14 December, 2018

যে দোয়া পাঠ করলে শয়তান কোন ক্ষতি করতে পারবে না


আমরা প্রতিদিনই জেনে বা না জেনে কোন না কোন পাপ কাজে জড়িয়ে পড়ি। যার নিশ্চিত শাস্তি হচ্ছে জাহান্নাম। কিন্তু মহান আল্লাহ্‌ তায়ালার কাছে নিচের দোয়াগুলো পড়ে আমল করলে আল্লাহ্‌ তায়ালা নিজেই আমাদের নিরাপদে রাখবে। আর আমরা যদি পাপ থেকে নিজেদের দূরে রাখতে পারি তাহলে নিশ্চিত ভাবেই দুনিয়া এবং আখিরাতে শান্তিতে নয় বরং প্রশান্তিতে থাকতে পারব। চলুন দোয়াগুলো জেনে নিই।
শয়তান থেকে নিরাপদে থাকার দোয়া
শয়তান থেকে নিরাপদে থাকার জন্য প্রত্যেহ ফজরের পর নিম্নের দোয়াটি পাঠ করলে শয়তান তার ওপর কোনো প্রভাব বিস্তার করতে পারে না।
দোয়া :
‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ইয়ুহয়ি ওয়া ইয়ামুতু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির।’
অর্থ :
আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি এক। তার কোনো শরিক নেই, সার্বভৌমত্ব তারই, সব প্রশংসা তারই জন্য, তিনিই জীবন ও মৃত্যুদান করেন আর তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান। (তিরমিজি)।
হজরত আবু যর (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি ফজরের নামাজের পর দুই পা ভাজ অবস্থায় কারো সঙ্গে কথা বলার পূর্বে দশ বার উপরোক্ত দোয়াটি পাঠ করে- তার আমলনামায় দশটি নেকি লেখা হয়, দশটি গুনাহ বিলুপ্ত করা হয় এবং দশগুণ মর্যাদা বৃদ্ধি করা হয়। সে ওই দিন সব রকমের বিপদ থেকে মুক্ত থাকে, তাকে শয়তানের ধোঁকা থেকে নিরাপদে রাখতে পাহারার (ফেরেশতাদের দিয়ে) ব্যবস্থা করা হয়। তবে ওই দিন শিরক ছাড়া অন্য কোনো গুনাহ তাকে ক্ষতিগ্রস্থ করতে পারে না। -তিরমিজি বাড়ী থেকে বের হওয়ার সময় পড়ার দোয়া হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি তার বাড়ী থেকে বের হওয়ার সময় এই দোয়াটি বলবে, তাকে বলা হয়- তোমাকে হেদায়েত দেয়া হয়েছে, যথেষ্ট দেয়া হয়েছে এবং হেফাজতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আর শয়তান তার থেকে দূরে চলে যায়। -তিরমিজি
দোয়া :
বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহি লা হাওয়া ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ।
অর্থ :
আল্লাহর নামে বের হলাম এবং আল্লাহর ওপর ভরসা করলাম। আল্লাহ্‌ ছাড়া অকল্যাণরোধ বা কল্যাণ হাসিল করার শক্তি অন্য কারো নেই।

No comments:

Post a Comment

ইসমাইল হোসেন