তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ
- প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম উপায়ে তৈরি আইসোটপের পরিমাণ >> ১৩০০ এর বেশি।
- যে আইসোটোপ আলফা , বিটা , গামা রশ্মি বিকিরণ করে অন্য মৌলের আইসোটোপে পরিণত হয় তাকে >>>তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ
তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার
১.দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া ও কোথায় কেন ব্যথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত হয় >>Tc-99m
2.হাড়ের ব্যথার চিকিত্সায় ব্যবহৃত হয় >>> 152^Sm , 89^Sr.
৩.টিউমারের উপস্থিতি নির্ণয়, ও তা নিরাময়ে এবং ক্যান্সার কোষকে ধ্বংস করতে ব্যবহার করা , এবং খাদ্যের ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে খাদ্য সংরক্ষণ করতে >> 60^Co.
৪. থাইরয়েড গ্রন্থির কোষ -কলা বৃদ্ধি প্রতিহত করে >> 131^I
৫. রক্তের লিউকোমিয়া রোগের চিকিত্সায় এং উন্নত মানের কৃষি বীজ বা বীজের মানোন্নয়ন ব্যবহৃত হয় >> 32^P
৬. হার্টের পেইসমেকার বসাতে ব্যবহৃত হয় >>> প্লুটোনিয়াম -২৩৮
৭.বিভিন্ন ধরণের ক্যান্সার নিরাময়ে ব্যবহৃত হয় >> 131^Cs, 192^Ir, 125I, 103Pd, 106^RU.
৮. পৃথিবীর বয়স নির্ধারণ করা যায় >> C-14.
রসায়ন
১।প্রকৃতি থেকে প্রাপ্ত মৌল >> ৯৮টি (সূত্র - ৯-১০ শ্রেণির রসায়ন বই। )
২। এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত মৌল >> ১১৮টি ( ২০১২সালে হিসাব) এখন মনে হয় >> ১২১ ।
৩।মুদ্রা ধাতু >> তামা (Cu,কপার) , রুপা(সিলভার Ag) সোনা (Au)
৪। ক্ষার ধাতু/ অ্যালকালি >> লিথিয়াম(Li) , সোডিয়াম(Na), পটাসিয়াম(K), রুবডিয়াম(Rb) , সিজিয়াম(Cs) ফ্রান্সিয়াম(Fr)
মনে রাখার টেকনিক >> লিনাকে রুবি সাজাবে ফ্রান্সে ।
৫।হ্যালোজেন >> ফ্লোরিণ , ক্লোরিন , ব্রোমিন , আযোডিন , অ্যাস্টাটিন ।
৬। নিষ্ক্রিয় গ্যাস >> , হিলিয়াম , নিয়ন , আর্গন , ক্রিপটন , জেনন , রেডন।
৭।কাপে গরম চা রাখলে কোন প্রক্রিয়াটি ঘটে >> বাষ্পীভবন
৮। উদ্ধায়ী বা উর্ধ্বপাতিত পদার্থ>> ন্যাপথালিন, অ্যামোনিয়া , আয়োডিন, কর্পূর , বেনজিন, কঠিন কার্বন-ডাই -অক্সাইড ।
৯। আতরের সুগন্ধ ছড়া কিসের উদাহরণ>>ব্যাপন
১০। হিলিয়াম, হাইড্রোজেন, কার্বন -ডাই -অক্সাইডের মধ্যে কার ব্যাপন বেশি >> কার্বন -ডাই -অক্সাইডের , হিলিয়ামের সবচেয়ে কম।
১১. সিএনজিতে কোন গ্যাস কম্প্রেস করা হয় ?
- মিথেন
১২. বাসা বাড়িতে যে গ্যাস ব্যবহার করি তা কি
- মিথেনে সাথে বিউটেন ও প্রোপেনের মিশ্রণ
১৩। একটি পাকা কাঁঠাল ঘরের একটি কক্ষে রেখে দিলে গন্ধ কাঁঠালের ত্বকের ছিদ্রপথে বের হওয়াকে বলে >> নি:সরণ । এবং গন্ধ এক ঘর থেকে অন্য ঘরে যাওয়াকে বলে >> ব্যাপন।
১৪। মোমকে পুডলে কোন গ্যাস উত্পন্ন হয় >> কার্বন-ডাই-অক্সাইড ।
১৫।পরমানুর নিউক্লিয়াস কিথাকে? >>( প্রোটন ও নিউট্রন )(ভরসংখ্যা
১৬। হাইড্রোজেনের কয়টি আইসোটোপ আছে? ৩টি।
- প্রোটিয়াম (হাইড্রোজেন, H) ,
- ডিউটেরিয়াম(D2)
- ট্রিটিয়াম (T3)
এক্সরে
- এক্সরে >>> তাড়িত চৌম্বক বিকিরণ । ১৮৯৫সালে রন্টজেন আবিষ্কার করে।
যেসব কাজে ব্যবহার করা হয় :
১। নিউমোনিয়া ফুসফুসের ক্যান্সার শনাক্তকরণ ,
২।পিত্তথলি ও কিডনির পাথর শনাক্তকরণ ,
৩। অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা শনাক্তকরণ ,
৪। দাঁতের গোড়ায় ঘা এং ক্ষত নির্ণয়
৫। হাড়ে ফাটল ও ভেঙ্গে যাওয়া হাড় শনাক্তকরণ
৬। ক্যান্সার কোষ মেরে ফেলতে পারে।
এছাড়াও নিরাপত্তা ও শিল্পক্ষেত্রে এক্সরের ব্যবহার করা হয়।
অাল্ট্রাসনোগ্রাফি
- এখানে শব্দতরঙ্গ ব্যবহার করা । শব্দের প্রতিধ্বন্নি কাজে লাগানো। সাধারণত শ্রবণোত্তর শব্দ (২০,০০০ হার্জ )ব্যবহার করা হয়।
যেসব কাজে ব্যবহার করা হয় :
- নরম পেশি বা টিস্যুুর অভ্যন্তরীন ক্ষতি দেখতে ও শনাক্তকরণ করতে।
যেমন: মস্তিষ্ক, যকৃত্ পিত্তথলি, প্রধান নালিসমূহ ।
সিটি স্ক্যান CT Scan >>> Computed Tomography Scan
- সিটি স্ক্যানের মাধ্যমে কোনো পেশি বা অস্থির স্থান পরিবর্তন , অস্থি অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ বা শারীরিক ক্ষতির নিখুঁত অবস্থান জানা যায়।
- এখানে ত্রিমাত্রিক ছবি পাওয়া।
MRI >> Magnetic Resonance Imaging
এখানে চৌম্বকক্ষেত্রকে কাজে লাগানো হয়েছে।
এটি এমন একটি কৌশল যা শরীরের যে কোনো অঙ্গের বিশেষ করে নরম ও সংবেদনশীল এর পরিষ্কার ও বিস্তারিত ছবি তুলতে পারে। যেমন: মস্তিষ্ক, পেশি, যোজক কলা, এবং টিউমার শনাক্তকরণ ক্ষেত্রে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়।
এছাড়াও এর মাধ্যমে পায়ের গোড়ালির মচকানো ও পিঠের ব্যথার জখম বা আঘাতের তী্রতা নির্ণয় করা যায়।
ECG >> Electrocardiogram : এখানে বৈদ্যুতিক তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়।
- এর সাহায্যে হৃদপিণ্ড সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা , হৃদকম্পন নিয়মিত কিনা , শরীরের নির্দিষ্ট কোনো অঙ্গে রক্ত চলাচল সঠিক কিনা তা বোঝা যায়। এছাড়াও শরীরের কোনো রাসায়নিক উপাদান ঠিক আছে কিনা তাও জানা যায়।
এন্ডোস্কোপি
- এটি এক ধরণের বাঁকানো টেলিস্কোপ । যখন শরীরের অভ্যন্তরীণ কোনো সমস্যা এক্সরে বা সিটি স্ক্যান করে নিশ্চিত হওয়া না যায় তখন ব্যবহৃত হয়। যেমন: পেটে ব্যথা , গ্যাস্ট্রিক আলসার , পরিপাকতন্ত্র, মূত্রনালি , স্ত্রী প্রজননতন্ত্র ইত্যাদি সমস্যার ক্ষেত্রে ।
- পেটের আলসার নির্ণয়ের অন্যতম উপায় হল এন্ডোস্কোপি।
রেডিওথেরাপি >>> এখানে আলোক রশ্মির ফোটন কণিকা ও তেজষ্ক্রিয় কণাকে কণাকে কাজে লাগানো হয়।
- এটি ক্যান্সারের আরোগ্য বা নিয়ন্ত্রণের একটি কৌশল। এর মাধ্যমে শরীরের যে অঙ্গে ক্যান্সার হয়েছে সে অঙ্গের আক্রান্ত কোষগুলো ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়।
কোমোথেরাপি>>>রাসায়নিক ঔষধ ব্যবহার
- কান্সারে নিরাময়ে ব্যবহৃতহয় । এটি এমন এক ধরণের চিকিত্সা যেখানে বিশেষ ধরণের রাসায়নিক ঔষধ ব্যবহার করা হয় যা শরীরের ক্ষতিকর দ্রুত বিভাজরত কোষ ধ্বংস করে।
এনজিওগ্রাফি
- এক্সরে ব্যবহার করা হয়।
- হৃদরোগে বন্ধ হওয়া রক্তনালিকা শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।আর বন্ধহওয়া নালিকাকে সচল করতে ব্যবহৃত হয় এনজিওপ্লাস্ট।
No comments:
Post a Comment