ওমরাহকে হজ্জে আসগর বলে। হজ্জ নির্দিষ্ট দিনগুলোতেই করতে হয়, কিন্তু ওমরাহ বছরের যে কোন সময়ই করা যায়।
ওমরার ওয়াজিব সমূহ
মাথার মুন্ডানো অথবা মাথার চুল ছাঁটানো। অপরাপর নিয়মাবলী হজ্বের মতই।
ওমরাহ করার নিয়ম
মীক্বাত থেকে হজ্জের ইহরামের মতই ওমরার নিয়্যতে ইহরাম বেঁধে নেবে। অতঃপর তালবিয়্যাহ পড়তে পড়তে হজ্জের নিয়মানুযায়ী মক্কা শরীফের দিকে অগ্রসর হবে। বাবুস সালাম গিয়ে মসজিদুল হারামে প্রবেশ করবে। এরপর রামার ও ইদ্বতিবা (এর নিয়ম তাওয়াফের বর্ণনায় আসছে) সহকারে তাওয়াফ করবে। তাওয়াফের পর মক্বামে ইব্রাহীমে দু রাকাত নামায পড়বে। অতঃপর হাজরে আসওয়াদ এ চুম্বন বা ইসতিলাম করে বাবুস সাফা অতিক্রম করে সাফা ও মারওয়ার সাঈ করবে। অতঃপর মাথা মুন্ডাবে কিংবা ছাঁটাবে। এরপর দু রাকআত নামায আদায় করবে। এভাবে ওমরার কাজ সুসম্পন্ন হবে।
মাথার মুন্ডানো অথবা মাথার চুল ছাঁটানো। অপরাপর নিয়মাবলী হজ্বের মতই।
ওমরাহ করার নিয়ম
মীক্বাত থেকে হজ্জের ইহরামের মতই ওমরার নিয়্যতে ইহরাম বেঁধে নেবে। অতঃপর তালবিয়্যাহ পড়তে পড়তে হজ্জের নিয়মানুযায়ী মক্কা শরীফের দিকে অগ্রসর হবে। বাবুস সালাম গিয়ে মসজিদুল হারামে প্রবেশ করবে। এরপর রামার ও ইদ্বতিবা (এর নিয়ম তাওয়াফের বর্ণনায় আসছে) সহকারে তাওয়াফ করবে। তাওয়াফের পর মক্বামে ইব্রাহীমে দু রাকাত নামায পড়বে। অতঃপর হাজরে আসওয়াদ এ চুম্বন বা ইসতিলাম করে বাবুস সাফা অতিক্রম করে সাফা ও মারওয়ার সাঈ করবে। অতঃপর মাথা মুন্ডাবে কিংবা ছাঁটাবে। এরপর দু রাকআত নামায আদায় করবে। এভাবে ওমরার কাজ সুসম্পন্ন হবে।
১. আফাক্বী কিংবা হেরমবাসী সকলের জন্য ওমরার ইহরাম হিল (হেরমের বাইরে) থেকে বাঁধতে হয়। কিন্তু মক্কাবাসী হজ্জের ইহরাম হেরম থেকে পরিধান করবে। অবশ্যই আফাক্বীদের সংশ্লিষ্ট মীক্বাত থেকে ইহরাম পরিধান করতে হয়।
২.হজ্জ ফরয। ওমরাহ হজ্জ নয়।
৩.হজ্জ এক নির্দিষ্ট সময়ে করতে হয় কিন্তু ওমরাহ বৎসরে যে কোন সময়ই করা যায়। তবে ৯ জিলহজ্ব থেকে ১৩ জিলহজ্ব পর্যন্ত ওমরাহ করা মাকরূহ।
৪.ওমরার মধ্যে আরাফাত ও মুযদালিফায় অবস্থান, দু নামায এক সাথে আদায় করা ও খুতবার বিধান নেই। তাওয়াফে কুদূম এবং তাওয়াফে বিদাও নেই কিন্তু ওই সব কাজ হজ্জের মধ্যে রয়েছে।
৫.ওমরার মধ্যে তাওয়াফ আরম্ভ করার সময় তালবিয়াহ পড়া মওকুফ করা হয়। আর হজ্জের মধ্যে জামরাতুল আক্বাবাহতে রামী (কংকর নিক্ষেপ) করার সময় মওকূফ করা হয়।
৬.ওমরাহ নষ্ট হলে বা জানাবত (ওই নাপাকী যা দ্বারা গোসল ফরয হয়) অবস্থায় তাওয়াফ করলে (দম হিসেবে) একটা ছাগল বা মেষ জবেহ করা যথেষ্ট, কিন্তু হজ্জে যথেষ্ট নয় বরং পরবর্তী বছর পুনরায় সম্পন্ন করতে হয়।
২.হজ্জ ফরয। ওমরাহ হজ্জ নয়।
৩.হজ্জ এক নির্দিষ্ট সময়ে করতে হয় কিন্তু ওমরাহ বৎসরে যে কোন সময়ই করা যায়। তবে ৯ জিলহজ্ব থেকে ১৩ জিলহজ্ব পর্যন্ত ওমরাহ করা মাকরূহ।
৪.ওমরার মধ্যে আরাফাত ও মুযদালিফায় অবস্থান, দু নামায এক সাথে আদায় করা ও খুতবার বিধান নেই। তাওয়াফে কুদূম এবং তাওয়াফে বিদাও নেই কিন্তু ওই সব কাজ হজ্জের মধ্যে রয়েছে।
৫.ওমরার মধ্যে তাওয়াফ আরম্ভ করার সময় তালবিয়াহ পড়া মওকুফ করা হয়। আর হজ্জের মধ্যে জামরাতুল আক্বাবাহতে রামী (কংকর নিক্ষেপ) করার সময় মওকূফ করা হয়।
৬.ওমরাহ নষ্ট হলে বা জানাবত (ওই নাপাকী যা দ্বারা গোসল ফরয হয়) অবস্থায় তাওয়াফ করলে (দম হিসেবে) একটা ছাগল বা মেষ জবেহ করা যথেষ্ট, কিন্তু হজ্জে যথেষ্ট নয় বরং পরবর্তী বছর পুনরায় সম্পন্ন করতে হয়।
ওমরাহর নিয়্যাত: আল্লাহুমা ইন্নী উরীদুল উমরাতা ফায়াচ্ছির লী ওয়াতাক্কাব্বাল মিন্নী। বাংলা নিয়ত হে আল্লাহ আমি ওমরাহ্ পালনের জন্য ইহরাম বাধলাম তা সহজ করে দিন এবং কবুল করে নিন।
No comments:
Post a Comment