03 February, 2018

২.আকাশ সংস্কৃতি, বাংলা রচনা

(সংকেত: ভূমিকা; আকাশ সংস্কৃতি কি; আকাশ সংস্কৃতির উদ্ভব; আকাশ সংস্কৃতির বিকাশ; আকাশ সংস্কৃতির ইতিবাচক দিক; আকাশ সংস্কৃতির নেতিবাচক দিক; বাংলাদেশ ও আকাশ সংস্কৃতি; বিশ্ব ও আকাশ সংস্কৃতি; আমাদের করণীয়; উপসংহার।)
ভূমিকা: সংস্কৃতি একটি জাতি ও রাষ্ট্রের দর্পণস্বরূপ। প্রতিটি জাতি ও সমাজেরই আলাদা সংস্কৃতি থাকে। এই সংস্কৃতির মাধ্যমেই একটি জাতি ও রাষ্ট্র বিশ্বের দরবারে তাদের গৌরব ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে পারে। কিন্তু আধুনিককালে বিশ্বায়নের কারণে সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য বিনষ্ট হচ্ছে। সাংস্কৃতিক যোগাযোগ ও আকাশ সংস্কৃতির ব্যাপকতায় পৃথিবীর বিভিন্ন সংস্কৃতির আদান-প্রদানও অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্বায়নের যুগে এসে বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইসের সুবাদে আকাশ সংস্কৃতি নামে অনুন্নত দেশের সংস্কৃতিকে গ্রাস করছে উন্নত দেশগুলোর সংস্কৃতি। ফলশ্রুতিতে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো তাদের সাংস্কৃতিক স্বকীয়তা হারাচ্ছে।
আকাশ সংস্কৃতি কি: মানুষের জীবনাচরণই তার সংস্কৃতি। ডিজিটাল ডিভাইস, স্যাটেলাইট তথা ডিশ এন্টেনার মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানই হলো আকাশ সংস্কৃতি। স্যাটেলাইট ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে আকাশ সংস্কৃতির বিস্তারে আমাদের তরুণ ও যুব সমাজের মাঝে দেশীয় সংস্কৃতির প্রতি যেমন অনীহা বাড়ছে তেমনি বিদেশি সংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণের সর্বনাশা প্রবণতা দেখা দিচ্ছে। এভাবে আকাশ সংস্কৃতির প্রভাবে আমাদের দেশীয় সংস্কৃতি হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে।
আকাশ সংস্কৃতির উদ্ভব: কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের অনুষ্ঠান সম্প্রচার হয়। এর মাধ্যমে আমরা পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন অনুষ্ঠান গ্রাহক যন্ত্রের মাধ্যমে সরাসরি উপভোগ করতে পাচ্ছি। আর এভাবেই উদ্ভব ঘটেছে আকাশ সংস্কৃতির। আমরা টেলিভিশন ও রেডিওতে আবহাওয়াসহ বিভিন্ন খবর দেখি ও শুনি এগুলো মূলত সম্ভব হয়েছে স্যাটেলাইট এর মাধ্যমে যেটিকে আমরা আকাশ সংস্কৃতি বলি। আকাশ সংস্কৃতির মাধ্যমেই একটি দেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে অন্য দেশ সম্যক ধারণা পাচ্ছে।
আকাশ সংস্কৃতির বিকাশ: স্যাটেলাইট প্রযুক্তির মাধ্যমে আমাদের দেশের মানুষ আজ দেশি বিদেশি নানামুখী চ্যানেল ও ইন্টারনেট সুবিধা পাচ্ছে। আগে যেখানে বাংলাদেশে বিটিভি-ই ছিল একমাত্র ইলেকট্রনিক বিনোদনের মাধ্যম সেখানে স্যাটেলাইটের সুবাদে এখন বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারি মোট ৪১টি টিভি চ্যানেল চালু রয়েছে। যার মধ্যে ৩টি সরকারি ও বাকীগুলো বেসরকারি । এর মধ্যে এটিএন বাংলা, চ্যানেল আই, আরটিভি, এনটিভি, বৈশাখী, বাংলাভিশন, যমুনা টিভি, মাছরাঙা, দেশ টিভি, সময়, ইনডিপেন্ডেন্ট ইত্যাদি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।২০০৪ সালে অশ্লীলতার বিবেচনায় সরকার এটিভি, টিভি-৬, চ্যানেল-ভিসহ বেশ কটি চ্যানেলের অনুষ্ঠান প্রচারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও এমটিভি, সনিটিভি, জিটিভি, এইচবিও, স্টার মুভি, ইটিসি, বিফোরইউসহ আরও অনেক মিউজিক ও মুভি চ্যানেলের অনুষ্ঠান শহর থেকে শুরু গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত ঘরে ঘরে প্রচারিত হচ্ছে। তাছাড়া বিবিসি, সিএনএন, আল জাজিরা ইত্যাদি চ্যানেলগুলোতে আন্তর্জাতিক সংবাদ পরিবেশন করা হচ্ছে। পাশাপাশি ডিসকভারি, এনিমেল প্লানেট, অ্যাডভেঞ্চারার্সসহ বেশ কিছু চ্যানেল আছে যেগুলো পৃথিবীর আনাচে কানাচে ছড়িয়ে থাকা প্রকৃতির আশ্চর্য সৃষ্টিকে দর্শকের সামনে তুলে ধরছে। এভাবে প্রতিনিয়ত আকাশ সংস্কৃতির বিস্তার ঘটছে।
আকাশ সংস্কৃতির ইতিবাচক দিক: বর্তমান আধুনিক বিশ্ব তথ্যপ্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল। অর্থনৈতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সকল ক্ষেত্রেই প্রতিটি দেশ একটি অপরটির সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। বর্তমান বিশ্বে তথ্য ব্যবস্থার যে অবাধ প্রবাহ তার সাথে নিজেদেরকে সংযুক্ত রাখতে হলে ইন্টারনেট ব্যবস্থার কোনো বিকল্প নেই। স্যাটেলাইট আবিষ্কারের মাধ্যমে বিশ্ব একটি Global Village এ পরিণত হয়েছে। এই Global Village-এর সদস্য হয়ে এ থেকে সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা হাসিলের জন্য আমাদেরকে তথ্য প্রযুক্তিতে আরো বেশি অগ্রগামী হতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজার ব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সংবাদ জানতে হলে বিবিসি, সিএনএনসহ আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থাগুলোর সাথে যোগাযোগ না থাকলে আমরা জাতি হিসেবে পিছিয়ে পড়বো। এছাড়া ইন্টারনেট প্রচলনের মাধ্যমে আমরা যে মুক্ত আকাশ সংস্কৃতির সংস্পর্শে এসেছি এর মাধ্যমে আমাদের চিন্তা-চেতনা ও দৃষ্টিভঙ্গির প্রসার ঘটেছে। এটি আমাদেরকে বিভিন্ন সংকীর্ণ ধ্যান-ধারণার পরিবর্তে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে চিন্তা করার সুযোগ করে দিচ্ছে। দেশ বিদেশের বিভিন্ন চ্যানেলে অবাধ প্রবেশের মাধ্যমে আমরা জ্ঞান-বিজ্ঞানের রাজ্যে সহজভাবে বিচরণ করতে পারছি। যেটি আমাদের জাতিগঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।
আকাশ সংস্কৃতির নেতিবাচক দিক: বাংলাদেশে আকাশ সংস্কৃতির ইতিবাচক দিক অপেক্ষা নেতিবাচক দিকই বেশি। আকাশ সংস্কৃতির করাল গ্রাসে আজ আমাদের সমাজ কাঠামো ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোর গঠন প্রকৃতিতে ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে আমাদের পরিবারের বন্ধন নষ্ট হচ্ছে। পশ্চিমা সমাজের বিবাহবন্ধনহীন অনৈতিক জীবনব্যবস্থা আমাদের দেশের জনগণকে প্রভাবিত করছে। ফলশ্রুতিতে চরম সামাজিক অবক্ষয় দেখা দিচ্ছে। আমরা সমাজে লক্ষ করছি বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মানবোধ দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। আকাশ সংস্কৃতির স্রোতে আমাদের তরুণ ও যুব সমাজ বিপথগামী ও রুচিহীন হয়ে পড়ছে।আকাশ সংস্কৃতির মাধ্যমে বিদেশি সংস্কৃতির ব্যাপক আগ্রাসনের ফলে আমাদের পোশাক-পরিচ্ছদ, আচার-আচরণ ও খাদ্যাভাসে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। তাছাড়া এটি আমাদের জীবনবোধ, নৈতিক শিক্ষা ও ধর্মীয় অনুভূতিতে ব্যাপক আঘাত হানছে। ফলশ্রুতিতে নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশার ফলে সমাজে অন্যায়-অবিচার যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে তেমনি জটিল রোগের সৃষ্টি হচ্ছে।
বাংলাদেশ ও আকাশ সংস্কৃতি: বাংলাদেশে বিদেশি চ্যানেলগুলো অবাধে তাদের অনুষ্ঠানাদি সম্প্রচার করে যাচ্ছে। ফলে ইউরোপীয় চ্যানেলগুলোর মাধ্যমে প্রচারিত অনুষ্ঠানের কারণে আমাদের পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধন নষ্ট হচ্ছে। পশ্চিমা ভোগবাদী সংস্কৃতির ব্যাপক প্রচারের ফলে আমাদের ধর্মনিষ্ঠা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ পরাস্থ হচ্ছে। অপরদিকে ভারতীয় চ্যানেলগুলোও বিভিন্ন প্রকার অনুষ্ঠান ও সিরিয়াল প্রচারের মাধ্যমে আমাদের দেশের নারী সমাজকে পারিবারিক কোন্দলের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ফলশ্রুতিতে সৃষ্টি হচ্ছে পারিবারিক বিরোধ। এভাবে আমাদের পরিবার ও সমাজব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে।
বিশ্ব ও আকাশ সংস্কৃতি: আকাশ সংস্কৃতির মাধ্যমে তৃতীয় বিশ্বের অনুন্নত দেশগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অপরদিকে উন্নত দেশগুলো স্যাটেলাইটের মাধ্যমে তাদের সাংস্কৃতিক ধ্যান-ধারণা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিচ্ছে। ফলে তৃতীয় বিশ্বের অনুন্নত দেশগুলোর দুর্বল সংস্কৃতি পাশ্চাত্যের তথাকথিত উন্নত সংস্কৃতির আগ্রাসনে ব্যাপক হারে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পাশ্চাত্য সংস্কৃতির প্রভাবে আমাদের মত অনুন্নত দেশগুলোর নিজস্ব সংস্কৃতি বিলুপ্ত হচ্ছে। উন্নত দেশগুলো তাদের সাংস্কৃতিক সাম্রাজ্যবাদের মাধ্যমে অনুন্নত দেশগুলোকে শাসন করছে।
আমাদের করণীয়: বর্তমানে গোটা পৃথিবী একটি বিশ্ব গ্রামে পরিণত হয়েছে। সুতরাং এই পৃথিবীর বাসিন্দা হয়ে এই বিশ্ব গ্রামের বাইরে যাওয়ার কোনো উপায় নেই। সেজন্য এই ব্যবস্থার মধ্যে থেকেই নিজেদের স্বতন্ত্র অস্তিত্ব ও স্বার্থকে সমুন্নত রাখার চেষ্টা করতে হবে। বিদেশি সংস্কৃতির আগ্রাসন হতে নিজস্ব সংস্কৃতিকে রক্ষা করতে হলে আমাদেরকে বিদেশি সংস্কৃতির ইতিবাচক দিকগুলো গ্রহণ করতে হবে এবং নেতিবাচক দিকগুলো বর্জন করতে হবে। সে জন্য বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আমাদেরকে আরও বেশি দক্ষতা অর্জন করতে হবে। দেশীয় সংস্কৃতির লালন আর বিদেশি সংস্কৃতির আগ্রাসন মোকাবিলা করে টিকে থাকতে হলে দেশীয় সংস্কৃতিকে আরও যুগোপযোগী করে তুলতে হবে। বর্তমানে চালু আমাদের স্যাটেলাইট চ্যানেলগুলোর সম্প্রচারে আরও বৈচিত্র্য আনয়নের পাশাপাশি নতুন নতুন স্যাটেলাইট চ্যানেল চালুর পদক্ষেপ নিতে হবে।
উপসংহার: আকাশ সংস্কৃতির করালগ্রাসে বর্তমানে বাংলাদেশসহ তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো নাজেহাল। পাশ্চাত্য সংস্কৃতির ব্যাপক প্রচার ও প্রসারের ফলে অনুন্নত দেশের নিজস্ব সংস্কৃতি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সেজন্য আমাদেরকে আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি রক্ষার জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। এর পাশাপাশি যে সকল স্যাটেলাইট চ্যানেলগুলো সংস্কৃতির নামে অপসংস্কৃতি প্রচার করছে সেগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে অথবা ঐ সকল চ্যানেলগুলোর সম্প্রচার নিষিদ্ধ করতে হবে।

মানসিক রুগী



জুমন হাত দুটো সামনে বাড়িয়ে গুনগুন করছে।

নার্স- জুমন, কী হচ্ছে এসব?

জুমন- গাড়ি চালাচ্ছি, চট্টগ্রাম যাবো।

পরদিন জুমন ঝিমোচ্ছে।

নার্স- জুমন, কী হচ্ছে এসব?

…জুমন- মাত্র পৌঁছালাম চট্টগ্রামে, বিরক্ত কোরো না।

এবার সুমনের ঘরে গেলো নার্স। সেখানে সুমন বিছানায় শুয়ে আপত্তিকর অঙ্গভঙ্গি করছিলো।

নার্স- সুমন, কী হচ্ছে এসব?

সুমন- জ্বালাতন কোরো না। জুমনের বউয়ের সাথে প্রেম করছি। ঐ শালা তো গেছে চট্টগ্রাম ।

এক নজরে কিচক ইউনিয়ন


কালের স্বাক্ষী বহনকারী গাংনই নদীর তীরে গড়ে  উঠা শিবগঞ্জ উপজেলার একটি ঐতিহ্যবাহী অঞ্চল হলো কিচক ইউনিয়ন ।কাল পরিক্রমায় আজ কিচক ইউনিয়ন শিক্ষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় অনুষ্ঠান, খেলাধুলা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তার নিজস্ব স্বকীয়তা আজও সমুজ্জ্বল  এক নজরে ২নং কিচক ইউনিয়ন পরিষদ, শিবগঞ্জ, বগুড়া।১। ২নং কিচক ইউনিয়নের আয়তন পূর্বের জরিপ অনুযায়ী=৬২৮২ একর   ,,         ,,      ,,   বর্তমান ,,    ,,  =৬২৮০.২৫ একর   ,,         ,,      ,,     ,,   ,,    ,, =২৫৫৩ হেক্টর।২।২নং কিচক ইউনিয়নের মৌজার সংখ্যা            = ২০টি৩। ,,    ,,   ,,     গ্রাম/পাড়ার সংখ্যা        =৬৪ টি৪। ,,     ,,   ,,  সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা=১৪টি৫। ,,     ,,   ,,  এফতেদায়ী/ এতিমখানা         = ৪টি৬। ,,     ,,   ,,  উচ্চ বিদ্যালয়ের সংখ্যা         =১টি৭। ,,      ,,   ,,  নিম্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা = ২টি (তার মধ্যে বালিকা ১টি)৮। ,,     ,,    ,,  দাখিল মাদ্রাসার সংখ্যা        =৫টি৯। ,,      ,,    ,, খুতবাতুল জামে মসজিদের সংখ্যা  =৬৮টি১০। ,,     ,,    ,,  কেজি স্কুলের সংখ্যা          = ৭টি১১।,,      ,,    ,,  হাটের সংখ্যা              = ১টি১২। ,,      ,,   ,, পুরুষ ভোটারের সংখ্যা হাল=১২২১৯ জন    ,,      ,,   ,,  মহিলা  ,,     ,,  ,, =১২২৬৫ জন                              সর্বমোট =২৪৪৮৪ জন১৩। ,,      ,,   ,, কৃষি বিষয়ক পরিসংখ্যান ক)মোট আবাদি জমি =২৪৪৩ হেক্টর খ) তিন ফসলী জমি = ২৪৪৩ হেক্টর গ) মোট ফসলী জমি = ৭৩২৯ হেক্টর ঘ) কৃষি পরিবারের সংখ্যা= ৭১০২টি ঙ) ভূমিহীন ,,    ,,  = ১৮৫৯টি চ) প্রান্তিক  ,,    ,,  = ৩৯৫৬টি ছ) ক্ষুদ্র    ,,    ,,  = ৭৬৭ টি জ) মাঝারী   ,,   ,,  =৪৯০টি ঝ) বড়     ,,   ,,   = ৩০টি***জমির শ্রেণী বিন্যাস অনুযায়ী জমির পরিমানঃ-  ক) উচুঁ জমির পরিমান       =২৬৭ হেক্টর     খ) মাঝারী উঁচু জমির পরিমান =১৮০০ হেক্টর  গ)  ,,   নিচু ,,     ,,   = ৩৪২ হেক্টর  ঘ) নিচু জমির পরিমান  = ৩৪ হেক্টর                      সর্বমোট      =২৪৪৩ হেক্টরঞ) গুরুত্বর্পূণ ধর্মীয় স্থান- ১ টি।ট) ঐতিহাসিক/পর্যটন স্থান – নাই।ঠ) ইউপি ভবন স্থাপন কাল – ২৭/০৫/২০০৬ইং।ড) নব গঠিত পরিষদের বিবরণ –                  ১) শপথ গ্রহণের তারিখ – ০২/০৮/২০১৬ইং                       ২) প্রথম সভার তারিখ – ০৩/০৮/২০১৬ ইং                      ৩) মেয়াদ উর্ত্তীনের তারিথ – ০১/০৮/২০২১ ইং

গাজীপুর জেলার ইতিহাস


এক নজরে গাজীপুর জেলা

আয়তন: ১৭৭০.৫৪বর্গ কিঃ মিঃ

ক. নদ-নদী: ১৭.৫৩ বঃ কিঃ মিঃ

খ. বনভূমি: ২৭৩.৪২ বর্গ কিঃ মিঃ

লোকসংখ্যা: ২১,৪৩,৪১১জন (২০০১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী )

ক.পুরুষ: ১১,১৮,১৭১ জনখ.

মহিলা: ১০,২৫,২৪০

জনজনসংখ্যার ঘনত্বজনসংখ্যার ঘনত্ব ১১২৪ জন প্রতি বঃ কিঃ মিঃ

শিক্ষার হার: ৫৬.৪০%

অর্থকরী ফসলধান, পাট, আখ, তুলা, বাঁশ, কাঁঠাল ও পেঁপেঁ

নদ-নদী১০টি লবলং, ব্রহ্মপুত্র , পারুলী, সুতী, গোয়ালী, শীতলক্ষ্যা, বানার, তুরাগ, বালু ও চিলাইজেলার

সীমানা: উত্তরে ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জ জেলা, পূর্বে কিশোরগঞ্জ ও নরসিংদী জেলা, দক্ষিণে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ এবং পশ্চিমে ঢাকা ও টাংগাইল জেলা।

জেলার অবস্থান২৩0-৫৩/ হতে ২৪0-২০/ -২৪/ /উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০0-৯/ থেকে ৯০0-৪২/ পূর্ব দ্রাঘিমা পর্যন্ত ।

উপজেলা: ০৫ টি, গাজীপুর সদর, শ্রীপুর, কাপাসিয়া, কালিয়াকৈর, কালীগঞ্জ

পৌরসভা: ০৪ টি, টংগী, গাজীপুর, শ্রীপুর ও কালিয়াকৈর

থানার সংখ্যা: ০৬ টি, জয়দেবপুর, টংগী (গাজীপুর সদর উপজেলাধীন), কাপাসিয়া, কালিয়াকৈর, শ্রীপুর, কালীগঞ্জ

উপজেলা ভূমি অফিস: ০৫ টি, গাজীপুর সদর, শ্রীপুর, কাপাসিয়া, কালিয়াকৈর, কালীগঞ্জ

ইউনিয়ন: ৪৪টি ইউনিয়ন

ভূমি অফিস: ৩২টি

পৌর ভূমি অফিস: ০৩ টি

মৌজা সংখ্যা: ৮১৪

গ্রামের সংখ্যা: ১,১৪৬ টি

হাট-বাজার: ১৯১টি

খেয়াঘাট আন্তঃ জেলা ৬টি, স্থানীয়ঃ ০২ টি ২০ একরের উর্ধ্বে বন্ধ জলমহাল০৭টি অনুর্ধ্ব২০ একর বদ্ধ জলমহাল ৭৯৭টিউন্মুক্ত জলমহাল ০৯টি আবাসনপ্রকল্প ০১টিআশ্রায়ন প্রকল্প ০৬টি আর্দশগ্রাম২০টি

নরসিংদী জেলার ইতিহাস

এক নজরে জেলা



মেঘনা, শীতলক্ষ্যা, আড়িয়ালখাঁ ও পুরাতন ব্রক্ষ্মপুত্র নদীর তীর বিধৌত প্রাচীনসভ্যতা ও ঐতিহ্যে লালিত জেলাটির নাম নরসিংদী। উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অবস্থানগত কারণে এ জেলা কৃষি, শিল্প, অর্থনীতি, ক্রীড়া ও সংস্কৃতিতে এক সমৃদ্ধ জেলা হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছে। এ জেলা ২৩°৪৬’ হতে ২৪°১৪’ উত্তর অক্ষরেখা এবং ৯০°৩৫’ ও ৯০°৬০’ পূর্ব দ্রাঘিমার মধ্যে অবস্থিত। উত্তরে কিশোরগঞ্জ, পূর্বে ব্রাহ্মনবাড়িয়া, দক্ষিণে নারায়নগঞ্জ ও ব্রাহ্মনবাড়িয়া এবং পশ্চিমে গাজীপুর পরিবেষ্টিত এ জেলার রয়েছে এক গৌরবময় প্রাচীন ইতিহাস। সম্প্রতি জেলার বেলাব উপজেলাধীন উয়ারী-বটেশ্বর এলাকায় অসমরাজার গড় নামক স্থানে প্রায় তিন হাজার বছরের প্রাচীন সভ্যতার সন্ধান পাওয়াগেছে। এছাড়া এ জেলার রয়েছে গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে ঢাকার বাইরে প্রথম হানাদার পাকিস্তানী বাহিনীকে এ জেলার পাঁচদোনা নামক স্থানে মুক্তিযোদ্ধারা প্রবলভাবে প্রতিরোধ করে এবং শুরু হয় যুদ্ধ। এ যুদ্ধে হানাদার পাকিস্তানী বাহিনীর একটি সাজোয়া যান ধ্বংস হয়,হতাহত হয় বেশ কিছু পাকিস্তানী সৈন্য। ১৯৬৯ এর গণ অভ্যুথ্থানের নায়ক শহীদ ‌‌আসাদ, মুক্তিযুদ্ধের বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব প্রাপ্ত ফ্লাইট লে: মতিউর রহমান, বরন্যে কবি সামসুর রহমান, সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক ও সমালোচক ড.আলাউদ্দিন আল আজাদ, পবিত্র কোরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদক গিরিশ চন্দ্র সেন এ জেলারই সন্তান। বিশ্বায়নের এ যুগে প্রশাসনিক কর্মকান্ডে গতিশীলতা আনয়নের মাধ্যমে দ্রুত জনগগণকে উন্নতসেবা প্রদাননিশ্চিত করতে নরসিংদী জেলা প্রশাসনে ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রম গ্রহণের পদক্ষেপ নেয়া হচেছ। সমৃদ্ধ এ জেলার ওয়েব পোর্টালে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আপনাকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও স্বাগতম।

১

নরসিংদী জেলার সীমানা

উত্তরে কিশোরগঞ্জ জেলা, দক্ষিনে নারায়নগঞ্জ জেলা, পূর্বে ব্রাম্মনবাড়ীয়া জেলা ও পশ্চিমে গাজীপুর জেলা।

২

রাজধানী ঢাকা থেকে দূরত্ব

সড়ক পথে ৫৭ কি:মি:, রেলপথে ৫৫ কি:মি:

৩

আয়তন

৩,৩৬০.৫৯ বর্গ কি:মি:

৪

জনসংখ্যা

২২,২৪,৯৪৪ জন

(২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী)

৫

প্রতি ব:কি:মি: লোকসংখ্যা

১৬৫৮ জন

৬

উপজেলার সংখ্যা

৬ টি

৭

পৌরসভার সংখ্যা

৬ টি

৮

ইউনিয়নের সংখ্যা

৭১ টি

৯

গ্রামের সংখ্যা

১০৯৫ টি

১০

মৌজার সংখ্যা

৬২৪ টি (আরএস)

১১

হাটবাজারের সংখ্যা

১০৪ টি

১২

জলমহালের সংখ্যা

১১২ টি

১৩

মোট ভূমির পরিমান

২,৭৫,৩৩৩ একর

১৪

ভোটার সংখ্যা

১৩,৪৭,০২৩ জন (২০১৪ হালনাগাদ)

পুরুষ-৬,৬৫,৭৯০ জন

মহিলা-৬,৮১,২৩৩জন

১৫

ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা

৩৮১ টি

১৬

নির্বাচনী এলাকা (জাতীয় সংসদ)

৫ টি

১৭

শস্য নিবিড়তা

১৯৬%

১৮

খাদ্য উৎপাদন উদ্বৃত্ত

২৩৬৫ মে:টন

১৯

প্রাথমিক বিদ্যালয়

৭৪৬ টি

২০

মাধ্যমিক বিদ্যালয়

১৩৬

২১

নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়

৩৯ টি

২২

পি টি আই

০১ টি

২৩

কারিগরী বিদ্যালয়

১৬ টি

২৪

কলেজ

৩৬ টি

২৫

শিক্ষার হার

৪৫%

২৬

জন্ম হার

১.২৭%

২৭

মৃত্যু হার

০.৩৮%

২৮

হাসপাতালের সংখ্যা

০৭ টি

২৯

মোট রাস্তা

২৪২৫ কি:মি:

৩০

পাকা রাস্তা

৫৯১ কি:মি:

৩১

আধাপাকা রাস্তা

১৮৯ কি:মি:

৩২

কাঁচা রাস্তা

১৫৮৮ কি:মি:

৩৩

রেলপথ

৫৭ কি:মি:

৩৪

ক্ষুদ্র শিল্প

১৬,৭৩১ টি

৩৫

ভারী শিল্প

২৮ টি

৩৬

মৃৎ শিল্প কারখানা

৫০ টি

৩৭

বিসিক শিল্পনগরী

১ টি

৩৮

পাটকল

১২ টি

৩৯

কারাগার

১টি

৪০

সিনেমা হল

১০ টি

৪১

কর্মরত এনজিও’র সংখ্যা

৩০ টি

৪২

মসজিদের সংখ্যা

২০৯৪ টি

৪৩

মন্দিরের সংখ্যা

৪৯ টি

৪৪

ডাকবাংলোর সংখ্যা

৭টি

৪৫

ইউ: ভূমি অফিসের সংখ্যা

৭১ টি

৪৬

দমকল বাহিনী অফিস

৬ টি

৪৭মোট উপজেলা রাস্তা৪১১.০০কি.মি.৪৮মোট ইউনিয়ন রাস্তা৫৬০.০০কি.মি.

ভৌগলিক পরিচিতি

মেঘনা, শীতলক্ষ্যা, আড়িয়ালখাঁ ও পুরাতন ব্রক্ষ্মপুত্র নদীর তীর বিধৌত জেলা নরসিংদী। জেলাটির আয়তন ১,১১৪.২০ বর্গ কি:মি:। এ জেলাটি বাংলাদেশের মধ্য পূর্বাংশে অবস্থিত। এটি ২৩° ৪৬’ হতে ২৪° ১৪’ উত্তর অক্ষরেখা এবং ৯০°৩৫’ ও ৯০° ৬০’ পূর্ব দ্রাঘিমার মধ্যে অবস্থিত। এ জেলার উত্তরে কিশোরগঞ্জ, পূর্বে ব্রাহ্মনবাড়িয়া, দক্ষিণে নারায়নগঞ্জ ও ব্রাহ্মনবাড়িয়া এবং পশ্চিমে গাজীপুর জেলা অবস্থিত।

জেলার পটভুমি

কথিত আছে প্রাচীনকালে এ অঞ্চলটি নরসিংহ নামক রাজার শাসনাধীন ছিল। আনুমানিক পঞ্চদশ শতাব্দীর প্রথম দিকে রাজা নরসিংহ প্রাচীন ব্রম্মপুত্র নদের পশ্চিম তীরে নরসিংহপুর নামে একটি ছোট নগর স্থাপন করেছিলেন। তারই নাম অনুসারে নরসিংদী নামটি আর্বিভূত হয়। কালের বিবর্তনে ব্রক্ষ্মপুত্র নদে অসংখ্য চর পড়ে বসতি গড়ে উঠে। বতর্মানে সেটি নগর নরসিংহপুর মৌজা ও নরসিংহারচর গ্রাম নামে পরিচিতি। নরসিংহ নামের সাথে ‘দী’ যুক্ত হয়ে নরসিংহদী হয়েছে। নরসিংহদী শব্দের পরিবর্তিতরূপ -‘নরসিংদী’।

পরবর্তীতে নরসিংদী জেলার এ অঞ্চলটি মহেশ্বরদী পরগনার অর্ন্তভূক্ত ছিল। এ পরগনার জমিদার ছিলেন দেওয়ান ঈশা খা। পরবর্তীতে জমিদার ছিলেন দেওয়ান শরীফ খা ও আয়শা আক্তার খাতুন। জমিদারী প্রথা বিলোপের পর একসময় নরসিংদী ছিল প্রশাসনিকভাবে ঢাকা জেলাধীন নারায়নগঞ্জ মহকুমার একটি থানা। পরবর্তীতে ১৯৭৭ সালে ঢাকা জেলার একটি মহকুমায় উন্নীত করা হয়। ১৯৮৪ সালে নরসিংদী সদর, পলাশ, শিবপুর, মনোহরদী, বেলাব এবং রায়পুরা এ ০৬ টি উপজেলা এবং নরসিংদী পৌরসভা নিয়ে নরসিংদী জেলা ঘোষণা করা হয় এবং শুরু হয় জেলার যাত্রা।

উপজেলা ইউনিয়ন

উপজেলা

ইউনিয়ন

নরসিংদী সদর

শীলমান্দী

আমদিয়া

পাঁচদোনা

হাজীপুর

চিনিশপুর

কাঠালিয়া

নূরালাপুর

মেহেরপাড়া

মহিষাশুড়া

পাইকারচর

করিমপুর

নজরপুর

আলোকবারী

চরদিঘলদী

পলাশ

গজারিয়া

চরসিন্দুর

ডাংগা

জিনারদী

শিবপুর

বাঘাব

জয়নগর

পুটিয়া

মাছিমপুর

দুলালপুর

আয়ুবপুর

চক্রধা

সাধারচর

যশোর

বেলাব

বেলাব

বাজনাব

পাটুলী

চর উজিলাব

নারায়নপুর

সল্লাবাদ

আমলাব

বিন্নাবাইদ

মনোহরদী

লেবুতলা

চালাকচর

চন্দনবাড়ী

বড়চাপা

কাচিকাটা

শুকুন্দী

দৌলতপুর

একদুয়ারিয়া

গোতাশিয়া

খিদিরপুর

চরমান্দালিয়া

কৃষ্ণপুর

রায়পুরা

চান্দেরকান্দী

অলিপুরা

রায়পুরা

রাধানগর

মির্জাপুর

চর আড়ালিয়া

আমীরগঞ্জ

শ্রী নগর

পাড়াতলী

চাঁনপুর

হাইরমারা

চরসুবুদ্দি

নিলক্ষ্যা

মির্জানগর

পলাশতলী

আদিয়াবাদ

ডৌকারচর

মরজাল

উ:বাখরনগর

চর মধূয়া

মুছাপুর

মহেষপুর

মির্জারচর

বাশগাড়ী

জেলার ঐতিহ্য



নরসিংদী সদর, শিবপুর, পলাশ, মনোহরদী , রায়পুরা ও বেলাব উপজেলা এই ৬টি উপজেলা নিয়ে নরসিংদী জেলা। ১৯৭৮ সালে নরসিংদী মহকুমা এবং ১৯৮৪ সালে নরসিংদীকে একটি পূর্ণাঙ্গ জেলায় পরিণত করা হয়। দক্ষিন পূর্বাঞ্চল মেঘনা বিধৌত নিম্নভূমি, পশ্চিমাঞ্চল উচ্চ সমতল ভূমি, উত্তরাঞ্চলে ছোট ছোট পাহাড়, টিলা, টেক নয়নাভিরাম অরণ্য আবরণে আবৃত। এ জেলার উত্তরাঞ্চলে পাহাড়ি ভূমি বাংলাদেশের আদি ভুমির অন্তর্গত।

এ জেলার আদি ভূমিতে অবস্থিত বেলাব উপজেলার ‘ওয়ারী বটেশ্বর’ গ্রামে পরিত্যক্ত ভিটা ও অসমরাজার গড়’ আবিস্কৃত হয়েছে, যা নব্য প্রস্তর যুগীয় সভ্যতার নিদর্শন । ওয়ারীতে খৃষ্টপূর্বকালের ছাপাঙ্কিত পর্যাপ্ত রৌপ্যমুদ্রা পাওয়া গেছে। এসব মুদ্রা নরসিংদী অঞ্চলের আদি সভ্যতার স্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করে। নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলার ‘জয়মঙ্গল’ নামে পাহাড়ী গ্রামে আবিস্কৃত হয়েছে গুপ্তযুগের স্বর্ণমুদ্রা। একই উপজেলার আশ্রাফপুরে আবিস্কৃত হয়েছে সপ্তম শতাব্দীর মহারাজা দেব খড়গের তাম্রলিপি এবং অষ্টধাতুর নির্মিত বৌদ্ধ নিবেদন স্ত্তপ। এই আশ্রাফপুরেই আবিস্কৃত হয়েছে গৌড়ের স্বাধীন নরপতি আলাউদ্দিন হোসেন শাহের পুত্র সুলতান নাসির উদ্দিন নসরৎ শাহের রাজত্বকালে নির্মিত একটি অতি প্রাচীন মসজিদ। পলাশ উপজেলার পারুলিয়া গ্রামে আনুমানিক ১৭১৬ খ্রিষ্টাব্দে দেওয়ান শরীফ ও তার স্ত্রী জয়নব বিবি নির্মিত মোগল স্থাপত্যরীতির একটি প্রাচীন মসজিদ রয়েছে। এ অঞ্চলের জনসাধারণের আধ্যাতিক ও নৈতিক জীবনে যাঁদের প্রভাব আলোকবর্তিকারূপে কাজ করেছে সে সব পীর আউলিয়াদের পবিত্র মাজার শরীফ রয়েছে। নরসিংদী রেলওয়ে স্টেশনের অনতিদুরে পশ্চিমদিকে তরোয়া গ্রামে হযরত কাবুল শাহের মাজার, কুমরাদী গ্রামে হযরত শাহ মনসুরের মাজার, পাটুলী ইউনিয়নের হযরত শাহ ইরানী মাজার, ওয়ারী গ্রামে হযরত সোলায়মানের মাজার, এবং পারুলিয়া দেওয়ান সাহেবের মাজার বিশেষভাবে উলে­খযোগ্য।

নরসিংদী জেলার একটি বিশেষ এবং উলে­খযোগ্য ঐতিহ্য হচ্ছে তাঁত শিল্প। ‘প্রাচ্যের ম্যানচেষ্টার’ বলে খ্যাত শেখেরচর (বাবুরহাট) এ জেলায় অবস্থিত। বাংলাদেশের তাঁত বস্ত্রের চাহিদার প্রায় সিংহভাগ পূরণ করছে এ জেলার তাঁত শিল্প। শিক্ষা-সাহিত্য, ও সংস্কৃতি জগতে যারা্ আলোকবর্তিকা প্রজ্জ্বলিত করে নরসিংদীকে ঐতিহ্যমন্ডিত করেছেন তাঁরা হলেন উপমহাদেশের প্রথম বাঙালি আই সি এস স্যার কে, জি, গুপ্ত, পবিত্র কোরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদক ভাই গিরিশ চনদ্র সেন। অন্যদের মাঝে যাঁরা চিরকস্মরণীয় হয়ে রয়েছেন তাঁরা হচ্ছেন বিখ্যাত কবিয়াল হরিচরণ আচার্য, যিনি ‘কবিগুণাকর’’ উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন, মৌলভী সেকান্দর আলী, কবি দ্বিজদাস, আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি শামসুর রাহমান, আলাউদ্দিন আল-আজাদ এ জেলার গর্ব। আব্দুল মোমেন খান(প্রাক্তন খাদ্য মন্ত্রী) আহমদুল কবির মনু মিয়া(সম্পাদক, দৈনিক সংবাদ) প্রমূখ নরসিংদী জেলারই কৃতি সন্তান।

মহান মুক্তিযুদ্ধেও গৌরবময় ইতিহাস সৃষ্টিতেও নরসিংদীর ঐতিহ্য রয়েছে। যাঁর বুকের তাজা রক্ত মুক্তি পাগল জনতার মিছিলকে বেগবান করে স্বাধীনতা সংগ্রামের দিকে এগিয়ে নিয়েছিল সেই উনসত্তরের গণ আন্দোলনের শহীদ ‘আসাদ’ এবং স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ বীরশ্রেষ্ট ফ্লাইট লেফটেনেন্ট মতিউর রহমান এ জেলারই সন্তান। কলা, কাঁকরোল, শশা, সিম,বেগুন ,ধান, পাট, আলু ও লটকন উৎপাদনে উলে­খযোগ্য নরসিংদী বাংলাদেশের একটি অন্যতম কৃষি সমৃদ্ধ জেলা হিসেবে পরিচিত হয়েছে।

প্রখ্যাত ব্যাক্তিত্ব



প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব যারা নরসিংদী জেলাকে করেছেন মহিমান্বিত

রাজনীতিক সুন্দর আলী গান্ধী, সতিশ পাকরাশী, কবিরাজ ললিত মোহন দাস, কামিনী কিশোর মল্লিক ও বিজয় চ্যাটার্জী

সাহিত্য ও সংস্কৃতি জগতে যারা আলোকবর্তিকা প্রজ্জলিত করে চিরস্মরণীয় হয়ে রয়েছেন

কবিয়াল হরিচরণ আচার্য্য (‘কবিগুণাকর’ উপাধিতে ভুষিত), মৌলভী সেকান্দর আলী, কবি দ্বিজদাস, আধুনিক বাংলা সাহিত্যে দেশ বরেণ্য কবি শামসুর রহমান, সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক ও সমলোচক ড. আলাউদ্দিন আল-আজাদ, স্বাধীনবাংলা বেতার কেন্দ্রের বরনীয় শিল্পী মুক্তিযোদ্ধা আপেল মাহমুদ, গবেষক ও পবিত্র কোরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদক ভাই গিরিশ চন্দ্র সেন ।

সিভিল সার্ভিসসহ অন্যান্য পেশায় যারা স্বমহিমায় উদ্ভাসিত তারা হলেন

উপমহাদেশের প্রথম বাঙ্গালী আই সি এস স্যার কে,জি,গুপ্ত, সাবেক সচিব মোহাম্মদ আলী, সাবেক সেনাবাহিনী প্রধান মো: নূরউদ্দিন খান প্রমূখ।

04 December, 2017

বাংলা ইসলামিক উন্নমানের ১৮৮টি পিডিএফ বই ডাউনলোড করুন।

        
                           আবু গরিবের বন্দি
                                 ডাউনলোডhttp://www.mediafire.com/file/5ve5ofevoybalyd/Abu+Ghariber+Bondi.pdf

03 December, 2017

বিরাট তাফসিরুল কোরআন ও ওয়াজ মাহফিল

বিরাট তাফসিরুল কোরআন ও ওয়াজ মাহফিল। স্থানঃ পার পাতাইর খাঁপাড়া।

01 December, 2017

রিপন ভ্যারাইটি স্টোর,বেংদহ পাতাইর,সোনারপাড়া বাজার,কিচক Ripon varaiti store


রিপন ভ্যারাইটি স্টোর,বেংদহ পাতাইর,সোনারপাড়া,বাজার,কিচক,শিবগঞ্জ,বগুড়া

16 September, 2017

পাতাইর ধুলাঝাড়া এ ইউ দ্বিমুখী দাখীল মাদ্রাসা
কিচক দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় Kichok Demukhi Ucho biddaloy

ইসমাইল হোসেন