05 January, 2021

উপনিবেশিক শাসন,সাধারন জ্ঞান

 

উপনিবেশিক শাসন

১/ বাংলায় ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে প্রথম এসছিলো -- পর্তুগীজরা।
২/ পর্তুগীজরা দেশে পরিচিত ছিল – ফিরিঙ্গি নামে।
৩/ পতুগীজ নাবিক ভাস্কো-ডা-গামা ভারতবর্ষে আসেন -- ১৪৯৮ সালে।
৪/ ইউরোপ থেকে সমুদ্র পথে ভারতবর্ষে আসার পথ আবিস্কৃত হয় -- ১৪৮৭ সালে।
৫/ পঞ্জিচেরিতে প্রথম উপনিবেশ গড়ে তোলেন – ফরাসিরা।
৬/ ভারতে ব্রিটিশ শাসনের সূত্রপাত ঘটে – ফোর্ট উইলিয়াম দূর্গকে কেন্দ্র করে।
৭/ পর্তুগীজরা বাংলায় ব্যবসা বাণিজ্য আরম্ভ করে -- ১৫৮০ সালে।
৮/ বাংলা থেকে আরব বণিকদের বিতাড়িত করে -- পর্তৃগ্রীজ নাবিক পেড্রো আলভারেজ কাব্রাল।
৯/ বাংলা থেকে পর্তূগীজদের বিতাড়িত করেন – কাসিম খান জুয়ানি।
১০/ সুরাটে ইংরেজদের বানিজ্যকুঠি নির্মাণের অনুমতি দেন – সম্রাট জাহাঙ্গীর।
১১/ পর্তুগ্রীজদের পর বানিজ্যের জন্য বাংলায় আসে -- ওলন্দাজরা।
১২/ ইউনাইটেড ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী গঠন করেন -- ওলন্দাজগণ, ১৬০২ সালে।
১৩/ ফরাসিরা বাংলায় বানিজ্য করতে আগমন করে -- ১৬৬৮ সালে।
১৪/ ফরাসি ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী গঠিত হয় --১৬৬৪ সালে।
১৫/ ব্রিটিশ ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী গঠিত হয় - -১৬০০ সালে।
১৬/ ভারতে ফরাসিদের সাম্রাজ্য বিস্তারের স্বপ্ন ভেঙ্গে যায় --১৭৬০ সালের বন্দিবাসের যুদ্ধে।
১৭/ বন্দিবাসের যুদ্ধে কে, কার কাছে পরাজয় স্বীকার করে -- ইং সেনাপতি আয়ারকুটের কাছে ফরাসি গর্ভনর কাউন্ট লালী।
১৮/ উপমহাদেশে ব্যর্থ হয়ে ওলন্দাজরা বানিজ্য স্থাপন করে - - ইন্দোনেশিয়ায়।
১৯/ প্রথম কর্ণাট যুদ্ধ সংঘটিত হয় - - ফরসিদের সাথে ইংরেজদের মধ্যে ১৭৪৬ সালে।
২০/ ইংরেজরা বাংলায় প্রথম কুঠি স্থাপন করে - - সুরাটে।
২১/ শান্তিপূর্ন বানিজ্য নীতি পরিত্যাগ করে বন্দর আক্রমন করে - - ইংরেজ নৌবাহিনীর জন চাইল্ড।
২২/ বাংলায় ইংরেজদের যে কুঠিটি সবচেয়ে সুরক্ষিত ছিল - - ফোর্ট উইলিয়াম।
২৩/ মুঘল সম্রাটের সাথে ইংরেজদের সন্ধি হয় - -১৬৬০ সালে।
২৪/ কলকাতা নগরী প্রতিষ্ঠা করেন - - ইংরেজ কর্মচারী জন চার্নক।
২৫/ ইংরেজরা বাংলা আক্রমন করে - -১৬৮৬ সালে।
২৬/নবাব সিরাজুদ্দৌলা ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ দখল করেন -- ২০ জুন ১৭৫৬।
২৭/ নবাব আলীবর্দী খানের মৃত্যু হয় -- ১৭৫৬ সালে।
২৮/ রেজরা কলকাতা অধিকার করে - -০২ জানুয়ারী ১৭৫৭।
২৯/পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয় -- ২৩ শে জুন, ১৭৫৭ সালে।
৩০/ নবাব সিরাজুদ্দৌলা জন্মগ্রহন করেন -- ১৭৩৩ খ্রিষ্টাব্দে।
৩১/ নবাব মীর কাশিম ও ইংরেজদের মধ্যে যুদ্ধ বাধে - -১৭৬৪ সালে।
৩২/ উপমহাদেশের প্রথম ব্রিটিশ গর্ভনর ছিল - - লর্ড ক্লাইভ।
৩৩/ দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার প্রর্বতন করেন - - লর্ড ক্লাইভ।
৩৪/ দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা চালূ হয় - -১৭৬৭ সালে।
৩৫/ দ্বৈত শাসন ব্যবস্থায় শাসন কর্তৃত্ব ন্যাস্ত হয় - - নবাবের উপর।
৩৬/ দ্বৈত শাসন ব্যবস্থায় শাসন রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব কার ওপর ন্যাস্ত হয় - - লর্ড ক্লাইভ।
৩৭/ ছিয়াত্তরের মন্বন্তর হয়েছিল - - ১১৭৬ বাং এবং ১৭৭০ ইং সালে।
৩৮/ পঞ্চাশের মন্বন্তর হয়েছিল - - ১৩৫০ বাং এবং ১৯৪৩ ইং সালে।
৩৯/ অন্ধ কূপ হত্যাকান্ড সংগঠিত হয়েছিল - -১৭৫৬ সালে।
৪০/ বাংলায় দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা রহিত করেন - - ওয়ারেন হেষ্টিংস।
৪১/ নিলাম সুত্রে জমি বন্দোবস্তের প্রথা চালু করেন - - ওয়ারেন হেষ্টিংস।
৪২/ ওয়ারেন হেস্টিংস বাংলার গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন - - ১৭৭২ সালে।
৪৩/ চিরস্থায়ী ভূমি বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন - - লর্ড কর্নওয়ালিস (১৭৯৩ সালে)।
৪৪/ বাংলার রাজধানী মুর্শিদাবাদ থেকে কলকাতায় স্থানান্তর করেন - - ওয়ারেন হেস্টিংস।
৪৫/ কলকাতা নগরী প্রতিষ্ঠিত হয় - - ১৬৯০ সালে।
৪৬/ বর্গী নামে পরিচিতি ছিল - - মারাঠারা।
৪৭/ বাংলার রাজধানী মুর্শিদাবাদ থেকে মুঙ্গরে স্থানান্তর করেন - - মীর কাসিম।
৪৮/ ইংরেজদের সাথে মীর কাসিমের যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল - - বক্সারে।
৪৯/ বক্সারের যুদ্ধ হয়েছিল - - ১৭৬৪ সালে।
৫০/ ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ভারত শাসন আইন বা রেগুলেটিং এ্যাক্ট পাশ হয় - -১৭৭৩ সালে।
৫১/ উপমহাদেশে সর্বপ্রথম রাজস্ব বোর্ড স্থাপন করেন - - ওয়ারেন হেষ্টিংস।
৫২/ পাঁচশালা বন্দোবস্তের প্রর্বতন করেন - - ওয়ারেন হেস্টিংস।
৫৩/ আদালতে ফরাসি ভাষার পরিবর্তে দেশীয় ভাষার প্রচলন করেন - - লর্ড বেন্টিঙ্ক।
৫৪/ সতীদাহ প্রথার বিলোপ সাধন করেন - - লর্ড বেন্টিঙ্ক (১৮২৯ সালে)।
৫৫/ উপমহাদেশে সংস্কৃতি ও ফরাসি পাশাপাশি ইংরেজি শিক্ষার প্রবর্তন করেন - - লর্ড বেন্টিঙ্ক।
৫৬/ বিধবা বিবাহ আইন প্রচলন কে, কখন করেন - - লর্ড ক্যানিং (১৮৫৬ সালে)।
৫৭/ ‘ইন্ডিয়ান পেনাল কোড’ প্রণীত হয় – ১৮৬০ সালে।
৫৮/ ভারতে খাজনা আইন পাশ হয় – ১৮৫৯ সালে।
৫৯/ সর্বশেষ মুঘল সম্রাট ছিলেন – দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ।
৬০/ ভারতের যে ভাইসরয় নাম করা কবি ও সাহিত্যিক ছিলেন – লর্ড লিটন।
৬১/ ‘ভারতবন্ধু’ নামে পরিচিত লর্ড রিপন কর্তৃক গঠিত শিক্ষা কমিশনের নাম – হান্টার কমিশন।
৬২/ বঙ্গভঙ্গ রদ করেন – লর্ড হার্ডিঞ্জ (১৯১১ সালে)।
৬৩/ ব্রিটিশ ভাইসরয়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সাম্রাজ্যবাদী ছিলেন – লর্ড ডালহৌসী।
৬৪/ উপমহাদেশের সর্বপ্রথম রেল যোগাযোগ চালু করেন - - লর্ড ডালহৌসী, ১৮৫৩ সালে।
৬৫/ উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রার প্রচলন করেন - - লর্ড ক্যানিং।
৬৬/ উপমহাদেশে ব্রিটিশ বিরোধী সিপাহী বিদ্রোহ সংঘটিত হয় - -১৮৫৭ সালে ৯ মার্চ, বঙ্গদেশের ব্যারাকপুরে।
৬৭/ সিপাহী বিদ্রোহের পর ইংরেজরা সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফরকে নির্বাসন দেন - - মায়ানমারে।
৬৮/ মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফরের সমাধি অবস্থিত - - মায়ানমারে।
৬৯/ যে দেশের লোকদের ওলন্দাজ বলা হয় - - হল্যান্ডের।
৭০/ উপমহাদেশের সর্বশেষ ব্রিটিশ গর্ভনর ছিল - - লর্ড মাউন্ট ব্যাটন।
৭১/ আহসান মঞ্জিল প্রতিষ্ঠা করেন - - নবাব আবদুল গনি, ১৯৭২ সালে।
৭২/ বঙ্গ প্রদেশকে বেঙ্গল ও আসাম প্রদেশে বিভক্ত করেন – লর্ড কার্জন।
৭৩/ কার্জন হলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন - -১৯০৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারী, লর্ড কার্জন।

বাংলায় মুঘল আমল,সাধারণ জ্ঞান

 

বাংলায় মুঘল আমল

১/ শায়েস্তা খান সুবেদার হয়ে বাংলায় আসেন -- ১৬৬৪ সালে।
২/ শায়েস্তা খান দ্বিতীয়বার ঢাকায় আসেন -- ১৬৮০ সালে।
৩/ মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা -- জহিরউদ্দীন মুহাম্মদ বাবর।
৪/ বাবরের মৃত্যু পর বাংলার মসনদে উপবিষ্ট হন -- নাসির উদ্দীন মুহম্মদ হুমায়ুন।
৫/ যে যুদ্ধের ফলে বাংলাদেশ মুঘল সাম্রাজ্যের অর্ন্তভুক্তি হয় -- রাজমহলের যুদ্ধে।
৬/ শায়েস্তা খানের কন্যা পরিবিবির মৃত্যু হয় - -১৬৮৪ সালে।
৭/ শায়েস্তা খান ছিলেন -- শাহজাহানের প্রধানমন্ত্রী আসক খানের ছেলে।
৮/ শায়েস্তা খানের পূর্ন নাম -- মির্জা আবু তালেব ওরফে শায়েস্তাা খান।
৯/ শায়েস্তা খান মোট কত বছর বাংলায় থাকেন -- মোট ২৪ বছর।
১০/ শায়েস্তা খান ঢাকায় থাকতেন -- মিডর্ফোড হাসপাতাল প্রাঙ্গনে, বুড়িগঙ্গার তীরে।
১১/ চট্টগ্রামের নাম ইসলামাবাদ রাখেন - - শায়েস্তা খান।
১২/ লালবাগ কেল্লার সামনের এক গম্বুজওয়ালা কারুকাজ মন্ডিত স্থাপত্য নিদর্শন কি -- পরিবিবির মাজার।
১৩/ লালবাগে পরিবিবির সমাধিসৌধ তৈরী করেন - - শায়েস্তা খান।
১৪/ পরিবিবি ছিলেন -- নবাব শায়েস্তার খানের কন্যা।
১৫/ পরিবিবির আমল নাম -- ইরান দুখত।
১৬/ সুবাদার ইসলাম খান ঢাকায় রাজধানী স্থাপন করেন -- ১৬১০ সালে।
১৭/ লালবাগের শাহী মসজিদ নির্মিত হয় -- যুবরাজ মোহাম্মদ আযম- এর আমলে।
১৮/ শাহ মোহম্মদ আজম ছিলেন -- সম্রাট আওরঙ্গজেবের তৃতীয় সন্তান।
১৯/ শাহ মোহম্মদ আজম লালবাগ দুর্গের কাজ আরম্ভ করেন -- ১৬৭৮ সালে।
২০/ শাহ মোহম্মদ আজম প্রথমে লালবাগ কেল্লার নামকরণ করেন - - কিল্লা আওরঙ্গবাদ।
২১/ লালবাগ দুর্গ প্রাঙ্গনের দৈর্ঘ্য -- পূর্ব-পশ্চিমে ১২০০ ফুট ও উত্তর-দক্ষিণে ৮০০ ফুট।
২২/ বিশ্ব বিখ্যাত মসলিন বস্ত্র তৈরী হত - - মুঘল আমলে।
২৩/ ঈসা খানের রাজধানী ছিল - - সোনারগাঁয়ে।
২৪/ রাজস্ব আদায়ের জন্য ইজারাদারী প্রথা প্রবর্তন করেন - - মুর্শিদকুলি খান।
২৫/ সম্রাট আকবর বাংলা জয় করেন - - ১৫৭৬ সালে।
২৬/ শাহবাজ খান বাংলার সুবাদার নিযু্‌ক্ত হন - - ১৮৫৩ সালে।
২৭/ মীর জুমলা বাংলার সুবেদার ছিলেন - - ১৬৬০-১৬৬৩ সাল পর্যন্ত ৩ বছর।
২৮/ মুঘল সাম্রাজ্যের শৌর্যবীর্যের প্রতীক সম্রাট আকবরের মৃত্যু হয় -- ১৬০৫ সালে।
২৯/ ইসলাম খান ঢাকায় রাজধানী স্থাপন করেন - - রাজমহল থেকে।
৩০/ ঢাকার দোলাই খাল খনন করেন - - সুবেদর ইসলাম খান।
৩১/ পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয় - - ১৫৫৬ সালে, আকবরের সেনাপতি বৈরাম খান ও হিমুর।
৩২/ পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয় কোন সালে -- ১৭৬১ সালে, আহমেদ শাহ আবদালী ও মারাঠাদের।
৩৩/ শেরশাহ হুমায়ুনকে পরাজিত করে দিল্লীর সিংহাসন দখল করেন - - কনৌজের যু্‌দ্ধ।
৩৪/ বাংলাকে জান্নাতাবাদ বলে ঘোষনা করেন - - সম্রাট হুমায়ুন।
৩৫/ ভারতবর্ষে ঘোড়ার ডাকের প্রচলন করেন - - শেরশাহ।
৩৬/ গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড নির্মান করেন - - শেরশাহ।
৩৭/ দাম নামক মুদ্রা দিল্লীর যে সুলতানের সময় প্রচলিত ছিল - - শেরশাহ।
৩৮/ আকবর দিল্লীর সিংহাসনে বসার সময় তার বয়স ছিল - - ১৩ বছর।
৩৯/ সম্রাট আকবরের প্রবর্তিত ধর্মের নাম -- দীন-ই-ইলাহী।
৪০/ যার আমলে সমগ্র বাংলা সুবহ-ই-বাঙ্গালাহ নামে পরিচিত ছিল -- সম্রাট আকবর।
৪১/ যে মুঘল সম্রাট জিজিয়া কর রহিত করেন -- সম্রাট আকবর।
৪২/ সম্রাট আকবরের রাজস্ব মন্ত্রী ছিলেন -- টোডরমল।
৪৩/ অমৃতসর স্বর্ণ মন্দির তৈরী হয় - - সম্রাট আকবরের আমলে।
৪৪/ বুলান্দ দরওয়াজা নির্মান করেন - - সম্রাট আকবর।
৪৫/ আকবর যে রাজপুত রমনীর পানি গ্রহন করেছিলেন - - জোধা বাঈ।
৪৬/ সম্রাট আকবরের সমাধি অবস্থিত - -সেকেন্দ্রায়।
৪৭/ যে মুঘল সম্রাট Prince of Builders নামে খ্যাত - - সম্রাট শাহজাহান।
৪৮/ দিল্লীর দেওয়ান-ই-আম ও দেওয়ান-ই-খাস নির্মান করেন কে - - সম্রাট শাহজাহান।
৪৯/ আগ্রার জামে মসজিদ নির্মান করেন - - সম্রাট শাহজাহান।
৫০/ ময়ূর সিংহাসনের নির্মাতা - - সম্রাট শাহজাহান।
৫১/ ময়ূর সিংহাসন লুন্ঠন করেন - - পারস্যের নাদির শাহ (১৭৩৯)।
৫২/ ময়ূর সিংহাসন বর্তমানে রক্ষিত আছে - - ইরানে।
৫৩/ দিল্লীর লাল কেল্লা নির্মান করেন -- শাহজাহান।
৫৪/ সর্বশেষ মোগল সম্রাট - - দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ।
৫৫/ সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহের সমাধি অবস্থিত - - রেঙ্গুনে (ইয়াঙ্গুন), মায়ানমার।
৫৬/ মারাঠা বংশের শ্রেষ্ঠ নরপতি ছিলেন - - শিবাজী।
৫৭/ শিবাজীর তরবারির আঘাতে আঙ্গুল কাটাঁ যায় - - শায়েস্তা খানের।
৫৮/ হুসেনী দালাল (ইমাম বাড়ি) নির্মান করেন - - মীর মুরাদ।
৫৯/ ঢাকার সাত গম্বুজ মসজিদ নির্মান করেন - - ১৬৮০ সালে, নবাব শায়েস্তা খাঁ।
৬০/ গ্রান্ডট্রাঙ্ক রোড তৈরী করা হয় - - শেরশাহ এর নির্দেশে।
৬১/ ঢাকার নাম জাহাঙ্গীর নগর রাখেন - - ইসলাম খান।
৬২/ বাংলার বার ভুইয়ার মধ্যে শ্রেষ্ঠ ভুঁইয়া - - ঈসা খান।
৬৩/ বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় নিয়ে আসেন - - মীর জুমলা।
৬৪/ মুর্শিদকুলী খান বাংলার দেওয়ান নিযুক্ত হন - - আওরঙ্গজেব এর রাজত্বকালে।
৬৫/ মুর্শিদকুলী খান স্বাধীনভাবে বাংলাদেশ শাসন করেন - - সম্রাট আওরঙ্গজেব এর মৃত্যুর পর।
৬৬/ যে মুঘল সুবেদার পর্তুগ্রীজদের চট্টগ্রাম থেকে বিতাড়িত করেন - - শায়েস্তা খান।
৬৭/ মুর্শিদকুলী খান ইন্তেকাল করেন - -১৭২৭ সালে।
৬৮/ বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব ছিলেন -- মুর্শিদকুলী খান।
৬৯/ মূঘল সুবেদারদের প্রথম রাজধানী ছিল -- মুর্শিদাবাদ।
৭০/ বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন -- সিরাজউদ্দৌলা।
৭১/ বড় কাটরা নির্মিত হয় -- ১৬৪৪ সালে।
৭২/ বড় কাটরা যার আমলে নির্মিত হয় -- সুবেদার ইসলাম খান।

সুলতানী আমল,সাধারণ জ্ঞান

 

সুলতানী আমল

১/ সুলতান মাহমুদ ভারতবর্ষ আক্রমন করে কত বার - - ১৭ বার।
২/ সুলতাল মাহমুদ ভারত আক্রমন করেন - - ১০০০ সালে।
৩/ সুলতান মাহমুদের সভাকবি কে ছিলেন - - মহা কবি ফেরদৌসি।
৪/ আল বিরুনী নামকরা দার্শনিক ও জ্যের্তিবিদ হিসাবে কর্মরত ছিলেন -- সুলতান মাহমুদের।
৫/ ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজী নদীয়া আক্রমন করে -- ১২০৪ খ্রিঃ।
৬/ বাংলায় মুসলিম আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয় -- ত্রয়োদশ শতকে।
৭/ সুলতান মাহমুদ ছিলেন -- গজনীর অধিপতি।
৮/ সুলতান মাহমুদ বারবার ভারত আক্রমনের করেন - - ধনসম্পদ লুট করার জন্য।
৯/ মুহম্মদ ঘুরী ও পৃথ্বীরাজের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় -- তরাইনের প্রথম যুদ্ধ।
১০/ দিল্লীর সিংহাসনে আরোহনকারী প্রথম মুসলমান নারী -- সুলতানা রাজিয়া।
১১/ পরিব্রাজক ইবনে বতুতা যার সময়ে দিল্লীতে আসেন-- মুহাম্মদ বিন তুঘলক।
১২/ ইবনে বতুতা যে দেশের অধিবাসী ছিলেন - - উত্তর আফ্রিকার মরক্কো।
১৩/ পূর্বে বলঘকপুর বা বিদ্রোহের দেশ নামে পরিচিতি ছিল - - বাংলা।
১৪/ ইবনে বতুতা কেন বাংলাদেশকে ধনসম্পদপূণ নরক বা দোযখপুর নিয়ামত বলেন - - সম্পদের প্রাচুর্য ও প্রতিকূল আবহাওয়ার জন্য।
১৫/ বাংলার অপরূপ বর্ণনা পাওয়া যায় ইবনে বতুতার যে গ্রন্থে - - কিতাবুল রেহালা।
১৬/ দিল্লী হতে রাজধানী দেবগিরিতে স্থানান্তর করেন - - মুহম্মদ বিন তুঘলক।
১৭/ ভারতে সর্বপ্রথম তুর্কী সাম্রাজ্য বিন্তার করেন -- মুহাম্মদ ঘুরী।
১৮/ ভারতে তুর্কী সাম্রাজ্যের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা -- কুতুবউদ্দিন আইবেক।
১৯/ কুতুবউদ্দিন আইবেক মৃত্যুবরন করেন -- ১২১০ সালে।
২০/ কোন সুলতান সুলতানই আজম খেতাবে ভুষিত হন -- সুলতান ইলতুৎমিশ।
২১/ দিল্লীর কুতুব মিনার নির্মান করেন - - সুলতান কুতুবউদ্দিন-এর সময় নির্মান শুরু এবং ইলতুৎমিশের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় সমাপ্ত।
২২/ মুহম্‌দ বিন তুঘলক (উলুখ খান) দিল্লীর সিংহাসনে আসীন হয় -- ১৩২৫ সালে।
২৩/ ইব্রাহীম লোদী সিংহাসনে আরোহন করেন -- ১৫১৭ সালে।
২৪/ পানি পথের প্রথম যুদ্ধ সংঘটিত হয় -- ১৫২৬ সালে, ইব্রাহিম লোদী ও সম্রাট বাবরের মধ্যে।
২৫/ শাহ-ই- বাঙালা উপাধিতে ভুষিত করা হয় -- সমগ্র বাংলার ১ম সুলতান শামছুদ্দীন ইলিয়াস শাহ।
২৬/ বাংলার সুলতানদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ সুলতান ছিলেন -- আলাউদ্দিন হোসেন শাহ।
২৭/ নাসিরউদ্দিন মাহমুদ বাংলার সিংহাসনে বসেন -- ১৪৪২ সালে।
২৮/ জালাল উদ্দিন মুহম্মদ নাম ধারন করে বাংলার সিংহাসনে আরোহণ করেন -- রাজা গণেশের ছেলে যদু সেন।
২৯/ যার পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলায় মহাভারত রচিত হয় -- পরাগল খান ও ছুটি খান।
৩০/ যে মুসলমান সুলতান সর্বপ্রথম সমগ্র বাংলার অধিপতি হন -- ইলিয়াস শাহ।
৩১/ মালদহের বড় পান্ডু্রয়ার বিখ্যাত আদিনা মসজিদ নির্মান করেন -- সিকান্দার শাহ।
৩২/ গৌড়ের কদম রসুল ও বড় সোনা মসজিদ কে নির্মান করেন -- নসরত শাহ।
৩৩/ উত্তর আফ্রিকার পর্যটক ইবনে বতুতা পূর্ব বাংলায় কার এসেছিলেন -- মুহম্মদ বিন তুঘলক আমলে।
৩৪/ যার শাসনামলে পীর খান জাহান আলী খুলনা অঞ্চলে ইসলাম ধর্ম প্রচারে নিয়োজিত হন -- নাসিরুদ্দীন মুহাম্মদ শাহ।
৩৫/ বাংলার যে শাসনকর্তার সময় হযরত শাহজালাল (রাঃ) ধর্ম প্রচারে বাংলায় আসেন -- সুলতান শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ।
৩৬/ যে সম্রাট অশ্ববিক্রেতার বেশে নদীয়া আক্রমন করেন -- বখতিয়ার খলজি।
৩৭/ বখতিয়ার খলজি যে স্থানে মৃত্যুবরন করেন -- দেবকোটে।
৩৮/ বখতিয়ার খলজি বাংলাদেশ জয় করেন -- ১৭ জন সৈন্য নিয়ে ।
৩৯/ আলাউদ্দিন হোসেন শাহের রাজধানী ছিল -- একডালা।
৪০/ সুলতানী আমলে লোকেরা বেচাকেনার জন্য ব্যবহার করত -- রৌপ্য মুদ্রা।

প্রাচীন বাংলা সাধারণ জ্ঞান

 

প্রাচীন বাংলা

১/ গুপ্তযুগে বঙ্গের ভাগ কয়টি ছিল -- দুটি।
২/ গুপ্ত বংশের রাজত্বকাল স্থায়ী হয়েছিল -- ৩২০-৫৫০ খ্রিঃ।
৩/ গুপ্ত সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা -- ১ম চন্দ্রগুপ্ত (শ্রী-গুপ্ত)।
৪/ গুপ্ত সাম্রাজ্যের গোড়া পত্তন হয় -- ৩২০ খ্রিঃ।
৫/ গুপ্ত বংশের মধ্যে স্বাধীন ও শক্তিশালী রাজা ছিলেন -- ১ম চন্দ্রগুপ্ত।
৬/ ১ম চন্দ্রগুপ্তের উপাধি ছিল -- রাজাধিরাজ।
৭/ গুপ্ত বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা -- সমুদ্রগুপ্ত।
৮/ সমূদ্রগুপ্ত সিংহাসনে আরোহন করেছিল -- ৩৩৫ খ্রিঃ।
৯/ সমূদ্রগুপ্ত বছর রাজ্য শাসন করেন -- ৪৫ বছর (৩৮০ খ্রিঃ পর্যন্ত)।
১০/ সমূদ্রগুপ্তের পিতা ছিলেন -- ১ম চন্দ্রগুপ্ত।
১১/ মহাকবি কালিদাস সভাকবি ছিলেন -- ২য় চন্দ্রগুপ্ত রাজার।
১২/ বিক্রমাদিত্য উপাধী ছিল -- ২য় চন্দ্রগুপ্ত।
১৩/ ২য় চন্দ্রগুপ্ত-এর রাজত্বকাল ছিল -- ৩৮০-৪১৩ খ্রিঃ।
১৪/ অজান্তার গুহাচিত্র কোন যুগের সৃস্টি -- গুপ্তযুগের।
১৫/ গুপ্ত বংশের কোন সম্রাটকে ভারতীয় নেপোলিয়ন বলা হত -- সমুদ্রগুপ্তকে।
১৬/ সর্ব প্রথম কোন চীনা পরিব্রাজক ভারতবর্ষে আগমন করেন -- ফা-ইয়েন।
১৭/ ফা-হিয়েন কার সময়ে ভারতবর্ষ পরিভ্রমন করেন -- ২য় চন্দ্রগুপ্ত।
১৮/ ফা-হিয়েনের ভারত পরিভ্রমনের কারণ কি ছিল -- বৌদ্ধ ধর্মপুস্তক ‘বিনায়াপিটক’ এর মূল রচনা সংগ্রহ করা।
১৯/ ফা-হিয়েন কত বছর ভারতবর্ষে অবস্থান করেন -- তিন বছর।
২০/ গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে কখন -- স্কন্দগুপ্তের বিক্রমাদিত্যের জীবনাবসনে।
২১/ কখন সম্রাট আলেকজান্ডার ভারতবর্ষে আগমন করেন -- খ্রীস্টপূর্ব ৩২৭ অব্দে।
২২/ আলেকজান্ডারের গৃহ শিক্ষক কে ছিলেন -- এরিস্টটল।
২৩/ স্বাধীন গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন -- শশাঙ্ক।
২৪/ গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয় -- ৬০৬ সালে।
২৫/ গৌড় রাজ্যের রাজধানীর নাম ছিল – কর্ণসুবর্ণ।
২৬/ গৌড়ের স্বাধীন নরপতি ছিলেন -- শশাঙ্ক।
২৭/ গৌড় বংশের শক্তিশালী রাজা ছিলেন -- শশাঙ্ক।
২৮/ শশাঙ্কের রাজধানী ছিল - - কর্ণসুবর্ণ।
২৯/ শশাঙ্কের উপাধি ছিল - - মহাসামন্ত।
৩০/ হিউয়েন সাঙ বৌদ্ধধর্মের নিগ্রহকারী হিসেবে অবিহিত করেছেন - - শশাংঙ্ককে।
৩১/ শশাঙ্কের পর গৌড় রাজ্য দখল করেন - - হর্ষবর্ধন।
৩২/ আরবরা সিন্ধু আক্রমন করে - - ৭১২ খ্রিষ্টাব্দে।
৩৩/ পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা -- গোপাল।
৩৪/ গোপালের রাজত্বকাল ছিল -- ৭৫০ থেকে ৭৭০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ২০ বছর।
৩৫/ পাল বংশের রাজাগণ বাংলায় কত বছর রাজত্ব করেছেন -- প্রায় চারশ বছর।
৩৬/ পাল রাজারা যে ধর্মাবলম্বী ছিলেন -- বৌদ্ধ।
৩৭/ বাংলার দীর্ঘস্থায়ী রাজবংশ -- পাল বংশ।
৩৮/ পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা কে -- ধর্মপাল।
৩৯/ গোপালের পরে বঙ্গ দেশের সিংহাসনে আসীন হন -- ধর্মপাল।
৪০/ ধর্মপাল বৌদ্ধ ধর্মপ্রসারে যে মন্দির স্থাপন করেন -- ১০৭ মন্দির সম্পন্ন বিক্রমশীলা বৌদ্ধ বিহার, পাহাড়পুরের সোমপর বিহার, ময়নামতি বিহার ইত্যাদি।
৪১/ ধর্মপালের রাজত্বকাল ছিল -- ৭৭০ থেকে ৮১০ খ্রিষ্টাব্দে পর্যন্তু ৪০ বছর।
৪২/ নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত সোমপুর বিহার এর প্রতিষ্ঠাতা -- ধর্মপাল।
৪৩/ লৌসেন (Lausen) হলো -- রাজা দেবপালের (৮১০-৮৫০ খ্রিঃ) সেনাপতি।
৪৪/ উদীয়মান প্রতিপত্তির যুগ বলা হয় -- দেবপালের শাসনামলকে।
৪৫/ পাল সাম্রাজ্যের বিলুপ্তি ঘটে -- ১১২৪ খ্রিষ্ঠাব্দে।
৪৬/ চন্দ্রবংশের শাসনকাল বিস্তৃত ছিল -- ১০ম- ১১শ শতক পর্যন্ত।
৪৭/ চন্দ্রবংশের প্রথম শক্তিশালী রাজা -- ত্রৈলোক্যচন্দ্র।
৪৮/ পরমেশ্বর, পরম ভট্টারক, মহারাজাধিরাজ উপাধী ছিল -- শ্রীচন্দ্রের।
৪৯/ শ্রীচন্দ্র রাজত্ব করেছেন -- ৯৩০-৯৭৫ খ্রিঃ সময় পর্যন্ত।
৫০/ বেদ রাজবংশের রাজাদের রাজধানী ছিল -- দেবপর্বত।
৫১/ দেবপর্বত অবস্থিত -- কুমিল্লার ময়নামতি পাহাড়ের দক্ষিনাংশে।
৫২/ সেন বংশের প্রথম রাজা ও প্রতিষ্ঠাতা -- সামন্ত সেন।
৫৩/ সেন রাজাদের পূর্ব পুরুষগণ যে দেশের অধিবাসী ছিলেন -- দাক্ষিণাত্যের কর্ণাটক।
৫৪/ সেন বংশের সর্বপ্রথম সার্বভৌম রাজা -- বিজয় সেন।
৫৫/ সেন বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট -- বিজয় সেন।
৫৬/ যার শাসনামলে বাংলা সর্বপ্রথম এক শাসনাধীন আসে -- বিজয় সেনের।
৫৭/ বিজয় সেনের রাজত্বকাল বিস্তৃত ছিল -- ১০৯৮-১১৬০ খ্রিঃ সময় পর্যন্ত।
৫৮/ বিজয় সেনের দ্বিতীয় রাজধানী ছিল -- ঢাকা জেলার বিক্রমপুরে (রামপাল)।
৫৯/ কৌলিন্য প্রথার প্রবর্তক -- বল্লাল সেন।
৬০/ সেন রাজাদের মধ্যে গৌড়েশ্বর উপাধী ছিল -- লক্ষন সেনের।
৬১/ লক্ষন সেনের রাজধানী ছিল -- গৌড় ও নদীয়ায়।
৬২/ সেন বংশের অবসান ঘটে -- ত্রয়োদশ শতকে।
৬৩/ সেন বংশের সর্বশেষ রাজা -- লক্ষন সেন।
৬৪/ বাংলার শেষ হিন্দু রাজা ছিলেন -- লক্ষন সেন।

11 December, 2020

ফাটাফাটি জোকস ৩

 জ্বর এর ভয়াবহতা

(৪১) রোগী : আজ আমি বুঝতে পারছি সামান্য জ্বর যে কত ভয়াবহ হতে পারে।
ডাক্তার : কিভাবে বুঝলেন?
রোগী : আপনার বিলের কাগজটা দেখে!

সালোকসংশ্লেষণ কাকে বলে?

(৪২) পল্টু কোনো দিন পড়া পারে না। কিন্তু সেদিন হঠাৎ জীববিজ্ঞান ক্লাসে শিক্ষক পড়া ধরায় হাত তুলল সে।
স্যার : আরে বাহ্। পল্টু বল তো সালোকসংশ্লেষণ কাকে বলে?
পল্টু : (মাথা চুলকে) স্যার পড়ে এসেছি। কিন্তু মনে পড়ছে না।
স্যার : কতটুকু মনে আছে?
পল্টু : স্যার, শেষের দিকটা।
স্যার : ঠিক আছে। শেষের দিকটাই বল।
পল্টু : একেই সালোকসংশ্লেষণ বলে!

জঠিল গনিত ও সহজ সমাধান

(৪৩) পরীক্ষায় প্রশ্ন এসেছে,‘লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে লন্ডনের দূরত্ব ৮০০০ কিলোমিটার। একজন লোক লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে গাড়িতে ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার বেগে লন্ডন রওনা হলো এবং অপর একব্যক্তি লন্ডন থেকে গাড়িতে ১৬০ কিলোমিটার বেগে লস অ্যাঞ্জেলেসে রওনা হল তাদের দুজনের কোথায় দেখাহবে?’ ছোট্ট জনি উত্তর লিখল, ‘জেলখানায়! এত জোরে গাড়ি চালাবেন, পুলিশ বুঝি আঙুল চুষবে?’

সিংহের মুখোমুখি হওয়া

(৪৪) রবিন : আমার সিংহের মুখোমুখি হওয়ার ঘটনাটা তোকে বলেছিলাম?
সালেক : না তো, কী হয়েছিল?
রবিন : সঙ্গে বন্দুক নেই, সিংহটা সমানে গর্জাচ্ছে, এগিয়ে আসছে...।
সালেক : হায় হায়, তুই তখন কী করলি?
রবিন : বানর দেখতে পাশের খাঁচায় চলে গেলাম!

সাইকেল চালানো

(৪৫) বাবা : তোকে না বলেছিলাম পাস করলে সাইকেল কিনে দেব। তবু ফেল করলি! পড়া বাদ দিয়া কী করছিলি?
ছেলে : সাইকেল চালানো শিখছিলাম!

ফেক আইডি

(৪৬) মন্টু : বাবা আজ তোমাকে একটা কথা বলতে চাই?
বাবা : বল।
মন্টু : আমি না মেয়েদের নাম দিয়ে ফেসবুকে পাঁচটা ফেক আইডি খুলছি।
বাবা : হারামজাদা! তোর আর কোন কাজ নাই? এইসব আকাম করছ? তা এই কথা তুই আমাকে কেন বলছিস?
মন্টু : বাবা তুমি যে গত এক মাস যাবত স্বর্ণা চৌধুরী নামের মেয়েটাকে পটানোর চেষ্টা করতাছো ঐটা আমিই!

অতিথির আবির্ভাব

(৪৭) এক বাড়িতে একজন অতিথি এসেছেন। অনেকদিন হয়ে গেল তবু নড়বার কোন লক্ষণ নেই। স্বামী-স্ত্রী কেউ কিছু বলতে পারে না লজ্জায়। একদিন অতিথিকে শুনিয়ে পাশের ঘরে দু’জন খুব ঝগড়া করতে লাগলো। স্ত্রীকে মারধর এবং স্ত্রীর কান্নার আওয়াজও শোনা গেল। অবস্থা সুবিধার নয় ভেবে অতিথি ভদ্রলোক তার সুটকেস নিয়ে বেরিয়ে গেল। স্বামী-স্ত্রী জানালা দিয়ে তা দেখে ঝগড়া বন্ধ করে খুব হেসে নিল যে, বুদ্ধি করে তারা অতিথি তাড়াতে পেরেছে। স্বামী বলল, ‘তোমার লাগেনি তো? যে জোরে কাঁদছিলে।’ স্ত্রী বলল, ‘ধুর একটুও লাগেনি। এ তো লোক দেখানো কেঁদেছিলাম।’ এক সময় অতিথির আবির্ভাব। সে হাসতে হাসতে বলল, ‘আমিও কিন্তু লোক দেখানো গিয়েছিলাম!

সেইরাম জোকস - দাঁতে খুব ব্যথা!

(৪৮) জুয়েলের দাঁতে খুব ব্যথা। ডাক্তারের কাছে গেলে ডাক্তার বললেন, দাঁত তুলতে হবে। শুনে তো ভয়েই তানভীরের আত্মারাম খাঁচা ছাড়া হওয়ার যোগাড়। ও আবার এইসব অপারেশন খুব ভয় পায়। সব শুনে ডাক্তার বললেন, তাহলে আপনি এই ওষুধটা খেয়ে নিন, দেখবেন দাঁত তুলতে একদম ব্যথা পাবেন না। আর সাহসও যাবে বেড়ে। শুনে তানভীরও খুব করে ওষুধটা খেয়ে নিলো। এবার ডাক্তার জিজ্ঞেস করলো, কি, এখন সাহস পাচ্ছেন তো? - পাচ্ছি না মানে! এবার দেখি, কার এমন বুকের পাটা যে আমার দাঁত তুলতে আসে!

দাদা মারা গেছেন!

(৪৯) দাদা : যা, পালা তাড়াতাড়ি। তুই আজকে স্কুলে যাসনি। তাই তোর হেডমাস্টার বাড়ির দিকে আসছে।
নাতি : আমি পালামু না দাদু। তুমি বরং পালাও। কারণ আমি স্যারকে বলেছি আমার দাদা মারা গেছেন। তাই স্কুলে যাইনি!

দমকল বাহিনী

(৫০) আজিজ মিঞার কারখানায় আগুন লেগেছে। জলদি আগুন নেভাতে না পারলে সর্বনাশ। আজিজ খবর দিলেন দমকলকর্মীদের। চটজলদি হাজির হলো দমকল বাহিনী। কারখানার সামনের ছোট গলিটার দুই পাশের দোকানগুলো ভেঙে, সদর দরজা গুঁড়িয়ে দিয়ে, দেয়াল ভেঙে সোজা অগ্নিকাণ্ডের স্থলে গিয়ে থামল গাড়ি! প্রচণ্ড ঝাঁকি খেয়ে গাড়ির পেছনে রাখা পানির ট্যাংকিটা ছিটকে গিয়ে পড়ল আগুনে। ব্যস, নিভল আগুন। দমকলকর্মীদের তৎপরতা দেখে ভীষণ খুশি আজিজ। তিনি দমকল বাহিনীর প্রধানের হাতে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার তুলে দিলেন। জিজ্ঞেস করলেন, 'এই টাকা দিয়ে আপনারা কী করবেন বলুন তো?'
দমকল বাহিনীর প্রধান : প্রথমেই গাড়ির ব্রেকটা ঠিক করাব!

নাইট গার্ড

(৫১) এক লোক দাতের ব্যাথায় অতিষ্ট হয়ে ডাক্তারের কাছে এসেছে।
রোগী : ডাক্তার সাহেব আমাক তাড়াতাড়ি ওষুধ দেন দাতের ব্যথায় রাতে ঘুমাতে পারি না।
ডাক্তার : ভাল ! আপনেকই তো আমি খুঁজতেছি।
রোগী : কেন ?
ডাক্তার : আমার একজন নাইট গার্ড লাগব!

চার আনা পয়সা

(৫২) নাতিঃ আমাদের বাড়ির সামনের ভদ্রলোক কি গরীব আর কিপ্টে?
নানুঃ কেন রে, কি হয়েছে। না তেমন কিছু নয়।
নাতিঃ ওদের ছোট মেয়েটি মাত্র চার আনা পয়সা গিলে ফেলেছে তাই সেটা বার করতে কী কান্ডই না করছে!

নানু ও নাতির মধ্যে কথোপকথন

(৫৩) নানু ও নাতির মধ্যে কথা হচ্ছে—
নানুঃ বলতে পারিস, তোর বাবার বয়স এখন কত হলো?
নাতিঃ কেন, দশ বছর।
নানুঃ তা কি করে হয়? তোর বয়সই তো দশ বছর।
নাতিঃ সে জন্যই তো বলছি, আমার জম্মের পরই তো তিনি বাবা হয়েছেন!

গুনতে সুবিধা হবে!

(৫৪) বিক্রেতা : এই নাও, তোমাকে ওজনে একটু কম দিলাম, বাসায় নিয়ে যেতে সুবিধা হবে।
বল্টু : এই নিন টাকা।
বিক্রেতা : এ কী, মাছের দাম তো একশ টাকা, দশ টাকা দিলে কেন?
বল্টু : টাকা একটু কম দিলাম, আপনার গুনতে সুবিধা হবে!

অপারেশন টেবিলে

(৫৫) হাতে সেলাই দেওয়া লাগবে। অপারেশন টেবিলে শুয়ে রোগী কাতর চোখে ডাক্তারকে বলল, 'ডাক্তার সাহেব একটা কথা আছিল।'
ডাক্তার : কী কথা বুঝতে পেরেছি আর বলতে হবে না, সেলাইয়ের সময় যেন ব্যথা না দিই এই তো?
রোগী : না না, তা নয় ডাক্তার সাহেব, সেলাই তো ভালোমতো করবেনই, লগে আমার শার্টের হাতার বোতামটাও একটু সিলাইয়া দিয়েন, ছুইটা গ্যাছে!

এক পাগল ডোবার পাশে দাঁড়িয়ে

(৫৬) এক পাগল ডোবার পাশে দাঁড়িয়ে চিত্কার করছেঃ পাঁচ পাঁচ পাঁচ।পাশ দিয়ে এক লোক হেঁটে যাচ্ছিল। সে অবাক হয়ে বললঃ তুমি এভাবে পাঁচ পাঁচ পাঁচ বলে চিত্কার করছ কেন? তখন পাগলটি বললঃ তুমি কাছে আসো তোমাকে দেখাই। লোকটি কাছে যেতেই পাগলটি ধাক্কা মেরে তাকে ডোবার মাঝে ফেলে দিয়ে বলতে লাগলঃ
.
.
. .
ছয় ছয় ছয়।

বইয়ের ভেতর

(৫৭) স্বামী : ওগো, তোমার ছেলের জন্য কোথাও টাকা রেখে শান্তি পাচ্ছি না।
স্ত্রী : টাকাগুলো ওর বইয়ের ভেতর রেখো, পরীক্ষার আগ পর্যন্ত নিরাপদ থাকবে!

চালাক প্রাণী

(৫৮) স্যার : এই বল্টু, বল তো পৃথিবীতে সবচেয়ে চালাক প্রাণী কোনটি?
বল্টু : পৃথিবীতে সবচেয়ে চালাক প্রাণী হচ্ছে গরু।
স্যার : এইটা কেমনে সম্ভব। ব্যাখ্যা দে।
বল্টু : ব্যাখ্যা তো আরো সহজ! বাংলা দ্বিতীয় পত্রে প্রবাদ আছে-অতি চালাকের গলায় দড়ি। বেশির ভাগ গরুর গলায় দড়ি থাকে। সুতরাং গরুই সবচেয়ে চালাক প্রাণী (প্রমাণিত)।

গৃহিণীর সঙ্গে চালাকি

(৫৯) এক সেলসম্যান দরজায় নক করলে দরজা খুললেন গৃহকর্ত্রী। সেলসম্যান দ্রুত লিভিংরুমে ঢুকে এক ব্যাগ গোবর ফ্লোরে ছড়িয়ে দিয়ে বলল, 'ম্যাডাম, নেক্সট তিন মিনিটের মধ্যে যদি এ পুরো গোবরটুকু আমার কম্পানির ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দিয়ে পরিষ্কার করতে না পারি তাহলে গোবরটা আমি খাব।'
গৃহকর্ত্রী : তা গোবরটা খাওয়ার জন্য তোমাকে কী দেব, চিলি নাকি টমেটো সস?
সেলসম্যান : কেন ম্যাডাম, এ কথা কেন বলছেন?
গৃহকর্ত্রী : কারণ বাসায় ইলেকট্রিসিটি নেই। তাই ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দিয়ে নেক্সট তিন মিনিটে তোমার গোবর পরিষ্কার করা হচ্ছে না!

ডাক্তারের সঙ্গে চালাকি

(৬০) এক ডাক্তার ক্লিনিক খুলেছেন। ক্লিনিকের দরজার বাইরে লেখা-যেকোনো ধরনের চিকিৎসার ফি ৩০০ টাকা। বিফলে ১০০০ টাকা ফেরত। এক চালাক লোক ভাবল, ডাক্তারের চেম্বারে যাবে আর চালাকি করে ১০০০ টাকা কামাই করবে। ডাক্তারের কাছে এসে লোকটি বলল, 'ডাক্তার সাহেব, আমার জিহ্বায় কোনো স্বাদ পাচ্ছি না।'
ডাক্তার : 'নার্স, ২২ নম্বর বোতল থেকে কয়েক ফোঁটা তরল ওনার জিহ্বায় ঢেলে দাও।'
ডাক্তারের কথামতো নার্স ২২ নম্বর বোতল থেকে কয়েক ফোঁটা তরল লোকটির জিহ্বায় ঢেলে দিতেই চিৎকার করে উঠল লোকটি, 'ছি ছি! এসব কী? এটা তো প্রস্রাব!'
ডাক্তার : কনগ্র্যাচুলেশন, আপনার জিহ্বার স্বাদ ফিরে এসেছে।'
লোকটি রেগেমেগে ৩০০ টাকা ফি দিয়ে চলে গেল।
দুই সপ্তাহ পরে লোকটি আবার এলো ডাক্তারের কাছে, এবার সুদে-আসলে টাকাটা আদায় করার পরিকল্পনা করে।
এবার বলল, 'আমি আমার স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলেছি, ডাক্তার।
ডাক্তার : নার্স, ২২ নম্বর বোতল থেকে কয়েক ফোঁটা ওনার জিহ্বায় ঢেলে দাও তো।
শুনে এবারও চিৎকার করে উঠল লোকটি, 'সেকি ডাক্তার! ওই ওষুধ তো আপনি জিহ্বার স্বাদ ফিরিয়ে আনার জন্য ব্যবহার করেছিলেন!
ডাক্তার : কনগ্র্যাচুলেশন, আপনার স্মৃতিশক্তি ফিরে এসেছে।

ইসমাইল হোসেন