পণ ও দেশ কণ্ঠস্বর।

১২. পৌরসভা০৫টি ও ইউনিয়ন-৮৬টি।

১৩. উপজেলা ভূমি অফিস-১০টি।

১৪. মৌজার সংখ্যা-১০১৪টি ও গ্রামের সংখ্যা-২,২৯৯টি।

১৫. শিক্ষার হার-৩৪.৯৪%।
১৬, উল্লেখযোগ্য ফসল : ধান, পাট, ইস্, আলু, তামাক, বেগুন, সরিষা ও ভুটা।

১৭. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান : প্রাথমিক বিদ্যালয়-১২৩৭টি, জুনিয়র বিদ্যালয়-৫৯টি,
উচ্চ বিদ্যালয়-১৮৭টি, কলেজ-২৭টি ও মাদ্রাসা-৩১০টি।

১৮. ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান : মসজিদ-৪,২০০টি।

১৯. চিকিৎসা কেন্দ্র হাসপাতাল-০১টি, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-১০টি,
ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র-৬২টি ও ক্লিনিক-২৪৪টি
২০. নদনদীর নাম : কংশ, বাউলাই, সোমেশ্বরীমুগর ইত্যাদি।

২১. দর্শনীয় স্থান বিজয়পুর পাহাড়ে চিনামাটির নৈসর্গীয় দৃশ্য, টংক
আন্দোলনের স্মৃতিসৌধ, রাণীথং মিশন টিলাতে ক্যাথলিক গিজাবিরিশিরি
কালচারাল একাডেমী, কমলা রাণীর দীঘি, কথিত নইদ্যা ঠাকুরের ভিটা,
রাশমনি স্মৃতিসৌধ, লেগুরাচেংটি, গোবিন্দপুরের পাহাড়ের নৈসর্গীয় দৃশ্য,
সাত শহীদের মাজার, হযরত শাহ সুলতান কমর উদ্দিন রুমী (রা:)-এর
মাজার ও রোয়াইলবাড়ীর পুরাকীতি।

২২. জেলার ঐতিহ্য : নেত্রকোনা জেলায় অনেক প্রাচীন স্থাপত্য রয়েছে। সে
সকল স্থাপত্য অধিকাংশই ধ্বংস হয়ে গেছে। কিন্তু, স্থাপত্য এখনও
ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে । চানগাঁও গ্রামে একটি প্রাচীন মসজিদ

শেরপুর জেলার ইতিহাস


১. সৃষ্টির প্রেক্ষাপট : শেরপুর রাজ্যের রাজধানী ছিল গড়জরিপা। বর্তমান
গাজীর থানার ইউনিয়নের গিন্দাপাড়ায় ফকির বাড়িতে শের আলী গাজীর
মাজার এবং নকলা উপজেলার রুনী গায়ে গাজীর দরগাহ অবস্থিত । বৃটিশ
আমলে এবং পাকিস্তান আমলে নাম হয় শেরপুর সার্কেল। বাংলাদেশ স্বাধীন
হওয়ার পর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
শেরপুরকে ৬১তম জেলা ঘোষণা করেন। কিন্তু, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
পরিবর্তনে স্থগিত হয়ে যায়। ১৯৭৯ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
শেরপুরকে মহকুমা১৯৮৪ সালে রাষ্ট্রপতি এরশাদ শেরপুরকে জেলায়
উন্নীত করেন।

২. নামকরণ : বাংলার নবাবী আমলে গাজী বংশের শেষ জমিদার শের আলী
গাজী দশ কাহনিয়া অঞ্চল দখল করে স্বাধীনভাবে রাজত্ব করেন। এই
শেরআলী গাজীর নামে দশ কাহনিয়ার নাম হয় শেরপুর।

৩. আয়তন : (প্রায়) ১৩৬৩.৭৬ বৰ্গ কি. মি.।

৪. লোকসংখ্যা : মোট- (প্রায়) ১৩৫৮,৩২৫ জন। পুরুষ-৬৭৬৩৮৮ ও
মহিলা-৬,৮১,৯৩৭ । বৃদ্ধির হার : ০.৫৯% ও ঘনত্ব (বৰ্গ মি. মি.) : ৯৯৫
জন ।

৫. উপজেলার সংখ্যা ও নাম : ০৫টি। শেরপুর সদর, ঝিনাইগাতি, শ্রীবর্দী,
নকলা ও নালিতাবাড়ী।

৬. থানার সংখ্যা ও নাম : ০৫টি। শেরপুর সদর, নকলানালিতাবাড়ীশ্রীবর্দী
ও ঝিনাইগাতী ।

৭. সংসদীয় আসন : ০৩টি। (১) শেরপুর সদর উপজেলা । (২) নকলা
নালিতাবাড়ী উপজেলা। (৩) শ্রীবর্দীঝিনাইগাতী উপজেলা

৮. বিশিষ্ট ব্যক্তি : মো: আলী আযম, অধ্যাপক মুসলিম উদ্দিন, গোলাম রহমান
রতন, নাট্যকার আন্দুল্লাহ আল মামুন, বেগম মতিয়া চৌধুরী, শাহ রফিকুল
বারী চৌধুরী, মো: মাহমুদুল হক, ডা. নাদেরুজ্জামান, মো: লুৎফর রহমান,
মোকসেদুর রহমান প্রমুখ।

৯. ঢাকা থেকে দূরত্ব : সড়ক পথে-২০৩ কিলোমিটার।

১০. যোগাযোগ ব্যবস্থা : বাস : ঢাকা-মহাখালী শেরপুর বাস স্টেশন, শেরপুর
কেন্দ্রীয় বাস স্টেশন ইত্যাদি। এনডব্লিউডি কোড নম্বর : ০৯৩১ ও পোস্ট
কোড- ২১০০।

১১. পত্রপত্রিকা : দৈনিক তথ্যধারা, সাপ্তাহিক দশকাহনীয়, শেরপুর ও চলতি খবর।

১২. পৌরসভা-০৪টি ও ইউনিয়ন-৫২টি।

১৩. উপজেলা ভূমি অফিস-০৩টি।

১৪. মৌজার সংখ্যা-৪৫৭টি ও গ্রামের সংখ্যা-৬৭৮টি ।

১৫. মোট পরিবার-৩৩৫৩৫৩টি।

১৬. মোট জমি-১০৬৪৬৭ হেক্টর।

১৭. শিক্ষার হার-৩৮.০৪%।

১৮. উল্লেখযোগ্য ফসল : ধান, পাট, আলু, মরিচ, গম, বাদাম, সরিষা ও ভুটা ।

১৯. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান : প্রাথমিক বিদ্যালয়-৬১৭টি, কমিউনিটি স্কুল-১৮টি, নিম্ন
মাধ্যমিক বিদ্যালয়-৩৩টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয়-১৩৯টি, কলেজ-৩৬টি,
মাদ্রাসা-১২০টি ও অন্যান্য স্কুল-২০টি।

২০. ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান : মসজিদ-১,৭৪৯টি, মন্দির-৫৮টি ও গীর্জা-২৯টি।

২১. চিকিৎসা কেন্দ্র : হাসপাতাল-০১টি, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-০৪টি,
ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্ৰ-০৮টি, পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র-৭০টি, ক্লিনিক-০৫টি ও
কমিউনিটি ক্লিনিক-১২৩টি।

২২. নদনদীর নাম : ব্রহ্মপুত্র, ভোগাই, নিতাই, কংশ, সোমেশ্বরী, মহারম্মি ও
মালিঝি ।

২৩. দর্শনীয় স্থান : গজনী, মধুটিলা ইকোপার্ক, শের আলী গাজীর মাজার, জরিগ
শাহ এর- মাজার, বার দুয়ারী মসজিদ, ঘাগড়া লফার খান মসজিদ ও
মাইসাহেবা জামে মসজিদ।

২৪. জেলার ঐতিহ্য : ঘাগড়া থান বাড়ি মসজিদ, মাই সাহেবা মসজিদ, গড়
জরিপা বার দুয়ারী মসজিদ, পৌনে তিন আনি জমিদার বাড়ি, রং মহল
ইত্যাদি এ জেলার অন্যতম ঐতিহ্য।

02 May, 2018

জামালপুর জেলার ইতিহাস


১. সৃষ্টির প্রেক্ষাপট ; জামালপুর ময়মনসিংহ জেলার মধ্যে প্রথম মহকুমা হিসেবে
১৮৪৫ সালে মর্যাদা পায়। মহকুমা সৃষ্টি হওয়ার পর বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের
পথ পাড়ি দিয়ে ১৩৩ বছর পর ১৯৭৮ সালের ২৬ ডিসেম্বর জেলার মর্যাদা
যায়।

২. নামকরণ : জামালপুর জেলার ইতিহাস সম্পর্কে সঠিকভাবে ধারণা পেতে হলে।
প্রখ্যাত আউলিয়া হযরত জামাল (র:) ও হযরত শাহ কামাল (র:) এ দুই বুজুর্গ
ব্যক্তির নাম স্মরণ করতে হয়। ইসলাম তথা মানবতার বাণী প্রচারের জন্য
হযরত শাহ জামাল (র:) দিল্লীর বাদশাহ আকবরের সময়কালে সুদূর ইয়েমেন
থেকে ইসলাম প্রচারের জন্য জামালপুরে উপস্থিত হন। জামালপুর শহরের আদি
নাম সিংহজানী। হযরত শাহ জামালের (র:) নামে কোন মৌজা, গ্রাম ও হাট
বাজার কিছুই ছিল না। এ পুণ্যবান ব্যক্তির মাজার শরীফ জামালপুর শহরে
অবস্থিত। তার নামেই এ জেলার নামকরণ করা হয়েছে।

৩. আয়তন : (প্রায়) ২০৩১.৯৮ বর্গ কি. মি.।

৪. লোকসংখ্যা : মোট-(প্রায়) ২২,৯২,৬৭৪ জন। পুরুষ-১১,২৮,৭২৪ ও মহিলা
১১,৬৩,৯৫০। বৃদ্ধির ও ঘনত্ব (বৰ্গ কি. মি.
হার : ০.৮৩% : ১০৮৪ ।
) জন

৫. উপজেলার সংখ্যা ও নাম : ০৭টি। জামালপুর সদর, সরিষাবাড়ীমাদারগঞ্জ,
মেলান্দহ, বকসীগঞ্জ, ইসলামপুর ও দেওয়ানগঞ্জ ।

৬. থানার সংখ্যা ও নাম : ০৯টি। জামালপুর সদর, তারাকান্দি, ইসলামপুর,
দেওয়ানগঞ্জসরিয়াবাড়ী, মেলান্দহ, বকশীগঞ্জ, মাদারগঞ্জ ও বাহাদুরাবাদঘাট
নৌ থানা ।

৭. সংসদীয় আসন : ০৫টি। (১) দেওয়ানগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ (২) ইসলামপুর ও
মেলান্দহ উপজেলার নিম্নবর্ণিত ইউনিয়নসমূহ ; শ্যামপুর ও মাহমুদপুর। (৩)
মাদারগঞ্জ উপজেলা ও নিম্নবর্ণিত ইউনিয়নসমূহ ব্যতীত মেলান্দহ উপজেলা :
শ্যামপুর ও মাহমুদপুর। (৪) সরিষাবাড়ী উপজেলা ও জামালপুর সদর
উপজেলার নিম্নবর্ণিত ইউনিয়নসমূহ : মেষ্টা ও তিতপল্লা। (৫) নিম্নবর্ণিত
ইউনিয়নসমূহ ব্যতীত জামালপুর সদর উপজেলা : মেষ্টা ও তিতপল্লা।

৮. বিশিষ্ট ব্যক্তি চলচিত্রে বাংলার মুকুটবিহীন সম্রাট আনোয়ার হোসেন,
চলচিত্রকার আমজাদ হোসেন, নাট্যব্যক্তিত্ব আন্দুল্লাহ আল মামুন, গীতিকার
মরহুম নজরুল ইসলাম বাবু, এম এস হুদাগিয়াস মাস্টার, হাসান হাফিজুর
রহমান, স্পীকার আন্দুল করিম, আন্দুল জব্বার, আ: ওয়াদুদ মাস্টার, প্রিন্সিপাল
রইছ উদ্দিন, আলেক মাহমুদ তালুকদার, নঈম মিয়া, নলিনী মোহন দাস, মাখন।
বাবু, এড. আনোয়ারুজ্জামান, কাদা মিয়া, ড. আতিউর রহমান, গোলাম
রব্বানী, আন্দুর রশিদ, মজিবর রহমান, আবুল কালাম আজাদ প্রমূখ।

৯. ঢাকা থেকে দূরত্ব : সড়ক পথে-১৯০ কি. মি. ও রেলপথে-১৭৭ কি. মি.।

১০. যোগাযোগ ব্যবস্থা : বাস : ঢাকা-জামালপুর বাস স্টেশন, ঢাকা-কল্যাণপুর বাস
স্টেশন, জামালপুর কেন্দ্রীয় বাস স্টেশন। রেল। : ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে
স্টেশন ইত্যাদি। এনডব্লিউডি কোড নম্বর : ০৯৮১ ও পোস্ট কোড-২০০০।

১১. পত্রপত্রিকা : দৈনিক আজকের জামালপুর, পল্লী কণ্ঠ প্রতিদিন, নবতান, সচেতন ।
কণ্ঠ, মুক্ত আলোপল্লীর আলোসাপ্তাহিক জামালপুর সংবাদ ও নতুন যুগ ।

১২. পৌরসভা০৬টি ও ইউনিয়ন-৬৮টি।

১৩. উপজেলা ভূমি অফিস-০৭টি ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস-৬৮টি।

১৪. মৌজার সংখ্যা৮৪৪টি ও গ্রামের সংখ্যা-১,৩৬২টি।

১৫. মোট জমি-৫,১২,৮১৯ একর।

১৬. আদর্শ গ্রাম-৩৪টি।

১৭. শিক্ষার হার-৩২%।

১৮. উল্লেখযোগ ফসল : ধান, পাট, ইক্ষু, আলু, তামাক, বেগুন, সরিষা ও ভুটা।

১৯. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান : প্রাথমিক বিদ্যালয়-৯৭৮টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয়-৩১৪টি,
কলেজ-৩৬টি, মাদ্রাসা-১৮৬টি ও ভোকেশনাল স্কুল-১৬টি।

২০. ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান : মসজিদ-৩,৩৪০টি, মন্দির-৪৪টি ও গীর্জা-৩৯টি।

২১. চিকিৎসা কেন্দ্র : হাসপাতাল-০১টি, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-০৬টি, ইউনিয়ন
স্বাস্থ্য কেন্দ্র-২৮টি, পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র-৩২ ও ক্লিনিক-১৫৮টি।

২২. নদনদীর নাম : যমুনাব্রহ্মপুত্র ও ঝিনাই ।

২৩. দর্শনীয় স্থান : হযরত শাহ জামাল (র:)-এর মাজার শরীফ, হযরত শাহ কামাল
(র:)-এর মাজার শরীফ, দয়াময়ী মন্দির, লাউচাপড়া পিকনিক স্পট
পর্যটক/অবকাশ যাপনকারীদের জন্য পাহাড়ের পাদদেশে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যময়
স্থান এবং পাহাড়ের উপর পর্যবেক্ষণ টাওয়ার, যমুনা ফার্টিলাইজার ও জিল।
বাংলা চিনিকল।

২৪. জেলার ঐতিহ্য : ভাষা, লোক সংস্কৃতি ও বিভিন্ন ধরনের খেলা।

মাদারীপুর জেলার ইতিহাস


১. সৃষ্টির প্রেক্ষাপট : ফরায়েজি আন্দোলনের মহান নেতা হাজী শরীয়ত উল্লাহ,
পীর মোহসিন উদ্দিন দুদু মিয়াউপমহাদেশের আদিপুরুষ অম্বিকাচরণ।
মজুমদারসহ বহু প্রথিতযথা ব্যক্তির পুণ্যভূমি মাদারীপুর জেলা। কখনো
চন্দ্রদ্বীপ, কখনো ঢাকা, কখনো ফরিদপুরের সাথে প্রশাসনিকভাবে একত্রিত
থাকলেও ১৯৮৪ সালের ৩১ মার্চ নতুন জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

2. নামকরণ : মাদারীপুর জেলার নামের উৎপত্তি সম্পর্কে জানা যায়,
মুসলমানগণ গৌড় জয় করার কিছুকাল পরে ভারত থেকে আগত সুফি
সাধক হযরত বদর উদ্দিন শাহ মাদার (র:) আসেন ধর্ম প্রচারের জন্য ।
ধারণা করা হয়, সাধক হযরত বদর উদ্দিন শাহ মাদার (র:)- এর
নামানুসারে মাদারীপুর নামকরণ করা হয়।

৩. আয়তন : (প্রায়) ১১৪৪.৯৬ বর্গ কি. মি.।

৪. লোকসংখ্যা : মোট- (প্রায়) ১১,৬৫,৯৫২ জন। পুরুষ- ৫,৭৪,৫৮২ ও
মহিলা-৫,৯১,৩৭০ ৷ বৃদ্ধির হার : ০.১৭% ও ঘনত্ব (বৰ্গ কি. মি.) : ১০৩৬
জন ।

৫. উপজেলার সংখ্যা ও নাম : ০৪টি। মাদারীপুর সদর, রাজৈরকালকিনি ও
শিবচর ।

৬. থানার সংখ্যা ও নাম : ০৫টি। মাদারীপুর, শিবচর, রাজৈর, কালকিনি ও ডাসার ।
৭. সংসদীয় আসন : ০৩টি। (১) শিবচর উপজেলা । (২) নিম্নবর্ণিত ইউনিয়ন।
ব্যতীত মাদারীপুর সদর উপজেলা : খোয়াজপুর, ঝাউদি, ঘটমাঝি,
মৰ্ম্মফাপুর ও কেন্দুয়া এবং রাজৈর উপজেলা । (৩) কালকিনি উপজেলা ও
মাদারীপুর সদর উপজেলার নিম্নবর্ণিত ইউনিয়নসমূহ ; খোয়াজপুর, ঝাউদি,
ঘটমাঝি, মক্সফাপুর ও কেন্দুয়া ।

৮. হানাদার মুক্ত দিবস : ১৯৭১ সালের ৮ ডিসেম্বর মাদারীপুর জেলা হানাদার
মুক্ত হয়।

৯. বিশিষ্ট ব্যক্তি : চিত্রপ্রিয় রায় চৌধুরী, নীরেন্দ্রনাথ দাশগুপ্ত, খান সাহেব
আলিমুদ্দিন আহম্মদ, মনোরঞ্জন সেনগুপ্ত, পূৰ্ণচন্দ্র দাস, যতীন্দ্রনাথ, পুলিশ
দাস, ড. ফজলুর রহমান খান, পীরমোহসিন উদ্দিন দুদু মিয়া, অম্বিকাচরণ।
মজুমদার, স্বামী প্রণবানন্দ মহারাজ, যোগেশচন্দ্র বিশ্বাস, ফনিভূষণ।
মজুমদার, ডা: জোহরা কাজী, কাজী আশরাফ মাহমুদ ও রায় বাহাদুর
রজনীকান্ত চট্টোপাধ্যায় ।

১০. ঢাকা থেকে দূরত্ব : সড়ক পথে-২২৯ কি. মি.।

১১. যোগাযোগ ব্যবস্থা। : বাস- ঢাকা-সায়েদাবাদ-মাদারীপুর বাস স্টেশন, আন্ত
জেলা বাস স্টেশন মাদারীপুর। লঞ্চ : সদরঘাট-মাদারীপুর লঞ্চ ঘাট।
এনডব্লিউডি কোড নম্বর : ০৬৬১ ও পোস্ট কোড-৭৯০০।

১২. পত্রপত্রিকা । দৈনিক সুবর্ণগ্রাম, বিশ্লেষণ, পান্ত, টেকেরহাট, সাপ্তাহিক
আনন্দবাংলা, বর্তমান ইশারা, সুবাৰ্তা, শরীয়ত উল্লাহ, আশ্বাস প্রমূখ।

১৩. পৌরসভা-০৩টি ও ইউনিয়ন-৫৮টি।

১৪. উপজেলা ভূমি অফিস-০৪টি ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস-৫৮টি।

১৫. মৌজার সংখ্যা-৬৮৬টি ও গ্রামের সংখ্যা-১,০৬৯ টি।

১৬. মোট জমি-১,১৭,১২১ হেক্টর।

১৭. শিক্ষার হার-৬২%।

১৮. উল্লেখযোগ্য ফসল : ধান, পাট, তামাক, আলু, আখ ও শাক-সবজি।

১৯. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান : প্রাথমিক বিদ্যালয়-৬৭৭টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয়-১৫৫টি,
কলেজ-২১ টি ও মাদ্রাসা-৬৯টি ।

২০. ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান : মসজিদ-৩৩৬৬টি, মন্দির-৩৩০টি ও গীর্জা-০৭টি ।

২১. চিকিৎসা কেন্দ্র : হাসপাতাল-০১টি, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-০৩টি,
ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র-৫০টি ও ক্লিনিক-০৬টি।

২২. নদনদীর নাম : পদ্মামেঘনা ও আড়িয়াল খাঁ ।

২৩.দর্শনীয় স্থান : শুকনী লেক, সেনাপতির দীঘি, হাজী শরীয়ত উল্লাহর বাড়ি,
শ্রী শ্রী প্রণবমঠ ও শামিত্মকেন্দ্র।

01 May, 2018

শরীয়তপুর জেলার ইতিহাস


১. সৃষ্টির প্রেক্ষাপট : স্বাধীনতা পরবর্তীকালে জেলাটি ফরিদপুরের মাদারীপুর
মহকুমার অন্তর্ভুক্ত ছিল । ১৯৮৪ সালে শরীয়তপুর নামে আলাদা জেলার
সৃষ্টি হয়।
২. নামকরণ । ১৯৭৭ সালের নভেম্বর বিশিষ্ট সমাজ সংস্কারক ও ব্রিটিশ
বিরোধী আন্দোলনের নেতা হাজী শরীয়ত উল্লাহর নামানুসারে শরীয়তপুর
নামকরণ করা হয় ।
৩. আয়তন : (প্রায়) ১১৮১ বৰ্গ কি. মি.।
৪. লোকসংখ্যা : মোট-(প্রায়) ১১৫৫,৮২৪ জন। পুরুষ-৫,৫৯,০৭৫ ও
মহিলা-৫,৯৬,৭৪৯ । বৃদ্ধির হার : ০.৬৫% ও ঘনত্ব (বৰ্গ কি. মি.) : ৯৮৪
জন ।
৫. উপজেলার সংখ্যা ও নাম : ০৬ টি। শরীয়তপুর সদর, ডামুড্যানড়িয়া,
জাজিরা, ভেদরগঞ্জ ও গোসাইরহাট।
৬. থানার সংখ্যা ও নাম : ০৭টি। সখিপুর, ডামুড্যানড়িয়া, জাজিরা
ভেদরগঞ্জ, পালং ও গোসাইরহাট।
৭. সংসদীয় আসন : ০৩টি। (১) শরীয়তপুর সদর ও জাজিরা উপজেলা। (২)
নড়িয়া উপজেলা ও ভেদরগঞ্জ উপজেলার নিম্নবর্ণিত ইউনিয়নসমূহ
চরভাগাচরসেনসাস, দক্ষিণ তারাবুনিয়া, কাচিকাটা, সখিপুর, উত্তর
তারাবুনিয়া, ডি.এম খালী, আর্শিনগর ও চরকুমারিয়া। (৩) ডামুড্যা ও
গোসাইরহাট উপজেলা এবং ভেদরগঞ্জ উপজেলার নিম্নবর্ণিত ইউনিয়নসমূহ
ব্যতীত : চরভাগা, চরসেনসাস, দক্ষিণ তারাবুনিয়া, কাচিকাটা, সখিপুর,
উত্তর তারাবুনিয়া, ডি.এম খালী, আর্শিনগর ও চরকুমারিয়া ।
৮. বিশিষ্ট ব্যক্তি : অতুল প্রসাদ সেন, এম আজিজুল হক, আতাউল হক,
আন্দুর রাজ্জাক, আবু ইসহাক, এম এ রেজা, গীতা দত্তগুরুপ্রসাদ সেন,
গোপাল চন্দ্ৰ ভট্টাচার্য, দেবদাস চক্রবর্তী, গোষ্ট পাল, পুনিল বিহারী দাস,
রাম ঠাকুর, কর্নেল (অব:) শওকত আলীশামীম সিকদার, হাজী শরীয়ত
উল্লাহ ও ড. মোজাম্মেল হক। ।
৯. ঢাকা থেকে দূরত্ব : সড়ক পথে-২৩৮ কি. মি.।

.
১০. যোগাযোগ ব্যবস্থা : বাস : সায়েদাবাদ-শরীয়তপুর আন্তজেলা বাস স্টেশন।
লঞ্চ : সদরঘাট-শরীয়তপুর লঞ্চ ঘাট ইত্যাদি। এনডব্লিউডি কোড :
নম্বর।
০৬০১ ও পোস্ট কোড-৮০০০।
১১. পত্রপত্রিকা : দৈনিক রুদ্রবার্তাহংকার, বর্তমান এশিয়াসাপ্তাহিক
শরীয়তপুর সংবাদ, কাগজের পাতা ও বার্তা বাজার।
১২. পৌরসভা০৫টি ও ইউনিয়ন-৬৬টি।
১৩. উপজেলা ভূমি অফিস-০৩টি।
১৪. মৌজার সংখ্যা-৬১৬টি ও গ্রামের সংখ্যা-১,২৪৩টি ।
১৫. মোট জমি-১১৮২৩৪ হেক্টর ও শিক্ষার হার-১৯.১৫% ।
১৬শিক্ষা প্রতিষ্ঠান : প্রাথমিক বিদ্যালয়-৭৭২টি, নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়
১৯টি, মাধ্যমিক বিদ্যালয়-৮৩টি, কলেজ-১৬ টি ও মাদ্রাসা-৪২টি।
১৭. ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান : মসজিদ-৩,৭৭২টি।
১৮. চিকিৎসা কেন্দ্র : হাসপাতাল-০১টি, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-০৬টি ও
ক্লিনিক-২৩টি ।
১৯. নদনদীর নাম : পদ্মামেঘনা, পালং ইত্যাদি।
২০. দর্শনীয় স্থান : মগর, মহিষারের দীঘি, রাজনগর, কুরাশি, বুড়ির হাটের
মসজিদ, হাটুরিয়া জমিদার বাড়ি, রুদ্রকর মঠ, রাম সাধুর আশ্রম, ছয়গাও
জমিদার বাড়ী, মানসিংহের বাড়ি, শিবলিঙ্গ, সুরেশ্বর দরবার শরীফ,
পণ্ডিতসার মাজার শরীফ ও ধানুকার মনসা বাড়ি।
২১. জেলার ঐতিহ্য : নদীমাতৃক ও পিছিয়ে পড়া জেলা শরীয়তপুরের রয়েছে
ধানুকা, রাজনগর, ডোমসার, কোয়ারপুরকুরাশিসহ বহু পুরোনো অনেক
ইতিহাস ও ঐতিহ্য।

ফরিদপুর জেলার ইতিহাস


১. সৃষ্টির প্রেক্ষাপট : ফরিদপুর জেলার প্রতিষ্ঠা ১৭৮৬ সালে হলেও তখন এর নাম
ছিল জালালপুর এবং প্রধান কার্যালয় ছিল ঢাকায়। ১৮০৭ সালে ঢাকা।
জালালপুর হতে বিভক্ত হয়ে ফরিদপুর জেলার সৃষ্টি হয়।
২. নামকরণ : অনেক আউলিয়া-দরবেশ, , পুণ্যাত্মার আবাসস্থল ।
হিসেবে এ অঞ্চল অত্যন্ত সুপ্রসিদ্ধ। এ জেলার পূর্ব নাম ছিল ফতেহাবাদ।
প্রখ্যাত সাধক এবং দরবেশ খাজা মাইনউদ্দিন চিশতি (র:)-এর শিষ্য শাহ।
ফরিদ (র:)-এর নামানুসারে এ জেলার নামকরণ করা হয় ফরিদপুর।
৩. আয়তন : (প্রায়) ২০,৭২.৭২ বর্গ কি. মি.।
৪. লোকসংখ্যা : মোট- (প্রায়) ১৯,১২,৯৬৯ জন। পুরুষ- ৯,৪২,২৪৫ ও মহিলা
৯, ৭০,৭২৪ । বৃদ্ধির হার ০৮৪% ও ঘনত্ব (বৰ্গ কি. মি.) : ৯৩২ জন।
৫. উপজেলার সংখ্যা ও নাম : ৯টি। সদরমধুখালী, বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা,
সালথা, নগরকান্দা, ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন।
৬. থানার সংখ্যা ও নাম এ ০৯টি । কোতোয়ালি, মধুখালী, বোয়ালমারী
আলফাডাঙ্গা, সালথা, নগরকান্দা, ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন
৭. সংসদীয় আসন : ৪টি। (১) মধুখালী ও বোয়ালমারী আলফাডাঙ্গা উপজেলা।
(২) সালথানগরকান্দা উপজেলা ও সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন।
(৩) ফরিদপুর সদর উপজেলা।
৮. পৌরসভা০৪টি ও ইউনিয়ন-৭৯টি।
৯. বিশিষ্ট ব্যক্তি : অম্বিকাচরণ মজুমদার, হাজী শরিয়তুল্লাহ, ইউসুফ আলী চৌধুরী
হুমায়ুন কবির, বিচারপতি মো: ইব্রাহিম, পল্লীকবি জসীম উদ্দীন, বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী
আন্দুর রব প্রমুখ ।
১০. ঢাকা থেকে দূরত্ব : সড়ক পথে-১৪৫কি. মি. ও রেলপথে৫৬০কি. মি.।
১১ . যোগাযোগ ব্যবস্থা : বাস : সায়েদাবাদ-ঢাকা-ফরিদপুর বাস স্টেশন, ফরিদপুর।
কেন্দ্রীয় বাস স্টেশন। রেল। : ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ইত্যাদি।
এনডব্লিউডি কোড নম্বর : ০৬৩১ ও পোস্ট কোড-৭৮০০।
১২. পত্রপত্রিকা : দৈনিক ফরিদপুর, ঠিকানা, ভোরের রানা, পল্লব, কুমার, গণ ।
সংহতি, সাপ্তাহিক গণমন, ফরিদপুর কণ্ঠফরিদপুর বার্তাবাংলা সংবাদ,
মধুখালী বার্তা, মেধাআল হেলাল ও ফরিদপুর ইদানীং ।
১৩. উপজেলা ভূমি অফিস-০৯টি।
১৪. মৌজার সংখ্যা-৯১১টি ও গ্রামের সংখ্যা-১৮৮৭টি।
১৫. শিক্ষার হার-৪৩.৯৫%।
১৬. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান : প্রাথমিক বিদ্যালয়-৭৬১টি, উচ্চ বিদ্যালয়-২৯৩টি, কলেজ
৩১টি, মাদ্রাসা-১৬১টি ও মেডিকেল কলেজ-০১টি ।
১৭. ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান : মসজিদ-৩,২৪২টি, মন্দির-৪৭২টি ও গীর্জা-০৩টি ।
১৮. চিকিৎসা কেন্দ্র : হাসপাতাল-০২টি, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্স-০৭টি, ক্লিনিক
১৯টি এবং ইউ: স্বাস্থ্য ও কল্যাণ কেন্দ্র-৭৯টি ।
১৯. নদনদীর নাম : পদ্মামধুমতি, কুমার, আড়িয়াল বা ইত্যাদি ।
২০.দর্শনীয় স্থান : পলীকবি জসীম উদ্দীনের বাড়ি ও কবর স্থান, নদী গবেষণা
ইনস্টিটিউট, হযরত শাহ ফরিদ মসজিদ, জগদ্বন্ধু সুন্দরের আশ্রম, গৌর
গোপাল আঙ্গিনাগোয়ালচামট, আটরশি বিশ্ব জাকের মঞ্জিল, বাইশ রমি।
জমিদার বাড়ি, সাতৈর মসজিদ, মথুরাপুরের দেউল ও পাতরাইল মসজিদ ।

গোপালগঞ্জ জেলার ইতিহাস


১. সৃষ্টির প্রেক্ষাপট : ১৮৫৪ সালে মাদারীপুরে একটি মহকুমা প্রতিষ্ঠিত হয়। এর
আগে মাদারীপুর অঞ্চল ছিল বাকেরগঞ্জ জেলার অন্তর্গত। ১৮৭২ সালে মাদারীপুর।
মহকুমায় গোপালগঞ্জ নামে একটি থানা গঠিত হয়। ১৯০৯ মাদারীপুর মহকুমাকে
ভেঙ্গে গোপালগঞ্জ মহকুমা গঠন করা হয়। গোপালগঞ্জ এবং কোটালীপাড়া থানার
সঙ্গে ফরিদপুর মহকুমার মুকসুদপুর থানাকে নবগঠিত গোপালগঞ্জ মহকুমার।
অন্তর্ভুক্ত করা হয়। গোপালগঞ্জ সদর থানা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৮৭০ সালে । পরে
এটি শহরে উন্নীত হয়। ১৯১০ সালে মহকুমা অফিসারের বেঞ্চ কোর্ট উন্নীত হলো।
ফৌজদারি কোর্টে। ১৯২৫ সালে সিভিল কোর্ট চালু হয়। ১৯৩৬ সালে মুকসুদপুর।
থানার অংশ থেকে কাশিয়ানী থানা গঠিত হয়। ১৯৭৪ সালে গোপালগঞ্জ সদর
থানাকে ভেঙ্গে টঙ্গীপাড়া নামক নতুন একটি থানা গঠন করা হয়। ১৯৮৪ সালের ১
ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ মহকুমাকে জেলায় উন্নীত করা হয়।
২. নামকরণ : গোপালগঞ্জ জেলা শহরের রয়েছে এক প্রাচীন ইতিহাস। দক্ষিণেশ্বরের
রাণী রাসমনির নাতি গোপালের নামানুসারে মধুমতি নদীর তীরসংলগ্ন এই ছোট
গঞ্জের নাম রাখা হয় গোপালগঞ্জ ।
৩. আয়তন : (প্রায়) ১৪৮৯৯২ বর্গ কি. মি.।
৪. লোকসংখ্যা : মোট-(প্রায়) ১১,৭২,৪১৫ জন। পুরুষ- ৫,৭৭৮৬৮ ও মহিলা
৫,৯৪,৫৪৭। বৃদ্ধির হার : ০.০৬% ও ঘনত্ব (বৰ্গ কি. মি.) : ৭৯৮ জন ।
৫. উপজেলার সংখ্যা ও নাম : ৫টি। গোপালগঞ্জ সদর, মুকসুদপুর, কাশিয়ানী,
কোটালীপাড়া ও টঙ্গীপাড়া।
৬. থানার সংখ্যা ও নাম : ৫টি। গোপালগঞ্জ সদর, মুকসুদপুর, কাশিয়ানী,
কোটালীপাড়া ও টঙ্গীপাড়া।
৭. সংসদীয় আসন : ০৩টি। (১) মুকসুদপুর উপজেলা ও নিম্নবর্ণিত ইউনিয়নসমূহ
ব্যতীত কাশিয়ানী উপজেলা : সিংগাহাতিয়াড়া, পুইওর, বেথুড়ীনিজামকান্দি,
ওড়াকান্দি ও ফুকরা। (২) গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা ও কাশিয়ানী উপজেলার
নিম্নবর্ণিত ইউনিয়নসমূহ , সিংগা, হাতিয়াড়া, পুইশুর, বেথুড়ীনিজামকান্দি,
ওড়াকান্দি ও ফুকরা। (৩) টঙ্গীপাড়া ও কোটালীপাড়া উপজেলা।
৮. পৌরসভা০৪টি ও ইউনিয়ন-৬৮টি।
৯. বিশিষ্ট ব্যক্তি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা, শেখ হাসিনা
শেখ সেলিম, মো: ফারুক খান, মোল্লা জালালউদ্দিন আহমেদ, শামছুল হক
ফরিদপুরীকবি সুকান্ত ভট্টাচার্য, মথুরানাথ বোস, রমেশ চন্দ্র মজুমদার, হরিচাদ
ঠাকুরফটিক গোসাই, মধুসূদন সরস্বতীহরিদাস সিদ্ধার্থ বাগাশী, খান বাহাদুর
রোকন উদ্দিন আহমেদ, মৌলভী আবদুল হাকিম, আন্দুল কাদের খান, বেগম
মজিদুন্নেছা, চন্দ্র বোস, শেখ মোশাররফ হোসেন খান, আন্দুস সালাম খান, কাজী।
দীন মুহাম্মদ, কবি আমির হোসেন খান, কবি কাসেম রেজা, সাংবাদিক নির্মন সেন
প্রমুখ ।
১০. ঢাকা থেকে দূরত্ব : সড়ক পথে২৩২ কি. মি.।
১১. যোগাযোগ ব্যবস্থা : চুয়াডাঙ্গা বাস স্টেশন, টঙ্গীপাড়া-ঢাকা বাস স্টেশন,
গোপালগঞ্জ। এনডব্লিউডি কোড নম্বর : ০৬৬৮ ও পোস্ট কোড-৮১০০
১২. পত্রপত্রিকা : দৈনিক যুগের সাথী ও পূর্বাশা।
১৩. উপজেলা ভূমি অফিস-০৫টি।
১৪. মৌজার সংখ্যা-৬১৮টি ও গ্রামের সংখ্যা-৮৮০টি।
১৫. শিক্ষার হার-৫১.৩৭%
১৬. উল্লেখযোগ্য ফসল : ধান, পাট, সবজি ইত্যাদি।
১৭. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান : জুনিয়র স্কুল-৩২টি, উচ্চ বিদ্যালয়-১৫২টি, স্কুল এন্ড কলেজ-২টি
ও কলেজ-১৯টি ।
১৮. ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান : মসজিদ-১,৮৬৬টি ।
১৯. চিকিৎসা কেন্দ্র : হাসপাতাল ০১টি, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-০৫টি, ক্লিনিক-
৬টি
২০. নদনদীর নাম : মধুমতি ও কুমার।
২১. দর্শনীয় স্থান : টঙ্গীপাড়ার ঐতিহাসিক নিদর্শন, বঙ্গবন্ধু সমাধি সৌধ, মুকসুদপুরের
ঐতিহাসিক নিদর্শন, গোপালগঞ্জ সদরের ঐতিহাসিক নিদর্শন, থানাপাড়া জামে
মসজিদ, খাগাইল গায়েবী মসজিদ, কোর্ট মসজিদসেন্ট মথুরানাথ এজি চার্চ,
সর্বজনীন কালিমন্দির, নয়নাভিরাম । গোপালগঞ্জ, বিলরুট ক্যানেল, আরপাড়া ।
মুন্সীবাড়ি, শুকদেবের আশ্রম, থানার পাড়দীঘি, উলপুর জমিদার বাড়ি ও ৭১-এর
বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ।
২২. জেলার ঐতিহ্য : গওহরগাঙ্গা গ্রামে মুসলিম বীর ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন ।
বখতিযার খিলজীর বঙ্গ বিজয়ী তেজদীপ্ত সত্যের স্বর্গীয় সাধকের ছোয়া এবং তার
বংশধরদের ছোঁয়ায় টঙ্গীপাড়া আজ এক অন্যতম ধর্মীয় তীর্থভূমি। তাঁর হাতে গড়া।
গওহরগাঙ্গা জামেয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম খাদেমুল ইসলাম মাদ্রাসা আজও
লাখো মুসল্লির আনাগোনায় মুখরিত ও হিন্দু ধর্ম সম্প্রদায়ের দিক থেকে টঙ্গীপাড়ায়
রয়েছে জগদান্দ মহাশয়ের তীর্থভূমি।

কোন জেলার কি বিখ্যাত দেখে নিন


০১. নাটোর: কাঁচাগোল্লা, বনলতা সেন
০২. রাজশাহী: আম, রাজশাহী সিল্ক শাড়ী
০৩. টাঙ্গাইল: চমচম, টাঙ্গাইল শাড়ি
০৪. দিনাজপুর: লিচু, কাটারিভোগ চাল, চিড়া, পাপড়
০৫. বগুড়া: মহাস্থানগড়, দই, কটক‌টি,
০৬. ঢাকা: বেনারসী শাড়ি, বাকরখানি
০৭. কুমিল্লা: রসমালাই, খদ্দর (খাদী)
০৮. চট্রগ্রাম: মেজবান, শুটকি
০৯. খাগড়াছড়ি: হলুদ
১০. বরিশাল: আমড়া
১১. খুলনা: সুন্দরবন, সন্দেশ, নারিকেল, গলদা চিংড়ি
১২. সিলেট: কমলালেবু, চা, সাতকড়ার আচার
১৩. নোয়াখালী: নারকেল নাড়, ম্যাড়া পিঠা
১৪. রংপুর: তামাক, ইক্ষু
১৫. গাইবান্ধা: রসমঞ্জরী
১৬. চাঁপাইনবাবগঞ্জ: আম, শিবগঞ্জের চমচম, কলাইয়ের রুটি
১৭. পাবনা: ঘি, লুঙ্গি, পাগলাগারদ
১৮. সিরাজগঞ্জ: পানিতোয়া, ধানসিড়িঁর দই
১৯. গাজীপুর: কাঁঠাল, পেয়ারা
২০. ময়মনসিংহ: মুক্তা-গাছার মন্ডা
২১. কিশোরগঞ্জ: বালিশ মিষ্টি
২২. জামালপুর: ছানার পোলাও, ছানার পায়েস
২৩. শেরপুর: ছানার পায়েস, ছানার চপ
২৪. মুন্সীগঞ্জ: ভাগ্যকুলের মিষ্টি
২৫. নেত্রকোনা: বালিশ মিষ্টি
২৬. ফরিদপুর: খেজুরের গুড়
২৭. রাজবাড়ী: চমচম, খেজুরের গুড়
২৮. মাদারীপুর: খেজুর গুড়, রসগোল্লা
২৯. সাতক্ষীরা: সন্দেশ
৩০. বাগেরহাট: চিংড়ি, ষাটগম্বুজ মসজিদ,সুপারি
৩১. যশোর: খই, খেজুর গুড়, জামতলার মিষ্টি
৩২. মাগুরা: রসমালাই
৩৩. নড়াইল: পেড়ো সন্দেশ, খেজুর গুড়,খেজুর রস
৩৪. কুষ্টিয়া: তিলের খাজা, কুলফি আইসক্রিম
৩৫. মেহেরপুর: মিষ্টি সাবিত্রি, রসকদম্ব
৩৬. চুয়াডাঙ্গা: পান, তামাক, ভুট্টা
৩৭. ঝালকাঠি: লবন, আটা
৩৮. ভোলা: নারিকেল, মহিষের দুধের দই
৩৯. পটুয়াখালী: কুয়াকাটা
৪০. পিরোজপুর: পেয়ারা, নারিকেল, সুপারি, আমড়া
৪১. নরসিংদী: সাগর কলা
৪২. নারায়নগঞ্জ:...
৪৩. নওগাঁ: চাল, সন্দেশ
৪৪. মানিকগঞ্জ: খেজুর গুড়
৪৫. রাঙ্গামাটি: আনারস, কাঠাল, কলা
৪৬. কক্সবাজার: মিষ্টিপান
৪৭. বান্দরবান: হিল জুস, তামাক
৪৮. ফেনী: মহিশের দুধের ঘি, সেগুন কাঠ, খন্ডলেরমিষ্টি
৪৯. লক্ষীপুর: সুপারি
৫০. চাঁদপুর: ইলিশ
৫১. ব্রাহ্মণবাড়িয়া: তালের বড়া, ছানামুখী, রসমালাই
৫২. মৌলভিবাজার: ম্যানেজার স্টোরের রসগোল্লা
৫৩,জয়পুরহাট বিখ্যাতঃ-লতিরাজ, আলু, চুনাপাথর,সোনালী মুরগী, পাঙ্গাস মাছ, আমরুপালী।
[ পোষ্ট করেছেন মোঃ রিপন মিয়া,বেংদহ পাতাইর,কিচক,শিবগঞ্জ,বগুড়া। ]

ইসমাইল হোসেন